Bankura: তৃণমূলের ব্লক সাধারণ সম্পাদক পদে ভিলেজ পুলিশ, বিজেপি বলছে…

Village police: রাজ্যে পালাবদলের পর ২০১২ সালে ভিলেজ পুলিশ হিসাবে কাজ পান বিক্রমপুর গ্রামের বাসিন্দা মধুসূদন কর্মকার। ভিলেজ পুলিশ হিসাবে কর্মরত অবস্থাতেও এতদিন তাঁকে তৃণমূলের বিভিন্ন মিটিং মিছিলে সক্রিয় কর্মী হিসাবে দেখা যেত। এবার সেই মধুসূদন কর্মকারকে শাসকদলের ব্লক কমিটির অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ সাধারণ সম্পাদক পদে বসানোয় জলঘোলা শুরু হয়েছে।

Bankura: তৃণমূলের ব্লক সাধারণ সম্পাদক পদে ভিলেজ পুলিশ, বিজেপি বলছে...
ভিলেজ পুলিশ মধুসূদন কর্মকারImage Credit source: TV9 Bangla

| Edited By: সঞ্জয় পাইকার

Feb 21, 2026 | 3:30 PM

বাঁকুড়া: কলকাতা পুলিশ পুলিশকর্মীদের সামাজিক মাধ্যম ব্যবহারে ১৫ দফা দাওয়াই দিচ্ছে। ঠিক তখনই এক ভিলেজ পুলিশকে খোদ শাসকদলের ব্লক সাধারণ সম্পাদক পদে বসানোর ঘটনায় তীব্র রাজনৈতিক চাপানউতোর শুরু হল বাঁকুড়ার সিমলাপাল ব্লকে। তৃণমূলের যুক্তি, ওই ভিলেজ পুলিশ নিজের দায়িত্ব পালনের পর দলের কাজ করতে ইচ্ছা প্রকাশ করেছিলেন। তবে এই নিয়ে কটাক্ষ করতে ছাড়েনি বিজেপি। পুলিশ ও তৃণমূল যে এক, এই ঘটনায় তা প্রমাণিত বলে খোঁচা দিল গেরুয়া শিবির।

সিমলাপাল ব্লকের বিক্রমপুর গ্রামের ভিলেজ পুলিশ হিসাবে ২০১২ সাল থেকে কর্মরত রয়েছেন মধুসূদন কর্মকার। গতকাল তৃণমূলের সিমলাপাল ব্লক কমিটির তালিকা প্রকাশিত হলে দেখা যায়, সেই তালিকায় সাধারণ সম্পাদক পদ পেয়েছেন ওই ভিলেজ পুলিশ। আর তাতেই বিতর্ক তৈরি হয়েছে। একজন ভিলেজ পুলিশ কি শাসকদলের এমন পদে থাকতে পারেন? প্রশ্ন তুলছেন অনেকেই।

রাজ্যে পালাবদলের পর ২০১২ সালে ভিলেজ পুলিশ হিসাবে কাজ পান বিক্রমপুর গ্রামের বাসিন্দা মধুসূদন কর্মকার। ভিলেজ পুলিশ হিসাবে কর্মরত অবস্থাতেও এতদিন তাঁকে তৃণমূলের বিভিন্ন মিটিং মিছিলে সক্রিয় কর্মী হিসাবে দেখা যেত। এবার সেই মধুসূদন কর্মকারকে শাসকদলের ব্লক কমিটির অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ সাধারণ সম্পাদক পদে বসানোয় জলঘোলা শুরু হয়েছে। তৃণমূলের ব্লক নেতৃত্বের দাবি, মুখ্যমন্ত্রীর উন্নয়নে সামিল হতে চেয়ে বিভিন্ন পেশার মানুষ তৃণমূলের কর্মী হিসাবে কাজ করছেন। তাই মধুসূদন কর্মকারকে দলের ব্লক কমিটির সাধারণ সম্পাদক করার মধ্যে তেমন দোষের কিছু নেই। তৃণমূলের সিমলাপাল ব্লক সভাপতি সৌমেন পাত্র বলেন, মধুসূদন কর্মকার নিজের দায়িত্ব পালনের পর দলের কাজ করতে চেয়েছেন।

বিজেপি এই ঘটনায় সুর চড়িয়েছে শাসকদলের বিরুদ্ধে। গেরুয়া শিবিরের তালডাংরা ৩ নম্বর মণ্ডলের সভাপতি সৌভিক পাত্র বলেন, তাঁরা দীর্ঘদিন ধরে অভিযোগ জানিয়ে আসছেন এ রাজ্যে তৃণমূল ও পুলিশ এক হয়ে গিয়েছে। এই ঘটনা তারই অন্যতম উদাহরণ। এদিকে, তৃণমূলের ব্লক নেতৃত্ব যাই বলুক না কেন, বিষয়টি যে দলের পক্ষে যথেষ্ট অস্বস্তিকর, তা স্থানীয় বিধায়কের বয়ানেই স্পষ্ট। তালডাংরার তৃণমূল বিধায়ক ফাল্গুনী সিংহবাবু অবশ্য বলছেন, “ওই ভিলেজ পুলিশের নাম যদি কমিটিতে থাকে, তাহলে ব্লক সভাপতিকে তা সংশোধনের জন্য বলব।”