Mahakal mandir: দর্শনের ব্যবস্থা রয়েছে ১ লক্ষ মানুষের, শিলিগুড়িতে দেশের সবচেয়ে বড় মহাকাল মন্দির কেমন হবে জানুন
Siliguri Mahakal Mandir: তিন মাস আগে ভয়াবহ প্রাকৃতিক দূর্যোগ বিধ্বস্ত দার্জিলিং গিয়ে ছিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সেই সময় তিনি পাহাড়ের পুর্নগঠন কাজের পরিদর্শন এবং পরিস্থিতি পর্যালোচনার পরেই দার্জিলিং র মহাকাল মন্দির পরিদর্শন করেন। তখনই তিনি শিলিগুড়িতে মহাকাল মন্দির নির্মাণ করার কথা ঘোষণা করেছিলেন।

কখন উদ্বোধন হবে মন্দিরের?
শুক্রবার বিকেল সাড়ে চারটে নাগাদ মহাকাল মন্দিরের শিলান্যাস করবেন মমতা। সেই কারণে সকাল থেকে আটোসাঁটো রয়েছে নিরাপত্তা। প্রচুর এলইডি পর্দা লাগানো হয়েছে। যাতে উদ্বোধন অনুষ্ঠান প্রত্যেকে দেখতে পান। উপস্থিত রয়েছেন উত্তরবঙ্গের প্রায় সব ক’টি এলাকার জনপ্রতিনিধিরা।
কোথায় হবে এই মন্দির?
মহাকাল মন্দির নির্মাণের জন্য মন্ত্রিসভার বৈঠকে প্রস্তাব গৃহীত হয়। এই প্রকল্পকে চূড়ান্ত অনুমোদন পর একটি ট্রাস্ট গঠন করে দেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। শিলিগুড়ি শহরের পাশেই উজানু মৌজায় মাটিগাড়া ব্লকের পাথরঘাটা গ্রাম পঞ্চায়েতের অধীনে নির্মাণ হবে এই মন্দির।
১০ নম্বর জাতীয় সড়ক সংলগ্ন জমির পাশেই রেল লাইন ও চামটা নদী অবস্থিত। ১৭ একর জমিতে মন্দির নির্মাণের কাজ করবে ওয়েস্ট বেঙ্গল হাউজিং ইনফ্রাস্ট্রাকচার ডেভেলপমেন্ট কর্পোরেশন বা WBIDC। এক লক্ষ মানুষের দর্শনের ব্যবস্থা রয়েছে এই মন্দিরে।
কখন মন্দির নির্মাণের কথা ভাবা হয়?
তিন মাস আগে ভয়াবহ প্রাকৃতিক দূর্যোগ বিধ্বস্ত দার্জিলিং গিয়ে ছিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সেই সময় তিনি পাহাড়ের পুর্নগঠন কাজের পরিদর্শন এবং পরিস্থিতি পর্যালোচনার পরেই দার্জিলিংয়ের মহাকাল মন্দির পরিদর্শন করেন। তখনই তিনি শিলিগুড়িতে মহাকাল মন্দির নির্মাণ করার কথা ঘোষণা করেছিলেন। মুখ্যমন্ত্রী সেই সময় বলেছিলেন, “শিলিগুড়ির ডিএমকে একটা জমি দেখতে বলেছি। সেখানে কনভেনশন সেন্টার হবে। তারপাশেই তৈরি করা হবে মহাকাল মন্দির। এখানে সবচেয়ে বড় শিব রাখা হবে। করতে হয়ত একটু সময় লাগবে। টাস্ট্রি বোর্ড গঠন করতে হবে। সরকার বিনামূল্যেই জমি দেবে।” এই মন্দির গোটা দেশের অন্যতম পর্যটন কেন্দ্র হয়ে উঠবে বলেই আশা মমতার।
রাজনৈতিক কাঁটাছেড়া
সামনেই ছাব্বিশের ভোট। সেই নির্বাচনের প্রাক্কালে মহাকাল মন্দিরের উদ্বোধন নিয়ে বিরোধী দলগুলির কটাক্ষের মুখে পড়তে হয়েছে তৃণমূলকে। বিজেপি নেতা দিলীপ ঘোষ বলেন, “সৎ উদ্দেশ্য নিয়ে যদি মন্দির তৈরি না হয় তাহলে কিছু না কিছু ক্ষেত্রে বাধা পড়ে। কিছুটা দূরেই দুর্গাঙ্গন হওয়ার কথা ছিল। তিন চার কোটি টাকা ব্যয় করে মাটি ফেলা হল কই এখানে তো মন্দির হলো না। আপনি যদি ভগবানের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে মন্দির তৈরি করেন তাহলে সব বাধা কাটে। রাম মন্দির তৈরি করতে বিজেপি নৈতিকভাবে সাহায্য করেছে।ঠেলার নাম বাবাজি, ঠেলায় পড়লে বিড়াল গাছে ওঠে। কেউ কেউ আবার মন্দিরে উঠছে গিয়ে।” তবে আজ মুখ্যমন্ত্রী ফেসবুকে একটি পোস্ট করেছেন। মন্দির কেমন দেখতে হবে এই সংক্রান্ত একটি ভিডিয়ো পোস্ট করেছেন তিনি।
