T20 World Cup: সুপার এইটের আগে আবারও ছন্দে ফেরার লক্ষ্য অভিষেকের
বিশ্বকাপে বর্তমানে সবচেয়ে বেশি আলোচনায় রয়েছেন অভিষেক শার্মা। তাঁর প্রতি বিপুল প্রত্যাশা থাকলেও তিনি রানের মুখ দেখেননি। ছয় ইনিংসের চারটিতেই শূন্য করেছেন তিনি। অসুস্থতার কারণে নামিবিয়ার বিরুদ্ধে ম্যাচও খেলতে পারেননি অভিষেক শর্মা। তবে চলতি বিশ্বকাপে ভারতের প্রধান শক্তি ঈশান কিষান। ১৫৮ রান করেছেন সব মিলিয়ে। ১৯৮এর কাছাকাছি স্ট্রাইক রেট। দলের সর্বোচ্চ রান সংগ্রাহক। কিন্তু সুপার এইটে ভারতের চাইবে দুই বাঁ হাতি ওপেনারই ছন্দে থাকুন।

কলকাতা: কলম্বোতে পাকিস্তানকে ৬১ রানে হারিয়ে ভারত এখন আরও আত্মবিশ্বাসী। ভারতের এখন প্রধান লক্ষ্য় সুপার এইটে নিজেদের আরও ভালো করে প্রস্তুত করা। আজ, বুধবার নরেন্দ্র মোদি স্টেডিয়ামে নেদারল্যান্ডসের বিরুদ্ধে শেষ ম্যাচে নামবে ভারত। আবার এই ভেন্যুতেই ভারত সুপার এইটেরও প্রথম ম্যাচ খেলবে। ২২ ফেব্রুয়ারি দক্ষিণ আফ্রিকার বিরুদ্ধে। যদি ফাইনালে ওঠে ভারত, সেই ম্যাচেও এই মাঠেই ৮ মার্চ খেলতে হবে। ফলে পিচ ও পরিবেশের সঙ্গে দ্রুত মানিয়ে নেওয়াই এখন ভারতের মূল লক্ষ্য। গুজরাট ক্রিকেট সংস্থার তরফ থেকে জানানো হয়েছে, ভারতের ম্যাচে স্টেডিয়াম উপচে পড়বে। যা ম্যাচটিকে আরও বড় মঞ্চে পরিণত করতে পারে।
বিশ্বকাপে বর্তমানে সবচেয়ে বেশি আলোচনায় রয়েছেন অভিষেক শার্মা। তাঁর প্রতি বিপুল প্রত্যাশা থাকলেও তিনি রানের মুখ দেখেননি। ছয় ইনিংসের চারটিতেই শূন্য করেছেন তিনি। অসুস্থতার কারণে নামিবিয়ার বিরুদ্ধে ম্যাচও খেলতে পারেননি অভিষেক শর্মা। তবে চলতি বিশ্বকাপে ভারতের প্রধান শক্তি ঈশান কিষান। ১৫৮ রান করেছেন সব মিলিয়ে। ১৯৮এর কাছাকাছি স্ট্রাইক রেট। দলের সর্বোচ্চ রান সংগ্রাহক। কিন্তু সুপার এইটে ভারতের চাইবে দুই বাঁ হাতি ওপেনারই ছন্দে থাকুন। নেদারল্যান্ডসের বিরুদ্ধে ম্যাচটি তাই অভিষেক শর্মার জন্য় খুবই গুরুত্বপূর্ণ হতে পারে। এই ম্যাচেই নিজেকে রানে ফেরাতে মরিয়া।
এই ম্যাচে বিশ্রাম দেওয়া হতে পারেন জসপ্রীত বুমরাকে। সে ক্ষেত্রে দলের বোলিং দায়িত্ব নিতে পারেন মহম্মদ সিরাজ ও অর্শদীপ সিং। কলম্বোতে অর্শদীপের বদলে খেলেছিলেন কুলদীপ যাদব। এখানে সেই কম্বিনেশনই বজায় থাকে কিনা, সেটাও দেখার। নেদারল্যান্ডস শুরুটা ভালো করলেও সাম্প্রতিক ম্য়াচে ধাক্কা খেয়েছে। ফলে শুরুতেই যদি ভারত ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ নেয়, বড় স্কোরের সম্ভাবনা থাকবে। সুতরাং, সুপার এইটের আগে নিজেদের আরও ভালো ভাবে প্রস্তুত করা ও আত্মবিশ্বাস বজায় রাখাই ভারতের এখন মূল লক্ষ্য।
