অষ্টমীর রাতে প্রেমিকার সঙ্গে ফোনে কথা, নবমীর সকালে ক্ষেতে গিয়ে যা দৃশ্য দেখা গেল… হাত-পা ঠান্ডা হওয়ার জোগাড়
Dhupguri Death: সোমবার রাতে বাড়ি ফেরেনি জিৎ। পরিবারের সদস্যরা ভেবেছিলেন, পুজোর সময় হয়তো কোথাও বেড়াতে গিয়েছেন। পরিবারের দাবি, অষ্টমীর রাতে প্রেমিকার সঙ্গে ফোনে দীর্ঘক্ষণ কথা হয় জিতের। সেই সময় দু’জনের মধ্যে মনোমালিন্য হয়। পুজোর সময় দেখা করার বিষয়কে কেন্দ্র করে তাঁদের মধ্যে বিবাদ হয়েছিল বলে অনুমান করা হচ্ছে।

ধূপগুড়ি: অষ্টমীর রাতে প্রেমিকার সঙ্গে ফোনে মনোমালিন্য হয়েছিল। তাতে যে এমন চরম পদক্ষেপ করবে বছর আঠারোর যুবক, তা কল্পনাতেও আসেনি কারোর। দুর্গাপুজোর মধ্যেই নামল শোকের ছায়া। অষ্টমীর রাতে প্রেমিকার সঙ্গে ফোনে মনোমালিন্য হওয়ার পরই, নবমীর সকালে বাড়ির পাশের ঝোপে গাছ থেকে ঝুলন্ত অবস্থায় উদ্ধার হল ১৮ বছর বয়সী যুবকের দেহ। মৃত যুবকর নাম জিৎ রায়। ঘটনাটি ঘটেছে ধূপগুড়ি ব্লকের সাকোয়াঝোরা-২ গ্রাম পঞ্চায়েতের নিরঞ্জনপাড় এলাকায়।
স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, মঙ্গলবার নবমীর সকালে এলাকার বাসিন্দারা ঢ্যাড়শ ক্ষেতে কাজ করতে গেলে, একটি গাছে ঝুলন্ত অবস্থায় যুবকের দেহ দেখতে পান। খবর ছড়িয়ে পড়তেই ঘটনাস্থলে ভিড় জমে যায়। পরে মৃত যুবককে শনাক্ত করেন স্থানীয় বাসিন্দারা। জিৎ ওই এলাকারই বাসিন্দা। তাঁর বাবার নাম বিদ্যামোহন রায়।
পরিবার সূত্রে জানা গিয়েছে, সোমবার রাতে বাড়ি ফেরেনি জিৎ। পরিবারের সদস্যরা ভেবেছিলেন, পুজোর সময় হয়তো কোথাও বেড়াতে গিয়েছেন। বিভিন্ন জায়গায় কাজের সূত্রেও তাঁকে বাইরে যেতে হত। তবে মঙ্গলবার সকালে বাড়ির পাশেই তাঁর ঝুলন্ত দেহ উদ্ধারের ঘটনায় শোকের ছায়া নেমে আসে পরিবারে।
পরিবারের দাবি, অষ্টমীর রাতে প্রেমিকার সঙ্গে ফোনে দীর্ঘক্ষণ কথা হয় জিতের। সেই সময় দু’জনের মধ্যে মনোমালিন্য হয়। পুজোর সময় দেখা করার বিষয়কে কেন্দ্র করে তাঁদের মধ্যে বিবাদ হয়েছিল বলে অনুমান করা হচ্ছে। সেই ঘটনার জেরেই অভিমানে জিৎ আত্মঘাতী হয়ে থাকতে পারেন বলে প্রাথমিকভাবে মনে করা হচ্ছে। যদিও মৃত্যুর প্রকৃত কারণ এখনও নিশ্চিত নয়। ঘটনার খবর পেয়ে পুলিশ এসে দেহ উদ্ধার করে। গোটা ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে।
