AUS vs BAN 2nd Test Scorecard: একদিনে পড়ল ১৮ উইকেট, বাংলাদেশের ত্রাতা হয়ে অজি ইনিংসে ধস নামালেন শরিফুল!
Shoriful Islam: টসে হেরে প্রথমে ব্যাট করে বাংলাদেশ। প্রথম বল থেকেই শুরু হয় ভরাডুবি। মিচেল স্টার্কের বিদ্ধংসী পারফরম্যান্সের সামনে কেঁপে ওঠে বাংলাদেশের ব্যাটিং মেরুদন্ড। এক সময় তাদের স্কোর ছিল ১২/৫। বাংলা ব্যাটারদের চোখে তখন সর্ষেফুল দেখাচ্ছিলেন অস্ট্রেলিয়ান পেসার মিচেল স্টার্ক। সেখান থেকে কোনও রকমে পাল্টা লড়াই শুরু করে বাংলাদেশী ব্যাটাররা।

ম্যাকে : প্রথম টেস্টে অস্ট্রেলিয়ার বিরুদ্ধে যে দল জিতবে, এই কথা স্বপ্নেও আশা করেননি কোনও বাংলাদেশী ক্রিকেট সমর্থক। তবে জিতে যাওয়ার পর এটা জানাই ছিল, যে অস্ট্রেলিয়া ছেড়ে কথা বলবে না। তবে দ্বিতীয় টেস্টের প্রথম দিনেই যেভাবে ১৮ উইকেট পড়ল, তা অভাবনীয়। সকালেই মাত্র ৬৪ রানে গুটিয়ে গিয়েছে বাংলাদেশ। তার জবাবে দিন শেষে এই মুহূর্তে ১০১ রানে এগিয়ে রয়েছে অস্ট্রেলিয়া।
টসে হেরে প্রথমে ব্যাট করে বাংলাদেশ। প্রথম বল থেকেই শুরু হয় ভরাডুবি। মিচেল স্টার্কের বিদ্ধংসী পারফরম্যান্সের সামনে কেঁপে ওঠে বাংলাদেশের ব্যাটিং মেরুদন্ড। এক সময় তাদের স্কোর ছিল ১২/৫। বাংলা ব্যাটারদের চোখে তখন সর্ষেফুল দেখাচ্ছিলেন অস্ট্রেলিয়ান পেসার মিচেল স্টার্ক। সেখান থেকে কোনও রকমে পাল্টা লড়াই শুরু করে বাংলাদেশী ব্যাটাররা। লোয়ার অর্ডারের বদান্যতায় শেষ উইকেটে ২০-র বেশি রান ওঠে। শেষ অবধি ৬৪ রানে অল আউট হয়ে যায় বাংলাদেশ। ১২ রান দিয়ে ৬ উইকেট পান স্টার্ক। বাংলাদেশের হয়ে সর্বোচ্চ রান শরিফুল ইসলামের। ২৫ রানে ৩ উইকেট পেয়েছেন কামিন্স।
জবাবে ব্যাট করতে নেমে শুরু থেকেই খোঁড়াতে শুরু করে অস্ট্রেলিয়াও। একসময় ৪১/৩ ছিল তাদের স্কোর। এরপর লড়াই শুরু করেন স্টিভ স্মিথ ও ক্যামেরন গ্রিন। স্মিথ ৭৪ বলে ৪২ রান করে আউট হন। গ্রিন অপরাজিত আছেন ৫১ রানে। তবে স্মিথের উইকেট পড়ার পরেই একের পর এক উইকেট পড়তে থাকে অস্ট্রেলিয়ারও। দ্রুতই ১১৮/৪ থেকে ১৪৮/৮ হয়ে যায় অজিরা। ট্র্যাভিস হেড করেছেন ২২ রান। ম্যাট রেনশ (৮), মার্নাস লাবুশেন (৪), অ্যালেক্স ক্যারি (৫), বিউ ওয়েবস্টার (০), প্যাট কামিন্স (০), মিচেল স্টার্ক (১) – সবাই ব্যর্থ। এই মুহূর্তে গ্রীনের সঙ্গে ক্রিজে রয়েছেন নাথান লিয়ঁ। তিনি এই মুহূর্তে ২৮ বলে ১০ রান করে অপরাজিত। দিন শেষে অস্ট্রেলিয়ার স্কোর ১৬৫/৮।
বাংলাদেশ বোলারদের মধ্যে দারুন বল করেছেন শরিফুল ইসলাম। ৩৫ রান দিয়ে ৬ উইকেট পেয়েছেন তিনি। ১টি করে উইকেট পেয়েছেন মেহেদি হাসান মিরাজ ও তাসকিন আহমেদ। দিনের শেষে অজিরা ১০১ রানে এগিয়ে থাকলেও বাংলাদেশ যে ছেড়ে কথা বলবে না, তা আশা করাই যায়।
