Class 11 Student: ক্লাস সেভেনের ছাত্রীকে ‘সিঁদুর’ পরিয়ে দিল একাদশের পড়ুয়া, দেখা মাত্রই স্কুল কী করল দেখুন
School Student in South Dinajpur: স্কুল সূত্রেই খবর, ভিডিয়োতে যে ছাত্রীকে দেখা গিয়েছে সে সপ্তম শ্রেণিতে পড়ে। ছাত্রটি একাদশ শ্রেণির। ভিডিয়োতে অন্যান্য যে পড়ুয়ারা রয়েছে তাঁরাও একাদশ শ্রেণির। ঘটনার খবর সামনে আসতেই স্কুলের তরফে অভ্যন্তরীণ তদন্ত শুরু হয়েছে।

গঙ্গারামপুর: ক্লাসেই এক ছাত্রীর সিঁথিতে ‘সিঁদুর’ পরিয়ে দিচ্ছে এক ছাত্র। ভিডিয়োও তোলা হয়। মুহূর্তের মধ্যে তা সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়তেই তীব্র চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে দক্ষিণ দিনাজপুর জেলার গঙ্গারামপুরের একটি হাইস্কুলকে ঘিরে। যদিও ভাইরাল ভিডিয়োর সত্যতা যাচাই করেনি টিভি-৯ বাংলা। কিন্তু স্কুলের নাম জড়িয়ে যাওয়ায় ক্ষোভে ফেটে পড়েন অভিভাবকরা। স্কুলের সামনে বিক্ষোভও চলে। চাপে পড়ে অভিভাবকদের নিয়ে বৈঠকও করে স্কুল কর্তৃপক্ষ।
কর্তৃপক্ষের তরফে জানানো হয়েছে, ঘটনাটি তাদের স্কুলেরই। জুন মাসের ২৭ বা ২৮ তারিখের ঘটনা। ওই সময় মর্নিং স্কুল চলছিল। স্কুল ছুটির পর এই ঘটনা ঘটেছে। অভিযোগ, অধিকাংশ শিক্ষক ও পড়ুয়া বাড়ি ফিরে যাওয়ার পর কয়েকজন ছাত্র-ছাত্রী একটি শ্রেণিকক্ষে জড়ো হয়। সেখানেই ওই ছাত্র এক ছাত্রীর সিঁথিতে কিছু পরিয়ে দেয়। সেই ঘটনার ভিডিয়ো অন্য এক সহপাঠী মোবাইলে রেকর্ডও করে। পরে সেটাই সামাজিক মাধ্যমে ভাইরাল হয়ে যায়। তবে বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের দাবি, ভিডিয়োতে যেটিকে সিঁদুর বলে মনে হচ্ছে, সেটা আসলে সিঁদুর নয় রং।
স্কুল সূত্রেই খবর, ভিডিয়োতে যে ছাত্রীকে দেখা গিয়েছে সে সপ্তম শ্রেণিতে পড়ে। ছাত্রটি একাদশ শ্রেণির। ভিডিয়োতে অন্যান্য যে পড়ুয়ারা রয়েছে তাঁরাও একাদশ শ্রেণির। ঘটনার খবর সামনে আসতেই স্কুলের তরফে অভ্যন্তরীণ তদন্ত শুরু হয়েছে। তদন্তের ভিত্তিতে অভিযুক্ত দুই পড়ুয়া এবং ঘটনায় উপস্থিত অন্যান্য শিক্ষার্থীদের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। কয়েক মাস তাঁদের স্কুলে আসতে নিষেধ করা হয়েছে।
এদিকে ঘটনাকে নিয়ে চাপানউতোরের মধ্যেই শুক্রবার স্কুলের প্রাক্তন পড়ুয়া, সংশ্লিষ্ট ছাত্র-ছাত্রীর পরিবারের সদস্যদের নিয়ে একটি বৈঠক করে স্কুল কর্তৃপক্ষ। বৈঠকে বিদ্যালয়ের শৃঙ্খলা বজায় রাখা, শিক্ষার্থীদের নৈতিক শিক্ষা আরও জোরদার করার বিষয়ে কথা হয় বলে খবর। স্কুলের টিআইসি ব্রজেন্দ্রনাথ রায় বলেন, “৩০ তারিখ আমরা ঘটনাটা জানতে পারি। তারপরই আমরা স্কুলে বৈঠক করি পড়ুয়াদের সঙ্গেও কথা বলি। ভিডিয়োটি যেখানে যেখানে পাঠানো হয়েছে সেখান থেকে ডিলিট করার কথা বলি। স্কুলে এই ধরনের ঘটনা কখনওই আমরা সাপোর্ট করি না। খুবই নিন্দনীয় ঘটনা। ওরা স্কুলের সময়ের পরে সবার চোখের আড়ালে এটা করে ফেলেছে।”
