AQI
TV9 Network
User
Sign In

By signing in or creating an account, you agree with Associated Broadcasting Company's Terms & Conditions and Privacy Policy.

Govt Hospital: চারদিকে যেন ‘ভূতের’ বাস! উধাও জানলা-দরজা, ভাঙছে ছাদের চাঙড়, কেন এই সরকারি হাসপাতাল ছাড়ছেন সব ডাক্তার?

Govt Hospital: একসময় এই হাসপাতালে চালু ছিল ইনডোর পরিষেবা। প্র‍য়োজনে হাসপাতালে ছোটখাটো অস্ত্রোপচারও হতো। ২৪ ঘন্টা হাসপাতাল সংলগ্ন কোয়ার্টারগুলিতে থাকতেন চিকিৎসক ও চিকিৎসা কর্মীরা। কিন্তু গত ওক দশকে ধীরে ধীরে বদলে গেছে সেই হাসপাতালের হাল।

Govt Hospital: চারদিকে যেন ‘ভূতের’ বাস! উধাও জানলা-দরজা, ভাঙছে ছাদের চাঙড়, কেন এই সরকারি হাসপাতাল ছাড়ছেন সব ডাক্তার?
রোগীদের মধ্যে বাড়ছে উদ্বেগ Image Credit: TV 9 Bangla
| Edited By: | Updated on: Feb 19, 2025 | 10:51 AM
Share

বাঁকুড়া: হাসপাতালে ৬ জন চিকিৎসক থাকলেও ঘুরিয়ে ফিরিয়ে আউটডোর পরিষেবা সামাল দেন একজন চিকিৎসকই। সকাল থেকে আউটডোরের সামনে লম্বা লাইন পড়লেও দেখা মেলেনি কোনও চিকিৎসকেরই। সকাল ৯ টা থেকেই আউটডোর চালুর কথা থাকলেও বেলা দশটাতেও ডাক্তারদের দেখা মেলে না। রোগীদের অভিযোগ, সিমলাপাল ব্লক প্রাথমিক স্বাস্থ্যকেন্দ্রের এই বেহাল দশা দীর্ঘদিনের। এবার যেন একই ছবি বাঁকুড়ার ছাতনা ব্লকের ভগবানপুর প্রাথমিক স্বাস্থ্যকেন্দ্রে। বন্ধ ইনডোর পরিষেবা, হাসপাতালের বেশিরভাগ অংশ ঢাকা পড়েছে ঘন ঝোপঝাড়ে। ছাদের চাঙড় খসে পড়ায় বিপজ্জনক অবস্থা হাসপাতালের প্রায় সর্বত্র।  

রাজ্যের গ্রামীণ স্বাস্থ্য পরিষেবা নিয়ে উদ্বেগের সুর শুধু বিরোধীদের মুখে নয়, শোনা গিয়েছে আদালতের মুখেও। এলাকার বাসিন্দারা বলছেন, বাস্তবে স্বাস্থ্যক্ষেত্রের হাল ঠিক কতটা বেহাল হতে পারে তার অন্যতম উদাহরণ হতে পারে বাঁকুড়ার ছাতনা ব্লকের ভগবানপুর প্রাথমিক স্বাস্থ্যকেন্দ্র। স্বাস্থ্য পরিষেবার জন্য বাঁকুড়ার ছাতনা ব্লকের ভগবানপুর প্রাথমিক স্বাস্থ্যকেন্দ্রের উপর নির্ভরশীল বাঁকুড়া এক নম্বর,  ছাতনা ও ইন্দপুর ব্লকের প্রায় দু’শোটি ছোট বড় গ্রামের বাসিন্দারা। স্থানীয় বাসিন্দাদের দান করা বিশাল জমির উপর রয়েছে এই হাসপাতাল। 

একসময় এই হাসপাতালে চালু ছিল ইনডোর পরিষেবা। প্র‍য়োজনে হাসপাতালে ছোটখাটো অস্ত্রোপচারও হতো। ২৪ ঘন্টা হাসপাতাল সংলগ্ন কোয়ার্টারগুলিতে থাকতেন চিকিৎসক ও চিকিৎসা কর্মীরা। কিন্তু গত ওক দশকে ধীরে ধীরে বদলে গেছে সেই হাসপাতালের হাল। একদিকে উপযুক্ত রক্ষণাবেক্ষণের অভাব অন্যদিকে চিকিৎসক ও স্বাস্থ্যকর্মীর অভাবে ধীরে ধীরে বন্ধ হয়ে যায় ইনডোর পরিষেবাও। চিকিৎসক ও স্বাস্থ্যকর্মীরা কোয়ার্টারে না থাকায় ধীরে ধীরে ঘন ঝোপঝাড়ে ঢাকা পড়ে যায় কোয়ার্টারগুলি। চুরি হয়ে গিয়েছে দরজা জানালাও। কোয়ার্টারগুলির ছাদে গজিয়ে উঠেছে বিশাল বিশাল গাছ। বর্তমানে হাসপাতালে একজন চিকিৎসককে দিয়ে কোনওক্রমে টিমটিম করে চলে আউটডোর। যদিও স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, নিয়মিত কোনও চিকিৎসকই আসেন না হাসপাতালে। অগত্যা সামন্য দরকারে, ন্যূনতম চিকিৎসা পরিষেবা পেতেও ২২ কিমি দূরে ছুটতে হয় বাঁকুড়া সম্মিলনী মেডিক্যাল কলেজে। বিভিন্ন জায়গায় আবেদন নিবেদন করেও বদলায়নি হাসপাতালের পরিকাঠামো। তাতেই স্বাভাবতই হতাশ স্থানীয় বাসিন্দারা। 

Follow Us