AQI
TV9 Network
User
Sign In

By signing in or creating an account, you agree with Associated Broadcasting Company's Terms & Conditions and Privacy Policy.

Cockroaches in Oil: ভোজ্য তেলের ড্রামে গিজগিজ করছে আরশোলা, চোখ কপালে আধিকারিকদের

Food Safety: পুজোর মরশুম চলছে। একাধিকবার অভিযোগ উঠেছে ভেজাল তেল বিক্রি নিয়ে। পুজোর মরসুমে বাড়িতে রান্না থেকে কোনও রেস্তোরাঁয় রান্না বা পুজোর ক্ষেত্রে তেলের ব্যবহার বেশি হয়। সেই জায়গায় দাঁড়িয়ে কোনও অসাধু ব্যবসায়ী ভেজাল তেল বিক্রি করছে কি না, মূলত তা দেখতেই বাজারে হানা দেয় খাদ্য সুরক্ষা দফতর।

Cockroaches in Oil: ভোজ্য তেলের ড্রামে গিজগিজ করছে আরশোলা, চোখ কপালে আধিকারিকদের
তেলে ভাসছে আরশোলাImage Credit: TV9 Bangla
| Edited By: | Updated on: Oct 31, 2026 | 1:48 PM
Share

ব্যান্ডেল: তেল কলে আরশোলার চাষ। তেলের টিনে ভর্তি আরশোলা। গা ঘিনঘিন ছবি ধরা পড়ল হুগলির দেবানন্দপুরে। কালীপুজোর আগে ফের হানা খাদ্য সুরক্ষা দফতরের। শনিবার সকালে ব্যান্ডেলের একাধিক তেল মিলে হানা দেয় খাদ্য সুরক্ষা দফতর।

ব্যান্ডেল দেবানন্দপুর গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকায় শনিবার আচমকাই অভিযান চালায় খাদ্য সুরক্ষা দফতর। তেল মিলে প্রবেশ করে খতিয়ে দেখেন, কী তেল বিক্রি করা হচ্ছে। ব্যান্ডেলের একটি মিলে প্যাকেটজাত ও টিনের তেল কেটে ড্রামে ভরে খোলা তেল প্যাকেট করে বিক্রি করা হচ্ছিল বলে অভিযোগ। যেটা বেআইনি। এরপরই ওই মিলে সমস্ত কিছু খতিয়ে দেখেন খাদ্য সুরক্ষা দফতরের আধিকারিকরা।

পুজোর মরশুম চলছে। একাধিকবার অভিযোগ উঠেছে ভেজাল তেল বিক্রি নিয়ে। পুজোর মরসুমে বাড়িতে রান্না থেকে কোনও রেস্তোরাঁয় রান্না বা পুজোর ক্ষেত্রে তেলের ব্যবহার বেশি হয়। সেই জায়গায় দাঁড়িয়ে কোনও অসাধু ব্যবসায়ী ভেজাল তেল বিক্রি করছে কি না, মূলত তা দেখতেই বাজারে হানা দেয় খাদ্য সুরক্ষা দফতর।

মগড়া ব্লকের খাদ্য সুরক্ষা আধিকারিক তনুশ্রী মিশ্র বলেন, “প্রকাশ তেলকলে আগে তেল তৈরি হত। এখন সেটা হয় না, কিন্তু খোলা তেল রয়েছে। ফুড লাইসেন্স নেই। আমরা লাইসেন্স করার জন্য বলেছি। কী তেল বিক্রি হচ্ছে, সেটার নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছে। ল্যাব থেকে পরীক্ষার রিপোর্ট এলে বোঝা যাবে। তেলের ড্রামের মধ্যে আরশোলা পাওয়া গিয়েছে। সেই কারণে হাইজিন নোটিস দেওয়া হয়েছে। খোলা তেল যেভাবে বিক্রি করা হচ্ছে, সেটা উচিত নয়।”

এক ক্রেতা জানান, তিনি দীর্ঘদিন ধরে কাটা তেল নিয়ে যান, কিন্তু জানতেন না এমন আরশোলা মিলেছে তেলের টিনে। তেল ব্যবসায়ী রোশনলাল গুপ্তা বলেন, “১৫ দিনের নোটিস দেওয়া হয়েছে। যা যা খামতি আছে, সেগুলো পূরণ করার জন্য। সরষের তেল খুলে বিক্রি করা যায় না, এটা জানা ছিল না। আমরা বাইরে থেকে টিন কিনে নিয়ে এসে এখানে খুচরো বিক্রি করি। তেলের টিনে আরশোলা ছিল না, ছিল গুড়ের টিনে। খাদ্য সুরক্ষা আধিকারিকরা সেটা দেখেছেন।”

Follow Us