AQI
Sign In

By signing in or creating an account, you agree with Associated Broadcasting Company's Terms & Conditions and Privacy Policy.

Municipality: এবার থেকে রবিবারও খোলা থাকছে পুরসভা, কতক্ষণ? জানাল পুরসভা

Hooghly: সেখানে উপস্থিত হন বিধায়ক অসিত মজুমদার। তিনি বলেন, "পুরসভা এলাকায় অনেক মানুষ আছেন যাঁরা সরকারি বা বেসরকারি জায়গায় কাজ করেন। তাঁরা খুব একটা ছুটি পান না। সপ্তাহে একটি মাত্র দিন রবিবার ছুটি পান। তাই মানুষের সুবিধার্থে আমরা প্রতি রবিবার সকাল ১১ টা থেকে দুপুর ১ টা পর্যন্ত খোলা থাকবে পুরসভার দরজা।

Municipality: এবার থেকে রবিবারও খোলা থাকছে পুরসভা, কতক্ষণ? জানাল পুরসভা
কতক্ষণ খোলাImage Credit: Tv9 Bangla
| Edited By: | Updated on: Jan 04, 2026 | 3:35 PM
Share

হুগলি: এসআইআর আবহ ও ছাব্বিশের ভোটের আগে বড় সিদ্ধান্ত। এবার থেকে খোলা থাকে পুরসভা। রবিবার ছুটির দিনে যাতে নাগরিকরা সব রকম পরিষেবা পান সেই কথা ভেবেই এমন সিদ্ধান্ত নিয়েছে চুঁচুড়া পুরসভা। মরার সময় হরিনাম কটাক্ষ করেছে বিজেপির। হুগলির চুঁচুড়া পুরসভার তিরিশটা ওয়ার্ডের বাসিন্দাদের জন্য এক অভিনব উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে পুরসভার পক্ষ থেকে। রবিবার ছুটির দিনেও নাগরিক পরিষেবা দেওয়ার জন্য খোলা থাকবে পুরসভার দরজা। সেখানে চেয়ারম্যান সহ অন্যান্য কাউন্সিলরাও উপস্থিত থাকবেন। কোনও-কোনও দিন বিধায়ক নিজে পুরসভায় উপস্থিত থাকবেন।

সপ্তাহের ছ’ দিন সরকারি বা বেসরকারি কাজে যুক্ত থাকেন অনেক মানুষ। ফলে তাঁরা তাঁদের বিভিন্ন পুর পরিষেবার জন্য অফিসে ছুটি নিয়ে পুরসভায় আসতেন। পুরসভার চেয়ারম্যান সৌমিত্র ঘোষ গত ৩১শে ডিসেম্বর সাংবাদিক বৈঠক করে জানান, পুরবাসীর সুবিধার্থে একাধিক ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। আজও খোলা রয়েছে পুরসভা।

সেখানে উপস্থিত হন বিধায়ক অসিত মজুমদার। তিনি বলেন, “পুরসভা এলাকায় অনেক মানুষ আছেন যাঁরা সরকারি বা বেসরকারি জায়গায় কাজ করেন। তাঁরা খুব একটা ছুটি পান না। সপ্তাহে একটি মাত্র দিন রবিবার ছুটি পান। তাই মানুষের সুবিধার্থে আমরা প্রতি রবিবার সকাল ১১ টা থেকে দুপুর ১ টা পর্যন্ত খোলা থাকবে পুরসভার দরজা। তাঁদের যাতে কোনও অসুবিধা না হয়, কোনও সমস্যা নিয়ে এলে কেউ যাতে ফিরে না যেতে হয় তার জন্যই এই ব্যবস্থা নেওয়া।”

বিজেপির রাজ্য কমিটির সদস্য স্বপন পাল বলেন, “এখন মরার সময় হরিনাম করছে পুরসভা। এতদিন কr করছিলেন। তৃণমূল বুঝতে পেরেছে আগামী বিধানসভায় তাদের বিসর্জন আসন্ন। তাই এখন তারা বাঁচাও সাধু বাবা বলে পুরসভা খোলা রাখতে চাইছে।”