CPIM: সিপিএমের অশোকের সম্পদ কত? বিতর্কের আবহে মুখ খুললেন প্রাক্তন বাম মন্ত্রী
CPIM: তৃণমূলের দাবি সম্পত্তি বৃদ্ধি হওয়া নেতাদের তালিকায় নাম রয়েছে সূর্যকান্ত মিশ্র, অধীর চৌধুরী, কান্তি গঙ্গোপাধ্যায়, অশোক ভট্টাচার্যদের। যা নিয়েও চলছে চাপানউতর।
শিলিগুড়ি: ১৯ জন নেতা মন্ত্রীর সম্পত্তি বৃদ্ধি নিয়ে বর্তমানে জোরদার চাপানউতর চলছে রাজনৈতিক মহলে। ২০১৭ সালের দায়ের হওয়া এক জনস্বার্থ মামলার শুনানিতে সোমবার কলকাতা হাইকোর্ট (Calcutta High Court) এই মামলায় এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট বা ইডিকে (ED) পার্টি করার নির্দেশ দিয়েছে। তারপর থেকেই তা রাজনৈতিক মহলের আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে উঠে এসেছে। তবে তৃণমূলের দাবি, সম্পত্তি বৃদ্ধি শুধু তৃণমূলের (Trinamool Congress) নেতা-মন্ত্রীদের হয়েছে এমনটা নয়। অনেক বাম-কংগ্রেস নেতাদেরও সম্পত্তির পরিমাণ অনেকটাই বেড়েছে। তৃণমূলের দাবি তালিকায় নাম রয়েছে সূর্যকান্ত মিশ্র, অধীর চৌধুরী, কান্তি গঙ্গোপাধ্যায়, অশোক ভট্টাচার্যদের (Ashok Bhattacharya)। যা নিয়েও চলছে চাপানউতর। বিতর্কের আবহেই এবার নিজের সম্পত্তির পরিমাণ জানিয়ে দিলেন বাম নেতা অশোক ভট্টাচার্য।
একদিন আগেই ব্রাত্য বসুকে বলতে শোনা যায় সিপিএমের(CPIM) অশোক ভট্টাচার্যর সম্পদ অনেক বেড়েছে। এ প্রসঙ্গে সহাস্যে অশোক ভট্টাচার্য বলেন, “বাবার বাড়িতে থাকি। কলকাতায় একটা ফ্ল্যাট আছে। প্রয়াত স্ত্রীর জমানো টাকা আর পেনশনন আমার আয়। আয় এতটাই কম যে আয়কর দিতে হয় না। আদালতে আমার সম্পদ নিয়ে মামলা হলে নোটিশ পেতাম। তা পাইনি। যাঁরা আমাদের নাম বলছেন তাঁদের নিয়েই মামলা হয়েছে। সম্পদ বেড়েছে ওদের। দামি গাড়িতে চড়েন ওরাই।”
এদিকে সম্পত্তি বৃদ্ধি বিতর্কে বাম নেতাদের নাম জড়াতেই আগেই কড়া প্রতিক্রিয়া দিতে দেখা যায় সিপিএমের সাধারণ সম্পাদক মহম্মদ সেলিমকে। এমনকী ১২ সেপ্টেম্বরের মধ্যে যথাযথ প্রমাণ দিতে না পারলে মানহানির মামলা করারও হুঁশিয়ারি দিয়েছেন। ব্রাত্য বসুর দাবি সম্পর্কে আগেই সেলিমকে বলতে দেখা যায়, “আমি ব্রাত্য বসুকে চ্যালেঞ্জ করছি। এখন সূর্যকান্ত মিশ্রর, কান্তি গঙ্গোপাধ্যায়দের নাম বলা হচ্ছে। পিটিশন দিক। ব্রাত্য বসু তাঁর আইনজীবীদের বলুন, ১২ সেপ্টেম্বেরর মধ্যে তিনি যে সিপিএম নেতাদের নাম বলেছেন, সাহস থাকলে তাঁদের নামে পিটিশন দিন। আমরা তো দিল্লিতে সেটিং করতে যাব না। আর যদি না করেন, তাহলে মানহানির মামলা হবে।” যদিও এ প্রসঙ্গে বুধবার অশোক বাবুকে বলতে শোনা যায়, “আমাদের সম্পত্তি বাড়লে, এতদিন ওনারা কী করছিলেন। ৩৪ বছর আমরা সরকারে ছিলাম। আমিও ২০ বছর মন্ত্রী ছিলাম, তারপর আরও পাঁচ বছর বিধায়ক ছিলাম। মেয়রও ছিলাম। একটা প্রশ্নও কেউ কোনওদিন তুলতে পেরেছে?যখন আমরা ভোটে দাঁড়াই, একটি হলফনামা জমা দিই। সেখানে তো সবই আছে, দেখে নিক না।”