Viral: চশমা ছাড়া খবরের কাগজ পড়তে পারেননি পাত্র, এর জেরেই বিয়ে ভাঙলেন পাত্রী!
পাত্রের চোখের সমস্যা লুকিয়ে গিয়েছিল তাঁর পরিবার। বিয়ের দিন সব জানাজানি হতেই বিয়ে ভেঙে দিলেন পাত্রী।

বিয়ে ভেঙে দিয়েছেন পাত্রী। কারণ শুনে অবাক হয়ে গিয়েছেন নেটিজ়েনরা। সোশ্যাল মিডিয়ায় উত্তরপ্রদেশের একটি বিয়েবাড়ির ঘটনা ভাইরাল হয়েছে সম্প্রতি। সেখানকার বিয়ে ভেঙে যাওয়ার কারণ শোনার পর বিস্ময়ের ঘোর যেন কাটছেই না নেটিজ়েনদের।
জানা গিয়েছে, যে পাত্রের সঙ্গে ওই পাত্রীর বিয়ে হচ্ছিল, সেই যুবক চশমা ছাড়া খবরের কাগজ পড়তে পারেন না। আর এর জেরেই তাঁদের বিয়ে ভেঙে গিয়েছে। বলা ভাল বিয়ে ভেঙে দিয়েছেন পাত্রী। এখানেই শেষ নয়। শুধু বিয়ে ভেঙেই ক্ষান্ত হননি পাত্রী। বরের বাড়ির লোকজন এবং বরের বিরুদ্ধে মামলাও দায়ের করেছেন মেয়ের বাড়ির লোক। এমন আজব কারণে বিয়ে ভাঙা, তারপর তা নিয়ে থানা-পুলিশ… এমনটা বোধহয় কেউ কখনও শোনেননি। তবে ঘটনা যখন ভারতের বিয়েবাড়ির তখন সমস্ত অদ্ভুত ঘটনা ঘটে যাওয়া সম্ভব। কারণ এখানকার বিয়েবাড়িতে হইহুল্লোড় মজার পাশাপাশি আজব ঘটনা এর আগেও ঘটেছে।
জানা গিয়েছে, পাত্রীর নাম অর্চনা। উত্তরপ্রদেশের সদর কোতয়ালি এলাকার জামালপুরের বাসিন্দা তিনি। বংশী গ্রামের যুবক শিবমের সঙ্গে বিয়ে ঠিক হয়েছিল অর্চনার। তবে বিয়ের আগে শিবমের কমজোর দৃষ্টিশক্তি প্রসঙ্গে কিছুই জানতেন না পাত্রীর পরিবার। এমনকি অর্চনাও জানতেন না যে শিবমের চশমা রয়েছে। বিয়ের দিনই সব জানাজানি হয়। বিয়ের দিন চশমা পরেই হাজির হয়েছিলেন শিবম। তখনই সন্দেহ হয় মেয়ের বাড়ির লোকজনের। পরীক্ষা করার জন্য চশমা ছাড়া খবরের কাগজ পড়তে দেওয়া হয় শিবমকে। স্বভাবতই শিবম সেটা পারেননি। আর তার পরই শুরু হয় ঝামেলা। বিয়ে ভেঙে দেন অর্চনা।
পাত্রীর বাবা অর্জুন সিং জানিয়েছেন, তাঁদের কোনও ধারণাই ছিল না যে শিবমের চোখের সমস্যা রয়েছে। সব জানাজানির পর অর্চনা সিদ্ধান্ত নিয়েছেন যে শিবমকে বিয়ে করবেন না। পণ হিসেবে আবার পাত্রকে বাইক এবং নগদও দিয়েছিল মেয়ের পরিবার। সেই সবকিছুই ফেরত চেয়েছেন পাত্রীর পরিবার। জানা গিয়েছে, শিবমের পরিবারের থেকে বিয়ের খরচের টাকাও চেয়ে পাঠিয়েছেন অর্চনার পরিবার। এর পাশাপাশি আউরিয়া থানায় শিবমের পরিবারের বিরুদ্ধে এফআইআরও দায়ের করেছে পাত্রীর পরিবার।
আরও পড়ুন- Viral: টুইটার-ইনস্টাগ্রামে ট্রেন্ডিং ‘If Flirting Is’, মজার মিম-পোস্টার ভাইরাল সোশ্যাল মিডিয়ায়
