AQI
TV9 Network
User
Sign In

By signing in or creating an account, you agree with Associated Broadcasting Company's Terms & Conditions and Privacy Policy.

Nana Patekar: ‘কতজন জানে, শটগান থেকে পিস্তল – সব চালাতে পারতেন নানা…’ অভিনেতার মৃত্যুতে শোকার্ত জয়দীপ কর্মকার

Jaideep Karmakar: ২০০৪ সালে বিএসএফ-র আয়োজিত রেয়াতি রেঞ্জের ৪৮ তম জাতীয় শ্যুটিং চ্যাম্পিয়নশিপে রুপোর পদক পেয়েছিলেন নানা পাটেকার। ২০০৭ সালে মহারাষ্ট্রে অনুষ্ঠিত একটি অনুষ্ঠানে ব্রোঞ্জ পেয়েছিলেন তিনি। তবে নানার শ্যুটিংপ্রীতি নিয়েই মুখ খুললেন জয়দীপ কর্মকার।

Nana Patekar: 'কতজন জানে, শটগান থেকে পিস্তল - সব চালাতে পারতেন নানা...' অভিনেতার মৃত্যুতে শোকার্ত জয়দীপ কর্মকার
নানা পাটেকরImage Credit: PTI, X
| Edited By: | Updated on: Oct 08, 2026 | 8:57 PM
Share

কলকাতা : “আচ্ছা হ্যায়” বা “কন্ট্রোল, উদয়” – একের পর এক দুর্দান্ত ডায়লগে দর্শককে মাতিয়ে রেখেছিলেন অভিনেতা নানা পাটেকার। আজ, বৃহস্পতিবারের সকালে ইহলোকের মায়া ত্যাগ করলেন তিনি। তবে অভিনয়ের পাশাপাশি ক্রীড়ামহলেও পরিচিত ছিলেন নানা। শ্যুটিং নিয়েও অনেক মজাদার গল্প আছে তাঁর। সেই নিয়েই কথা বললেন বাংলার বিখ্যাত শ্যুটার জয়দীপ কর্মকার।

টিভি৯ বাংলাকে জয়দীপ জানিয়েছেন, “নানাকে এত কাছ থেকে দেখেছি ও ব্যক্তিগতভাবে চিনি, তাই খুব ভাল সম্পর্ক আমাদের। যখন আমরা পুণেতে প্র্যাকটিস করতাম, উনিও দেখতে আসতেন। ওঁর মতো অমায়িক মানুষ খুব কম দেখেছি। কাউকে বুঝতে দিতেন না, উনি এত বড় অভিনেতা।” নানার সাধারণ জীবনযাবন নিয়েও কথা বলেছেন এই বঙ্গ সন্তান,তাঁর কথায়,”একদিন ইন্দোরে থাকাকালীন আমরা প্র্যাকটিস করছি, উনি বাইরে বসেছিলেন। আমাকে ডেকে বললেন, একটু খেতেও দিচ্ছে না? চলো একটু চা খেয়ে আসি। আমাকে কর্মর্কার বলে ডাকতেন। উনি হয়ত ভাবতেন যে আমি মারাঠি কিন্তু সত্যিটাও জেনে গিয়েছিলেন নানা। আসলে ওঁর আশেপাশে যাঁরা থাকতেন, তাঁরা সবাই দেখতেন ও জানতেন যে উনি কতটা অমায়িক।”

আগের আরও একটি ঘটনা বলেন তিনি, “একদিন আমি প্র্যাকটিস সেরে হোস্টেল যাচ্ছি, একটা গাড়ি খুব দ্রুত পাশ কাটিয়ে চলে গেল। তারপর বেশ কিছুটা দূরে থেমে আবার ১০০ মিটার পিছিয়ে ফিরে এল। জানলা দিয়ে নানা মুখ বাড়িয়ে আমাকে জিজ্ঞেস করলেন কোথায় যাচ্ছি? হোস্টেল ফিরছি শুনে ওঁর নিজের গাড়িতেই আমাকে হোস্টেলে ফেরত পাঠালেন।” তবে অনেকেই হয়ত জানতেন না, নানা পাটেকর নিজেও শ্যুটিং করতেন। জয়দীপের কথায়,”এটা আমাদের শ্যুটিং জগতে খুব প্রচলিত একটি খবর। ২০০৯-১০-এ তিনি শ্যুটিং করতেন। আমার সঙ্গে ওঁর প্রথম দেখাও হয় পুণের এক শ্যুটিং রেঞ্জে। এমনকি অনেক প্রতিযোগিতাতেও উনি অংশগ্রহণ করতেন। উনি সামরিক কাজ খুব ভালোবাসতেন। প্রহার সিনেমায় ওঁকে দেখে কেউ বলবে, উনি আর্মির লোক নয়? শটগান থেকে পিস্তল – সব ধরণের শ্যুটই শিখেছিলেন নানা।”

২০০৪ সালে বিএসএফ-র আয়োজিত রেয়াতি রেঞ্জের ৪৮ তম জাতীয় শ্যুটিং চ্যাম্পিয়নশিপে রুপোর পদক পেয়েছিলেন নানা পাটেকার। ২০০৭ সালে মহারাষ্ট্রে অনুষ্ঠিত একটি অনুষ্ঠানে ব্রোঞ্জ পেয়েছিলেন তিনি। সেই নিয়েই শোকাহত তাঁর পরিচিত ‘বন্ধু’ ও দেশের গৌরব জয়দীপ কর্মকার।

Follow Us