AQI
Sign In

By signing in or creating an account, you agree with Associated Broadcasting Company's Terms & Conditions and Privacy Policy.

Iran-US War : ‘রান-রান… শোনা মাত্রই দৌড়তে থাকি উর্ধ্বশ্বাসে, একটা সময়ে পারি না, মনে হল পিছন থেকে…’, রুদ্ধশ্বাস যুদ্ধ সামনে থেকে দেখে ফিরলেন শিলিগুড়ির অনুষ্কা

Iran-US War: যুদ্ধবিদ্ধস্ত এলাকার ছবিটা দেখে একসময়ে তাঁর মনে হয়েছিল তিনি আর ফিরতে পারবেন না৷ জাইদ ইন্টারন্যাশানাল এয়ারপোর্টে সেদিন অন্য বিমানের অপেক্ষায় ঠাঁই বসে অনুষ্কা। সাইরেন বাজতে শুরু করে সেই সময়ে দ্রুত ফাঁকা করা হয় বিমানবন্দর। সেই সময়েই ইরানের মিসাইল হামলা হয় আবুধাবিতে৷ মিলান ফ্যাশান উইক এবং প্যারিসে ফ্যাশন উইকের জন্য মুম্বই থেকে গত ২৮ ফেব্রুয়ারি আবু ধাবি যান অনুষ্কা। নিজেই জানালেন ভয়াবহ সেই স্মৃতি।

Iran-US War : 'রান-রান... শোনা মাত্রই দৌড়তে থাকি উর্ধ্বশ্বাসে, একটা সময়ে পারি না, মনে হল পিছন থেকে...', রুদ্ধশ্বাস যুদ্ধ সামনে থেকে দেখে ফিরলেন শিলিগুড়ির অনুষ্কা
শিলিগুড়ির কনটেন্ট ক্রিয়েটার অনুষ্কাImage Credit: TV9 Bangla
| Edited By: | Updated on: Mar 05, 2026 | 4:48 PM
Share

শিলিগুড়ি: তাঁর যাওয়ার কথা ছিল মিলান। মুম্বই থেকে বিমানে উঠেছিলেন তিনি। আবু ধাবিতে ছিল ‘লেওভার’। কালচক্রে সে সময়েই এক ভয়ঙ্কর অভিজ্ঞতার শিকার হন শিলিগুড়ির কনটেন্ট ক্রিয়েটার অনুষ্কা। ‘রান রান রান’- এই তিন শব্দ শুনেই জাইদ ইন্টারন্যাশানাল এয়ারপোর্ট থেকে দৌড় শুরু করেন অনুষ্কা। এরপর হোটেলে আশ্রয়। ক’দিন রুদ্ধশ্বাস যুদ্ধ সামনে থেকে দেখেছেন অনুষ্কা। শিলিগুড়ির অনুষ্কা হাজরা পেশায় কনটেন্ট ক্রিয়েটার। যুদ্ধবিদ্ধস্ত আবুধাবি থেকে অবশেষে ফিরলেন শিলিগুড়ি।

যুদ্ধবিদ্ধস্ত এলাকার ছবিটা দেখে একসময়ে তাঁর মনে হয়েছিল তিনি আর ফিরতে পারবেন না৷ জাইদ ইন্টারন্যাশানাল এয়ারপোর্টে সেদিন অন্য বিমানের অপেক্ষায় ঠাঁই বসে অনুষ্কা। সাইরেন বাজতে শুরু করে সেই সময়ে দ্রুত ফাঁকা করা হয় বিমানবন্দর। সেই সময়েই ইরানের মিসাইল হামলা হয় আবুধাবিতে৷ মিলান ফ্যাশান উইক এবং প্যারিসে ফ্যাশন উইকের জন্য মুম্বই থেকে গত ২৮ ফেব্রুয়ারি আবু ধাবি যান অনুষ্কা। নিজেই জানালেন ভয়াবহ সেই স্মৃতি।

তাঁর কথায়, “আমি মুম্বই থেকে মিলান যাচ্ছিলাম। আবু ধাবিতে আমার লেওভার ছিল। তখন ওখান থেকে আমাদের বলা হল বোর্ডিং হবে। যেই বোর্ডিং গেটে গেলাম, তখন হঠাৎ করে আমাদের ফোনে সাইরেন বাজতে লাগল, মিসাইল অ্যালার্ট। তখন অফিসাররা বলতে লাগলেন রান রান রান।” এরপর বাকিদের সঙ্গে কিছু না ভেবেই উদভ্রান্তের মতো দৌড়তে শুরু করেছিলেন অনুষ্কা। একটা সময়ে থেমে যান। বললেন, “সবাই দৌড়তে লাগলাম। আমাদের বলা হচ্ছিল, যাতে জানালা থেকে দূরে থাকি। মিসাইলের আওয়াজও আসছিল। কাচগুলো কাঁপছিল। একটা সময়ে আমি দৌঁড়ানো বন্ধ করে দিই। মাকে ফোন করি, আর বলি, হয়তো ফিরতে পারব না।”

বাড়ি ফিরেছেন অনুষ্কা। কিন্তু এখনও তাঁর কানে বাজছে সাইরেনের শব্দ। বাড়ির ড্রয়িং রুমে বসে রয়েছেন। অনেকটা শান্তি। কিন্তু এখনও তাঁর চোখেমুখে আতঙ্ক।