একনজরে ভবানীপুর, চূড়ান্ত তালিকা প্রকাশ হতেই বিজেপি বলল…
স্বয়ং মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এই কেন্দ্রের বিধায়ক। আবার বেশ কিছুদিন ধরে বিজেপি হুঙ্কার দিচ্ছে, এই কেন্দ্রে তারা জিতবে। এই আবহে এসআইআর-র চূড়ান্ত ভোটার তালিকায় ভবানীপুর বিধানসভা কেন্দ্রে কত নাম বাদ পড়বে, তা নিয়ে জল্পনা চলছিল। শনিবার চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশের পর দেখা গেল, মোট ৪৭ হাজারের বেশি নাম বাদ পড়েছে ভবানীপুরে। তবে আরও ১৪ হাজারের বেশি নাম অমীমাংসিত তালিকায় রয়েছে। ফলে আরও নাম বাদ পড়ার সম্ভাবনা রয়েছে। এই নিয়ে রাজ্য বিজেপির প্রাক্তন সভাপতি সুকান্ত মজুমদার বলেন, “এখনও পর্যন্ত ৪৭ হাজার নাম বাদ গিয়েছে। তবে যাই হোক না কেন, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবার ভবানীপুরে দাঁড়াতে সাহস পাবেন বলে মনে হয় না।” অন্যদিকে, তৃণমূলের রাজ্য সহ-সভাপতি জয়প্রকাশ মজুমদার বলেন, “কারও নাম অন্যায়ভাবে বাদ গেলে নতুন করে নাম তোলার সুযোগ থাকছে। সুপ্রিম কোর্ট তো বলেছে। ফলে এটাই চূড়ান্ত তালিকা, তা ধরে নেওয়া ঠিক হবে না।”
স্বয়ং মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এই কেন্দ্রের বিধায়ক। আবার বেশ কিছুদিন ধরে বিজেপি হুঙ্কার দিচ্ছে, এই কেন্দ্রে তারা জিতবে। এই আবহে এসআইআর-র চূড়ান্ত ভোটার তালিকায় ভবানীপুর বিধানসভা কেন্দ্রে কত নাম বাদ পড়বে, তা নিয়ে জল্পনা চলছিল। শনিবার চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশের পর দেখা গেল, মোট ৪৭ হাজারের বেশি নাম বাদ পড়েছে ভবানীপুরে। তবে আরও ১৪ হাজারের বেশি নাম অমীমাংসিত তালিকায় রয়েছে। ফলে আরও নাম বাদ পড়ার সম্ভাবনা রয়েছে। এই নিয়ে রাজ্য বিজেপির প্রাক্তন সভাপতি সুকান্ত মজুমদার বলেন, “এখনও পর্যন্ত ৪৭ হাজার নাম বাদ গিয়েছে। তবে যাই হোক না কেন, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবার ভবানীপুরে দাঁড়াতে সাহস পাবেন বলে মনে হয় না।” অন্যদিকে, তৃণমূলের রাজ্য সহ-সভাপতি জয়প্রকাশ মজুমদার বলেন, “কারও নাম অন্যায়ভাবে বাদ গেলে নতুন করে নাম তোলার সুযোগ থাকছে। সুপ্রিম কোর্ট তো বলেছে। ফলে এটাই চূড়ান্ত তালিকা, তা ধরে নেওয়া ঠিক হবে না।”

