বিএলও-দের সাবধান করল কমিশন, নির্দেশ অমান্য হলেই কড়া পদক্ষেপ
গত ২৭ ডিসেম্বর থেকে এসআইআর-র হিয়ারিং শুরু হয়েছে। শুনানিকেন্দ্রে বয়স্ক, অসুস্থদের আসা নিয়ে সরব হয় তৃণমূল। এরপরই নির্বাচন কমিশন জানিয়ে দেয়, অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে ভর্তি, সন্তানসম্ভবা এবং যাঁদের বয়স ৮৫ বছরের বেশি, তাঁদের শুনানিকেন্দ্রে আসতে হবে না। এবং বিশেষভাবে সক্ষমদেরও শুনানিকেন্দ্রের আসার প্রয়োজন নেই। তাঁদের বাড়িতে গিয়ে হিয়ারিং হবে। তবে ৮৫ বছরের কম ভোটারদের হিয়ারিংয়ে আসতে হবে বলে কমিশন জানায়। কমিশনের এই নির্দেশ পরও অভিযোগ ওঠে, কমিশনের নির্দেশ মানা হচ্ছে না। আর এই অভিযোগ পেয়েই কমিশন জানিয়ে দিল, ৮৫ বছরের বেশি বয়স্ক ভোটার, সন্তানসম্ভবা এবং গুরুতর অসুস্থ কাউকে যদি শুনানিকেন্দ্রে আসতে বাধ্য করা হয়, তাহলে বিএলও এবং বিএলও সুপারভাইজারের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। শুনানি পর্বের শেষ সপ্তাহে ৮৫ বছরের বেশি বয়স্ক, সন্তানসম্ভবা, গুরুতর অসুস্থ ও বিশেষভাবে সক্ষমদের বাড়িতে গিয়ে শুনানি হবে বলে কমিশন জানাল।
গত ২৭ ডিসেম্বর থেকে এসআইআর-র হিয়ারিং শুরু হয়েছে। শুনানিকেন্দ্রে বয়স্ক, অসুস্থদের আসা নিয়ে সরব হয় তৃণমূল। এরপরই নির্বাচন কমিশন জানিয়ে দেয়, অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে ভর্তি, সন্তানসম্ভবা এবং যাঁদের বয়স ৮৫ বছরের বেশি, তাঁদের শুনানিকেন্দ্রে আসতে হবে না। এবং বিশেষভাবে সক্ষমদেরও শুনানিকেন্দ্রের আসার প্রয়োজন নেই। তাঁদের বাড়িতে গিয়ে হিয়ারিং হবে। তবে ৮৫ বছরের কম ভোটারদের হিয়ারিংয়ে আসতে হবে বলে কমিশন জানায়। কমিশনের এই নির্দেশ পরও অভিযোগ ওঠে, কমিশনের নির্দেশ মানা হচ্ছে না। আর এই অভিযোগ পেয়েই কমিশন জানিয়ে দিল, ৮৫ বছরের বেশি বয়স্ক ভোটার, সন্তানসম্ভবা এবং গুরুতর অসুস্থ কাউকে যদি শুনানিকেন্দ্রে আসতে বাধ্য করা হয়, তাহলে বিএলও এবং বিএলও সুপারভাইজারের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। শুনানি পর্বের শেষ সপ্তাহে ৮৫ বছরের বেশি বয়স্ক, সন্তানসম্ভবা, গুরুতর অসুস্থ ও বিশেষভাবে সক্ষমদের বাড়িতে গিয়ে শুনানি হবে বলে কমিশন জানাল।