Mithun Chakraborty: ‘ওরা যদি ভেবে থাকে…’ দুর্গাপুজোয় হিন্দু দোকান থেকেই জিনিস কেনার আর্জি, শুনে কী বললেন মিঠুন?
Siliguri Poster Controversy: বিজেপি সরকারে আমলে প্রথম দুর্গাপুজো, কেমন অনুভূতি হচ্ছে, সে প্রসঙ্গে তিনি বলেন, "এটা মুক্ত বাংলা। সেই জন্য উৎসাহ ফিরে পেয়েছি। ১২ থেকে ১৩ হাজার নতুন পুজো যোগ হয়েছে। এটাই তার প্রমাণ। সবাই আনন্দ করুক, উৎসব করুক।"

উত্তর ২৪ পরগনা: আগড়পাড়ায় পুজো উদ্ধোধনে এলেন অভিনেতা মিঠুন চক্রবর্তী (Mithun Chakraborty)। সেখানে এসে শিলিগুড়ির পোস্টার বিতর্ক নিয়ে মুখ খুললেন। হিন্দু দোকান থেকেই পুজোর সামগ্রী কেনা থেকে খাওয়া-দাওয়া, এই আহ্বান প্রসঙ্গে কী বললেন তিনি?
আজ, তৃতীয়ায় উত্তর ২৪ পরগনা জেলার আগরপাড়ায় ‘আমরা সবাই ইয়ং ম্যানস অ্যাসোসিয়েশনে’র দুর্গাপুজো উদ্বোধনে আসেন মিঠুন। উদ্বোধনী মঞ্চে এসে তিনি নিজের একাধিক বাংলা ছবির জনপ্রিয় ডায়লগ দেন। সাধারণ মানুষের মধ্যে তাঁকে দেখে উচ্ছ্বাস চোখে পড়ার মতো ছিল।
বিজেপি সরকারে আমলে প্রথম দুর্গাপুজো, কেমন অনুভূতি হচ্ছে, সে প্রসঙ্গে তিনি বলেন, “এটা মুক্ত বাংলা। সেই জন্য উৎসাহ ফিরে পেয়েছি। ১২ থেকে ১৩ হাজার নতুন পুজো যোগ হয়েছে। এটাই তার প্রমাণ। সবাই আনন্দ করুক, উৎসব করুক।”
ওই মঞ্চ থেকেই শিলিগুড়িতে হিন্দু জাগরণ মঞ্চের পোস্টার নিয়ে তাঁকে প্রশ্ন করা হয়, যেখানে বলা হয়েছিল যে পুজোর সামগ্রী হোক বা বিরিয়ানি- হিন্দুদের দোকান থেকে কিনুন, মুসলমানদের দোকান থেকে নয়। এনিয়ে বিতর্ক কম হয়নি। সেই ইস্যুতে বিজেপির নেতা তথা অভিনেতা মিঠুন চক্রবর্তী বলেন, “যে যেরকম ভাবে ভাববে, সেভাবে দেশ চলবে। ওরা যদি ভেবে থাকে, হবে।”
প্রসঙ্গত, শিলিগুড়ির বিভিন্ন জায়গায় পোস্টার পড়েছে, ‘বিরিয়ানি খান, হিন্দু দোকানে’। ‘পুজোর সামগ্রী কিনুন, হিন্দু দোকান থেকে’। এই নিয়ে বিতর্ক শুরু হতেই হিন্দু জাগরণ মঞ্চের নেতারা বলেছেন যে এটা আবেদন মাত্র। কাউকে নিজেদের মত চাপিয়ে দিচ্ছেন না তারা। মানুষ নিজেদের চিন্তায় বেছে নিক তাঁরা কী গ্রহণ করবে।
