FIFA : ‘দায়ী একমাত্র সংবাদমাধ্যম…’বেসরকারীকরন বিতর্কে অবশেষে সাফাই দিল ফিফা!
Jianni Infantino: ইতিমধ্যেই ইস্তফা দিয়েছেন ইনফান্তিনোর ঘনিষ্ঠ কার্লোস কর্ডিয়েরো। যদিও উয়েফা প্রথমে এর বিরোধিতা করে বিশ্বকাপ বয়কটের হুঁশিয়ারি দিয়েছিল। তারা বলেছিল, এই মালিকানা গেলে উয়েফা অর্থাৎ ইউরোপের দেশগুলো আর বিশ্বকাপ খেলবে না।

কলকাতা : দিন দুয়েক ধরে উত্তাল ফুটবল দুনিয়া। শোনা গিয়েছে, ফিফা নাকি নিজেদের সব প্রতিযোগিতার মালিকানা বেসরকারি বিনিয়োগকারীদের হাতে তুলে দিতে চলেছে। এই খবর প্রকাশ্যে আসার পরেই একের পর এক হুঁশিয়ারি শোনা যাচ্ছে। প্রথমে উয়েফা বিশ্বকাপ বয়কটের ডাক দিলেও এবার সেই তালে তাল মিলিয়েছে কনকাকাফও। তবে এবার সব বিতর্কে নিজেদের অবস্থান স্পষ্ট করল ফিফা। নিজেদের বিবৃতির মাধ্যমে সংবাদমাধ্যমকে দায়ী করেছে বিশ্ব ফুটবলের নিয়ামক সংস্থা।
ইতিমধ্যেই ইস্তফা দিয়েছেন ইনফান্তিনোর ঘনিষ্ঠ কার্লোস কর্ডিয়েরো। এবার একটি বিবৃতি দিয়ে ফিফা জানিয়েছে,“এই ঘটনায় দায়ী সংবাদমাধ্যম। সংবাদমাধ্যমের কিছু ভুল প্রতিবেদনের জন্য আমাদের কিছু প্রক্রিয়া ও পরিকল্পনা ব্যাহত হয়েছে। আমরা সেই প্রক্রিয়া চালিয়ে যাব, যাতে প্রতিটি ফুটবল সদস্য দেশ সঠিক তথ্য জেনে নিজেদের মতামত জানাতে পারে। কেউ ফুটবলকে বিক্রি করছে না। ফিফা কখনও এমন কিছু করবে না। সংবাদমাধ্যমে ভুল প্রতিবেদন করা হচ্ছে।” ফিফা আরও বলেছে, “প্রত্যেকের বিরোধিতা করার ও ব্যাখ্যা চাওয়ার পূর্ণ অধিকার আছে। কিন্তু বিশ্বের ২১১টি দেশের হয়ে কোনও একটি সংস্থা কথা বলতে পারে না। প্রত্যেক সদস্য দেশকে এই প্রস্তাব খতিয়ে দেখে নিজের ভবিষ্যৎ নিয়ে মতামত জানানোর সুযোগ দেওয়া উচিত। এটাই ফিফার নীতি।”
যদিও উয়েফা প্রথমে এর বিরোধিতা করে বিশ্বকাপ বয়কটের হুঁশিয়ারি দিয়েছিল। তারা বলেছিল, এই মালিকানা গেলে উয়েফা অর্থাৎ ইউরোপের দেশগুলো আর বিশ্বকাপ খেলবে না। এরপরেই কনকাকাফ অর্থাৎ ক্যারিবিয়ান দ্বীপপুঞ্জ ও আমেরিকার ফুটবল অ্যাসোসিয়েশনও এই প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করেছে। এর মধ্যে আবার এশিয়ান ফুটবল কনফেডারেশন জানিয়েছে, ছয়টি মহাদেশের ফুটবল সংস্থার সমর্থন ছাড়া ফিফার এই পরিকল্পনা সফল হতে পারেনা।
এএফসি একটি বিবৃতিতে বলেছে,”বিশ্বকাপ বয়কটের মতো বিষয় এখন প্রকাশ্যে আলোচনা করা হচ্ছে। এটি বিশ্ব ফুটবলের ভবিষ্যৎ নিয়ে চিন্তিত প্রত্যেক সমর্থকের জন্য একটি উদ্বেগের বিষয়। ফুটবলকে এমন পরিস্থিতিতে ফেলা উচিত নয়।” তবে প্রথমে উয়েফা, তারপর কনকাকাফ ও এখন এএফসি – এই ত্রিফলা শঙ্কুতে ক্রমশ আটকে পড়ছে ফিফার অর্থনৈতিক প্রকল্পের চিন্তা।
