Serampore: ‘ওটি রুমে ওরা আমার পেসেন্টের বুকের ওপর উঠে…’, সরকারি হাসপাতালে ভয়ঙ্কর অভিজ্ঞতার শিকার প্রসূতি, শিউরে উঠবেন
Serampore Walsh Hospital: জানা গিয়েছে, রিষড়া ১১ নম্বর রেল গেট এলাকার বাঙুর পার্ক ২ নম্বর রেল গেটের বাসিন্দা রীনা দেবী গত ৯ জানুয়ারি রাতে ভর্তি হন প্রসব যন্ত্রণা নিয়ে। পুত্র সন্তানের জন্ম দেন, সেই রাতেই মৃত্যু হয় সদ্যোজাত। বিকালে দেহ দেয় হাসপাতাল। কিন্তু প্রসূতি মহিলা কেমন আছেন, সেটা তখনও জানানো হয়নি।

হুগলি: হাসপাতালে ডাক্তার আগেও দেখিয়ে গিয়েছেন। ওটি-র জন্য নির্দিষ্ট দিনও ধার্য করা হয়েছিল। সময় মতোই প্রসব যন্ত্রণা ওঠে প্রসূতির। নির্দিষ্ট দিনে ভর্তি হন। এক পুত্রসন্তানের জন্ম দেন তিনি। সকালে পুত্রসন্তানের জন্ম দেন তিনি। পরিবারের সকলেই উচ্ছ্বসিত। পরিবারের সদস্যদের অভিযোগ, তখনও হাসপাতালের তরফ থেকে জানানো হয়নি, সদ্যোজাতর শারীরিক অবস্থা কেমন! রাতেই হঠাৎ করে হাসপাতালের তরফে জানানো হয়, মৃত্যু হয়েছে সদ্যোজাতর। কিন্তু তখনও প্রসূতি কেমন, তা জানানো হয়নি। সদ্যোজাত শিশুর মৃত্যুকে কেন্দ্র করে উত্তেজনা শ্রীরামপুর ওয়ালস হাসপাতালে। প্রসূতি কেমন আছে তা জানানো হয়নি, এই অভিযোগে উত্তপ্ত হয়ে ওঠে শ্রীরামপুর ওয়ালস্ হাসপাতাল চত্বর। ঘটনাস্থলে শ্রীরামপুর থানার পুলিশ।
জানা গিয়েছে, রিষড়া ১১ নম্বর রেল গেট এলাকার বাঙুর পার্ক ২ নম্বর রেল গেটের বাসিন্দা রীনা দেবী গত ৯ জানুয়ারি রাতে ভর্তি হন প্রসব যন্ত্রণা নিয়ে। পুত্র সন্তানের জন্ম দেন, সেই রাতেই মৃত্যু হয় সদ্যোজাত। বিকালে দেহ দেয় হাসপাতাল। কিন্তু প্রসূতি মহিলা কেমন আছেন, সেটা তখনও জানানো হয়নি। পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে তাঁর দেখাও করতে দেওয়া হয়নি বলে অভিযোগ।
পরিবারের অভিযোগ, সময়ে সিজার করা হয়নি, তাই শিশুকে বাঁচানো সম্ভব হয়নি। বার বার বলার পরও দীর্ঘক্ষণ বসিয়ে রাখা হয়েছিল নর্মাল ডেলিভারি করানোর জন্য শ্রীরামপুর থানার পুলিশ গিয়ে পরিস্থিতি সামাল দেওয়ার চেষ্টা করে। যদিও এই ঘটনায় হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের তরফে কোনও প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।
পরিবারের এক আত্মীয় বলেন, “আমার পেসেন্টের অবস্থা ভালই ছিল। আমি নির্দিষ্ট দিনে ভর্তি করেছিলাম। তারপর শুনি ব্লিডিং হচ্ছে। কিন্তু কিছুতেই ওরা ওটি করছিল না। ওরাই আমাকে ডাকে। আমি ওটির বাইরে বসে রয়েছি। ওরা আমার পেসেন্টের বুকের ওপর ওঠে চাপ দিচ্ছে। ওইভাবে কি ডেলিভারি হয়? আধমরা করে দিয়েছে। তারপর বলল বাচ্চা বেরোচ্ছে না। এসে বলে সিজার করতে হবে। আমার পেসেন্ট কী চিৎকার করছিল, ওরা যখন ওপরে ওঠে চাপ দিচ্ছিল।”
