ফুটবল সম্রাট পেলের প্রথম মৃত্যুবার্ষিকী, ১০ নম্বর জার্সিতে সাজল ‘ক্রাইস্ট দ্য রিডিমার’
Pele: ২০২২ সালের ২৯ ডিসেম্বর সাও পাওলোর আলবার্ট আইনস্টাইন হাসপাতালে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন পেলে। ৮২ বছর বয়সে ক্যান্সারের সঙ্গে লড়াইয়ে পেরে ওঠেননি পেলে। মাত্র ১১ বছর বয়সে ফুটবল সাম্রাজ্যে ঢুকে পড়েছিলেন পেলে। তার পর তৈরি করেছেন অমরগাঁথা। তিনি এই পৃথিবীতে না থাকলেও আপামর ফুটবল প্রেমী ও ব্রাজিলিয়ানদের মনের মণিকোঠায় রয়েছেন এবং আজীবন থাকবেন।

রিও ডি জেনেইরো: তুমি রবে নীরবে, হৃদয়ে মম… তাঁর না থাকার এক বছর পূর্ণ হয়েছে। গোটা বিশ্ব তাঁকে এক ডাকে চেনে। তিনি ফুটবল সম্রাট। ব্রাজিলিয়ান কিংবদন্তি পেলের (Pele) প্রথম মৃত্যুবার্ষিকী ছিল শনিবার (২৯ ডিসেম্বর)। ২০২২ সালের ২৯ ডিসেম্বর সাও পাওলোর আলবার্ট আইনস্টাইন হাসপাতালে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন পেলে। ৮২ বছর বয়সে ক্যান্সারের সঙ্গে লড়াইয়ে পেরে ওঠেননি পেলে। মাত্র ১১ বছর বয়সে ফুটবল সাম্রাজ্যে ঢুকে পড়েছিলেন পেলে। তার পর তৈরি করেছেন অমরগাঁথা। তিনি এই পৃথিবীতে না থাকলেও আপামর ফুটবল প্রেমী ও ব্রাজিলিয়ানদের মনের মণিকোঠায় রয়েছেন এবং আজীবন থাকবেন।
ব্রাজিল-বাসীরা পেলের প্রথম মৃত্যুবার্ষিকীতে বিশেষ ভাবে শ্রদ্ধা জ্ঞাপন করেছে। রিও ডি জেনেইরো শহরের পরিচয় জড়িয়ে ‘ক্রাইস্ট দ্য রিডিমার’এ। সেই ‘ক্রাইস্ট দ্য রিডিমার’ আসলে যিশুর দু’পাশে দু’হাত মেলে দাঁড়ানো একটি মূর্তি। সেই মূর্তিতেই পেলের পরা ১০ নম্বর জার্সি লেজার শোয়ের মাধ্যমে পরানো হয়। পেলের স্পোর্টসম্যানশিপ সম্পর্কে পোপ ফ্রান্সিসের এক বার্তাও তুলে ধরা হয় ক্রাইস্ট দ্য রিডিমারে।
ব্রাজিল ফুটবলের পক্ষ থেকে পেলের ১০ নম্বর জার্সি পরা ক্রাইস্ট দ্য রিডিমারের সেই ছবি শেয়ার করা হয় সোশ্যাল মিডিয়া সাইট Xএ। তার ক্যাপশনে লেখা হয়, ‘আজ রাতের ক্রাইস্ট দ্য রিডিমার। আজকের দিনেই গত বছর পেলে আমাদের ছেড়ে চলে গিয়েছিলেন।’
The Christ Redeemer tonight.
Pelé passed away on this day last year 💔 pic.twitter.com/cIRJD0AH4d
— Brasil Football 🇧🇷 (@BrasilEdition) December 30, 2023
ফিফা বিশ্বকাপের পক্ষ থেকে X এ ব্রাজিলিয়ান কিংবদন্তি পেলের ছবি শেয়ার করে শ্রদ্ধা জানানো হয়েছে। পাশাপাশি একটি ভিডিয়োও তুলে ধরেছে ফিফা।
1940 – 2022 ❤️
Pele’s legacy will always live on. 🇧🇷
— FIFA World Cup (@FIFAWorldCup) December 29, 2023
তিন বার ব্রাজিলকে বিশ্বকাপ জেতান পেলে। আর সেই তিনিই ক্যান্সারের সঙ্গে লড়াইয়ে হেরে যান। স্যান্টোসের নেক্রোপোল একুমেনিয়া মেমোরিয়াল সিমেট্রিকে বলা হয় বিশ্বের উচ্চতম সমাধিস্থল। সোনার কফিনে পেলে সেখানেই শায়িত রয়েছেন।





