USA vs BAN: এক ম্যাচই নয়, বাংলাদেশকে হুঁশিয়ারি USA-র হরমীত সিংয়ের!
Bangladesh Cricket: আমেরিকার ইনিংসে সর্বাধিক ৩৪ রান কোরি অ্যান্ডারসনের। যদিও ম্যাচ জেতানো ইনিংস হরমীতের। মাত্র ১৩ বলে ৩৩ রান! ২টি বাউন্ডারি এবং তিনটি ওভার বাউন্ডারি মারেন তিনি। স্ট্রাইকরেট প্রায় ২৫৪। মুস্তাফিজুর রহমানের ৪ ওভারে এসেছে ৪১ রান। বাংলাদেশ ক্রিকেটকে যা অস্বস্তিতে ফেলেছে। হরমীত সিং অবশ্য একটা জয়েই থামতে নারাজ। ক্রমতালিকায় বাংলাদেশ ৯ নম্বরে। আমেরিকা ১৯!

বিশ্ব ক্রিকেটে নানা অঘটন হয়। বাংলাদেশের হারকেও কি অঘটন বলা যায়? এ বার টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ আয়োজনের দায়িত্বে ওয়েস্ট ইন্ডিজ ও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র। প্রথম বার আমেরিকায় টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ হতে চলেছে। তেমনই প্রথম বার টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে অংশ নেওয়ার সুযোগ পাচ্ছে আমেরিকা। বিশ্বকাপের প্রস্তুতিতে নানা দেশই দ্বিপাক্ষিক সিরিজ খেলছে। যেমন ইংল্য়ান্ড ঘরের মাঠে পাকিস্তানের বিরুদ্ধে খেলছে। নেদারল্য়ান্ডস, স্কটল্য়ান্ড ত্রিদেশীয় সিরিজে অংশ নিচ্ছে। বাংলাদেশ ক্রিকেট টিমও আগে ভাগেই আমেরিকা পৌঁছে গিয়েছে। আয়োজক আমেরিকার বিরুদ্ধে তিন ম্যাচের টি-টোয়েন্টি সিরিজ খেলছে। এরপর বিশ্বকাপের ওয়ার্ম আপ ম্যাচ রয়েছে ভারতের বিরুদ্ধে। সিরিজের শুরুতেই অবশ্য় বাংলাদেশ ক্রিকেটে লজ্জা। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের কাছে হার বিশ্ব ক্রমতালিকায় ৯ নম্বরে থাকা বাংলাদেশের।
বিশ্বকাপের আগে বাংলাদেশে হইচই পড়ে গিয়েছে। আমেরিকার কাছে প্রথম ম্যাচে লজ্জার হার। বাংলাদেশ ক্রিকেটে প্রশ্ন উঠছে, আমেরিকার মতো টিমের বিরুদ্ধেই এই হাল! প্রথম টি-টোয়েন্টিতে আমেরিকাকে ১৫৪ রানের টার্গেট দিয়েছিল বাংলাদেশ। ক্যাপ্টেন নাজমুল হোসেন শান্ত এবং তারকা ক্রিকেটাররা ভরসা দিতে ব্য়র্থ। আমেরিকার বোলার স্টিভেন টেলর ৩ ওভারে মাত্র ৯ রান দিয়ে ২ উইকেট নেন। রান তাড়ায় তিন বল বাকি থাকতেই জয় আমেরিকার। আর এতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে ভারতীয় বংশোদ্ভূত হরমীত সিংয়ের।
আমেরিকার ইনিংসে সর্বাধিক ৩৪ রান কোরি অ্যান্ডারসনের। যদিও ম্যাচ জেতানো ইনিংস হরমীতের। মাত্র ১৩ বলে ৩৩ রান! ২টি বাউন্ডারি এবং তিনটি ওভার বাউন্ডারি মারেন তিনি। স্ট্রাইকরেট প্রায় ২৫৪। মুস্তাফিজুর রহমানের ৪ ওভারে এসেছে ৪১ রান। বাংলাদেশ ক্রিকেটকে যা অস্বস্তিতে ফেলেছে। হরমীত সিং অবশ্য একটা জয়েই থামতে নারাজ। ক্রমতালিকায় বাংলাদেশ ৯ নম্বরে। আমেরিকা ১৯! ফারাকটা এখানেই পরিষ্কার।
বাংলাদেশকে হারিয়ে ম্যাচের সেরা হরমীত বলছেন, ‘সব সময় বড় দলকে হারানোর সুযোগ পাওয়া যায় না। প্রত্যেকেই পরিশ্রম করেছে। ব্যক্তিগত নৈপুণ্যের ফল মিলেছে দলগত পারফরম্যান্সে। আমাদের কাছে এই জয় বড় প্রাপ্তি। তবে আমরা হাল ছেড়ে দেওয়ার মানসিকতা রাখি না। আমাদের দক্ষতা রয়েছে। পরবর্তী ম্যাচেও সেটাই কাজে লাগানো লক্ষ্য থাকবে।’
