AQI
TV9 Network
User
Sign In

By signing in or creating an account, you agree with Associated Broadcasting Company's Terms & Conditions and Privacy Policy.

Jagannath Chatterjee: ‘চোরও বলবে, মা যেন ছাড়া পাই…’, থানায় থানায় কালীমূর্তি বসাতে বললেন জগন্নাথ

Jagannath Chatterjee on Kali Puja: বৃহস্পতিবার সিউড়িতে পুলিশের অনুষ্ঠানে গিয়েছিলেন জগন্নাথ চট্টোপাধ্যায়। সেখান থেকেই তিনি বলেন, "প্রত্যেক থানায় সাড়ম্বরে কালীপুজো হোক। রঘু ডাকাতও কিন্তু ডাকাতি করতে যাওয়ার আগে মা কালীর পুজো করে যেতেন। বাঙালির সংস্কৃতিতে যেমন স্কুলে সরস্বতী পুজো রয়েছে,...পুলিশ সংস্কৃতির অঙ্গ কালীপুজো করানো।"

Jagannath Chatterjee: 'চোরও বলবে, মা যেন ছাড়া পাই...', থানায় থানায় কালীমূর্তি বসাতে বললেন জগন্নাথ
কালী মূর্তি নিয়ে জগন্নাথ চট্টোপাধ্যায়Image Credit: Tv9 Bangla
| Edited By: | Updated on: Oct 29, 2026 | 6:39 PM
Share

সিউড়ি: সামনেই কালীপুজো(Kalipuja)। সেই উপলক্ষে এবার থানায় থানায় কালীমূর্তি রাখার আবেদন করলেন রাজ্যের উচ্চ শিক্ষামন্ত্রী জগন্নাথ চট্টোপাধ্যায় (Jagannath Chatterjee)। মন্ত্রীর কথায়, পুলিশ সংস্কৃতির অঙ্গ কালীপুজো। তাই প্রত্যেক থানায় কালীমূর্তি থাকা প্রয়োজন বলে মনে করেন তিনি। সিউড়িতে একটি অনুষ্ঠানে গিয়ে এমনই মন্তব্য করেছেন তিনি।

কী বললেন থানায় কালীপুজো নিয়ে?

বৃহস্পতিবার সিউড়িতে পুলিশের অনুষ্ঠানে গিয়েছিলেন জগন্নাথ চট্টোপাধ্যায়। সেখান থেকেই তিনি বলেন, “প্রত্যেক থানায় সাড়ম্বরে কালীপুজো হোক। রঘু ডাকাতও কিন্তু ডাকাতি করতে যাওয়ার আগে মা কালীর পুজো করে যেতেন। বাঙালির সংস্কৃতিতে যেমন স্কুলে সরস্বতী পুজো রয়েছে,…পুলিশ সংস্কৃতির অঙ্গ কালীপুজো করানো। এটার মধ্যে ধর্মাচার নেই।” অন্তত শক্তিপীঠ বীরভূমের থানাগুলিতে কালীপুজো করার ও কালীমূর্তি রাখার আবেদন করেন তিনি।

জগন্নাথের মতে, থানায় কালীমূর্তি থাকা দরকার। তার কারণ হিসেবে মন্ত্রী উল্লেখ করেন, “থানায় কালীমূর্তি থাকা দরকার। চোর যখন থানায় ঢুকবে, তখন মনে মনে বলবে মা যেন ছাড়া পাই। আর পুলিশ যখন বেরোবে, তখন প্রার্থনা করবে, আসামি যেন ধরা পড়ে।”

বাজি পোড়ানো নিয়ে নির্দেশিকা

উল্লেখ্য, রবিবার ৮ নভেম্বর কালীপুজো। তার আগে বাজির ব্যবহার নিয়ন্ত্রণে একগুচ্ছ নতুন নির্দেশনা জারি করেছে প্রশাসন। প্রশাসনের নির্দেশ অনুযায়ী, কালীপুজোয় কেবল পরিবেশবান্ধব ‘গ্রিন ক্র্যাকার্স’ ফাটানোর অনুমতি থাকবে। শব্দবাজির ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ শব্দসীমা ১২৫ ডেসিবেল এবং অন্যান্য ক্ষেত্রে ৯০ ডেসিবেল নির্ধারণ করা হয়েছে। কালীপুজোয় রাত ৮টা থেকে ১০টা পর্যন্ত বাজি পোড়ানো যাবে। পাশাপাশি ফানুস ওড়ানোর জন্য অগ্নি নির্বাপক (ফায়ার) বিভাগের লাইসেন্স নেওয়া বাধ্যতামূলক করা হয়েছে।

Follow Us