Balurghat: সরকারি প্রকল্পেও বিদ্যুৎ চুরির অভিযোগ, থানায় FIR
Balurghat: বালুরঘাট ব্লকের অমৃতখণ্ড গ্রাম পঞ্চায়েতের কামারপাড়া এলাকায় জল জীবন প্রকল্পের বাড়ি বাড়ি জল দেওয়ার জন্য পাইপ লাইনের কাজ চলছে। মূলত যেসব এলাকায় এখনও পাইপলাইন পৌঁছয়নি, সেইসব এলাকাতে এই পাইপলাইন দেওয়ার কাজ চলছে। এর জন্য গত প্রায় একমাস আগে কামারপাড়া প্রাথমিক স্বাস্থ্য কেন্দ্রের সামনে টেন্ট করা হয়।

বালুরঘাট: সরকারি জল জীবন মিশন প্রকল্পের কাজে বিদ্যুৎ চুরির অভিযোগ উঠল ঠিকা সংস্থার বিরুদ্ধে। শুক্রবার চাঞ্চল্যকর ঘটনাটি ঘটেছে দক্ষিণ দিনাজপুর জেলার বালুরঘাট ব্লকের অমৃতখন্ড গ্রাম পঞ্চায়েতের কামারপাড়া প্রাথমিক স্বাস্থ্য কেন্দ্র এলাকায়। বিদ্যুৎ চুরি বিষয়টি হাতেনাতে ধরা পরার পরই এনিয়ে রাতেই বালুরঘাট থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। ঠিকা সংস্থা কর্ণধার ও প্রধান মিস্ত্রির বিরুদ্ধে লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয় বালুরঘাট থানায়। অভিযোগ দায়ের করেন বালুরঘাট বিদ্যুৎ দফতর। এদিকে লিখিত অভিযোগ পেতে ঘটনার তদন্ত নেমেছে বালুরঘাট থানার পুলিশ। এদিকে এই কাজ ও টেন্ট করার জন্য স্থানীয় পঞ্চায়েতের কাছ থেকেও কোন অনুমতি নেওয়া হয়নি বলেই অভিযোগ গ্রাম পঞ্চায়েত প্রধান দেবদূত বর্মনের। এদিকে এনিয়ে সরব হয়েছে বিজেপিও।
জানা গিয়েছে, বালুরঘাট ব্লকের অমৃতখণ্ড গ্রাম পঞ্চায়েতের কামারপাড়া এলাকায় জল জীবন প্রকল্পের বাড়ি বাড়ি জল দেওয়ার জন্য পাইপ লাইনের কাজ চলছে। মূলত যেসব এলাকায় এখনও পাইপলাইন পৌঁছয়নি, সেইসব এলাকাতে এই পাইপলাইন দেওয়ার কাজ চলছে। এর জন্য গত প্রায় একমাস আগে কামারপাড়া প্রাথমিক স্বাস্থ্য কেন্দ্রের সামনে টেন্ট করা হয়। কাজের বরাত পাওয়া ঠিকা সংস্থার তরফে অস্থায়ী টেন্ট করা হয়। যেখানে কর্মীরা থাকার পাশাপাশি সব জিনিস রাখা রয়েছে। অভিযোগ, এই টেন্টেই পাশের ট্রান্সফরমার থেকে অবৈধভাবে বিদ্যুৎ সংযোগ নেওয়া হয়েছে।
যেখানে বিদ্যুতের নানা রকম কাজ ওই হুকিং থেকেই করা হচ্ছিল। গোপন সূত্রে বিষয়টি জানতে পেরেই গতকাল ওই এলাকায় অভিযান চালায় বালুরঘাট বিদ্যুৎ দফতরের আধিকারিকরা। অভিযানে হাতেনাতে বিদ্যুৎ চুরির ধরা পরে। এরপর রাতের বেলায় ওই ঠিকা সংস্থার কর্ণধার ও প্রধান মিস্ত্রির নামে তথ্য প্রমাণ দিয়ে লিখিত অভিযোগ দায়ের করে বিদ্যুৎ দফতর। যদিও এনিয়ে ঠিকা সংস্থার তরফে কোনও বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
এবিষয়ে পিইইচই এক্সিকিউটিভ ইঞ্জিনিয়ার শুভব্রত কর বলেন, “বিদ্যুৎ দফতর থেকে সরকারি আইন মেনেই অস্থায়ী বিদ্যুৎ সংযোগ দেয়। কিন্তু অবৈধভাবে এই ধরনের কখনই আমাদের দফতর সমর্থন করে না। আইনে যা আছে, সেভাবেই চলবে। সেভাবেই ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”
