Hooghly: ‘মুখ্যমন্ত্রীই সব নাকি…’, চানাচুর কারখানায় ঢুকতেই আধিকারিক যে ঘটনার সাক্ষী থাকলেন…
Food Safety Officials: রবিবার দুপুরে তারকেশ্বরের মুক্তারপুর এলাকায় একটি চানাচুর ফ্যাক্টরিতে হানা দেয় খাদ্য সুরক্ষা দফতরের আধিকারিকরা। কারখানার ভিতরে প্রবেশ করার সঙ্গে সঙ্গেই কারখানার মালিক রীতিমতো তর্কবিতর্ক শুরু করে দেন খাদ্য সুরক্ষা দফতরের আধিকারিকদের সঙ্গে। এমনকি আধিকারিকদের ধমক চমক দিতেও দেখা যায় ওই কারখানার মালিককে।

হুগলি: চানাচুর তৈরির কারখানা। কিন্তু চানাচুরে মিশছে কী! সেটাই খতিয়ে দেখতে গিয়েছিলেন আধিকারিক। কিন্তু কারখানার ভিতরে ঢুকে উল্টে চাপে পড়লেন তিনি নিজেই। কারখানার মালিকই ধমক চমক দিতে থাকেন আধিকারিককে। অভিযানে গিয়ে বাধা প্রাপ্ত হলেন খাদ্য সুরক্ষা দফতরের আধিকারিক। অভিযোগ, রীতিমতো খাদ্য সুরক্ষা দফতরের আধিকারিকদের ধমক চমক দিলেন তারকেশ্বরের মুক্তারপুর এলাকার একটি কারখানার মালিক। যদিও কারখানার মালিক তাঁর বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগ অস্বীকার করেছেন। আইনত ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানান খাদ্য সুরক্ষা দফতরের আধিকারিকরা।
রবিবার দুপুরে তারকেশ্বরের মুক্তারপুর এলাকায় একটি চানাচুর ফ্যাক্টরিতে হানা দেয় খাদ্য সুরক্ষা দফতরের আধিকারিকরা। কারখানার ভিতরে প্রবেশ করার সঙ্গে সঙ্গেই কারখানার মালিক রীতিমতো তর্কবিতর্ক শুরু করে দেন খাদ্য সুরক্ষা দফতরের আধিকারিকদের সঙ্গে। এমনকি আধিকারিকদের ধমক চমক দিতেও দেখা যায় ওই কারখানার মালিককে।
পরে পুলিশকে ফোন করা হলে ঘটনা স্থলে যায় তারকেশ্বর থানার পুলিশ। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে যান তারকেশ্বর বিধায়ক সন্তু পান। তিনিও জানান, সরকারি আধিকারিকরা আইনত যা ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন পুলিশকে তা দেখতে বলব।
বিধায়ক সন্তু পান বলেন, “সব জায়গাতেই তো রেইড চলছে। এখানে আধিকারিকরা দেখতে এসেছিলেন। কিন্তু এখানকার মালিক, জানি না কে রয়েছেন, তিনি বলেছেন মুখ্যমন্ত্রীই সব নাকি, আমরা ঢুকতে দেব না। আধিকারিকদের বাধা দেন। সেফটি আমাদের প্রয়োজন। বাচ্চারা কী খাবার খায়, আমরা কী খাই, সেটা জানার অধিকার নেই! সরকারি আধিকারিকদের বাধা দেওয়ায় যথাযথ পদক্ষেপ করা হয়েছে।”
