
বালুরঘাট: পুজোর (Durga Puja) কয়েকটা দিন রাজনীতির ব্যস্ততা থেকে কিছুটা সময় বের করে পরিবারের সঙ্গে সময় কাটান। এবারও তার অন্যথা হল না। মহাষ্টমীর সকালে স্ত্রী ও দুই মেয়েকে সঙ্গে নিয়ে পাড়ার পুজোমণ্ডপে অঞ্জলি (Maha Ashtami Anjali) দিলেন কেন্দ্রীয় শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী তথা বিজেপির প্রাক্তন রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার (Sukanta Majumdar)। সোমবার সকালে বালুরঘাটের দক্ষিণ খাদিমপুর শঙ্কর স্মৃতি মন্দিরে সপরিবারে পুষ্পাঞ্জলি দেন তিনি। শুধু অঞ্জলি দেওয়াই নয়, পাড়ার পরিচিতদের সঙ্গে আড্ডা থেকে শুরু করে সেলফি তোলার আবদার মেটাতেও দেখা গেল কেন্দ্রীয় মন্ত্রীকে। এমনকী, মেয়েকে সঙ্গে নিয়ে বাজি ফাটাতেও দেখা যায় তাঁকে।
প্রতি বছরই দুর্গাপুজোয় পরিবারের সঙ্গে অঞ্জলি দেওয়ার চেষ্টা করেন সুকান্ত মজুমদার। কেন্দ্রীয় মন্ত্রীর দায়িত্ব সামলানোর পাশাপাশি বছরভর রাজনৈতিক কর্মসূচিতে ব্যস্ত থাকতে হয় তাঁকে। ফলে পরিবারের সঙ্গে খুব বেশি সময় কাটানোর সুযোগ মেলে না। তবে দুর্গাপুজোর কয়েকটা দিন পরিবারের জন্য সময় বের করেন তিনি। এদিন সকাল সকাল স্ত্রী ও দুই মেয়েকে নিয়ে পাড়ার মণ্ডপে হাজির হন সুকান্ত। ভক্তিভরে দেবী দুর্গার চরণে পুষ্পাঞ্জলি দেন। প্রার্থনা করেন রাজ্যবাসীর মঙ্গল কামনায়।
অঞ্জলি দেওয়ার পর একেবারে অন্য মেজাজে দেখা যায় কেন্দ্রীয় মন্ত্রীকে। পাড়ার বাসিন্দাদের সঙ্গে খোশমেজাজে গল্পগুজবে মেতে ওঠেন তিনি। তাঁকে কাছে পেয়ে অনেকেই সেলফি তোলার আবদার করেন। কাউকেই নিরাশ করেননি সুকান্ত। হাসিমুখে সকলের সঙ্গে ছবি তোলেন। পরে মেয়েকে নিয়ে বাজি ফাটাতেও দেখা যায় তাঁকে।
এদিন সুকান্ত মজুমদার বলেন, “আজ খুব সকালেই মহাষ্টমীর তিথি। আর পাঁচটা বাঙালির মতো আমিও সপরিবারে উপস্থিত হয়েছি মায়ের কাছে পুষ্পাঞ্জলি দেওয়ার জন্য, প্রার্থনা করার জন্য। মা যেন আমাদের সবাইকে রক্ষা করেন। পশ্চিমবঙ্গের সকল মানুষকে মা যেন সুখ ও সমৃদ্ধি প্রদান করেন।”
প্রসঙ্গত, আগে বালুরঘাটের মৈত্রচক্র ক্লাবে অষ্টমীর অঞ্জলি দিতেন সুকান্ত মজুমদার। তবে প্রায় দু’বছর আগে খাদিমপুর থেকে দীপালিনগরে বসবাস করছেন । এবার বাড়ি সংলগ্ন দক্ষিণ খাদিমপুর শঙ্কর স্মৃতি মন্দিরের পুজোমণ্ডপে অঞ্জলি দেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী। পাশাপাশি সপরিবারে আমবাগান মহিলা সেবা সমিতির পুজোমণ্ডপেও যান তিনি।