Dankuni: ডেকেছিলেন জ্যোতিষীকে, আসার আগেই ডানকুনিতে উদ্ধার প্রাইমারি টিচারের ঝুলন্ত দেহ
Dankuni: পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, ডানকুনি হাউজিংয়ের ডি ৩৩ নম্বর ব্লকের বাসিন্দা ছিলেন কৌশিক হালদার। কাছেই একটি প্রাথমিক স্কুলে শিক্ষকতা করছিলেন। শুক্রবার বিকালে তাদের ছেলে স্কুল থেকে বাড়ি ফিরে কলিং বেল টেপে।

ডানকুনি: কর্মক্ষেত্রে সমস্যা! উত্তরণের উপায় খুঁজতে জ্যোতিষীর শরণাপন্নও হয়েছিলেন। সেই জ্যোতিষীর বাড়িতে আসারও কথা ছিল। কিন্তু, তার আগেই বাড়ি থেকে উদ্ধার হল শিক্ষকের ঝুলন্ত দেহ। ঘটনাকে কেন্দ্র করে ব্যাপক চাঞ্চল্য ডানকুনিতে। মৃত শিক্ষকের নাম কৌশিক হালদার (৪৩)। তাঁর স্ত্রীও শিক্ষকতা করেন। কৌশিকবাবুর আকস্মিক চলে যাওয়ায় শোকের ছায়া গোটা পরিবারে। কান্নায় ভেঙে পড়েছেন স্ত্রী। কিছুই বুঝে উঠতে পারছেন না প্রতিবেশীরাও।
পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, ডানকুনি হাউজিংয়ের ডি ৩৩ নম্বর ব্লকের বাসিন্দা ছিলেন কৌশিক হালদার। কাছেই একটি প্রাথমিক স্কুলে শিক্ষকতা করছিলেন। শুক্রবার বিকালে তাদের ছেলে স্কুল থেকে বাড়ি ফিরে কলিং বেল টেপে। কিন্তু কোনও সাড়া শব্দ পাওয়া যায়নি। অবস্থা দেখে মাকে ফোন করে ঘটনার কথা বলে। প্রতিবেশীরাও জানতে পেরে ছুটে আসেন। সকলে মিলে দীর্ঘক্ষণ ডাকাডাকি করলেও মেলেনি সাড়া। শেষে বাধ্য হয়ে ভেঙে ফেলা হয় দরজা। কিন্তু ভিতরে ঢুকতেই দেখা যায় গলায় ফাঁস দিয়ে ঝুলছেন কৌশিক। দেরি না করে সঙ্গে সঙ্গেই স্থানীয় বাসিন্দারা খবর দেন পুলিশকে।
কিছুক্ষণের মধ্যেই ডানকুনি থানার পুলিশ এসে মৃতদেহ উদ্ধার করে নিয়ে যায়। এদিন শ্রীরামপুর ওয়ালস হাসপাতালে ময়নাতদন্ত হওয়ার কথা রয়েছে। স্থানীয় বাসিন্দারা জানাচ্ছেন, গলায় দড়ি দিয়েছে এরকম কিছু একটা তাঁরা শুনতে পান প্রথমে। ওটা শুনেই তাঁরা ছুটে আসেন। তারপরই দরজা ভেঙে ভিতরে ঢুকতেই এই দৃস্য। সকলেই বলছেন তাঁদের সঙ্গে ভাল সম্পর্কই ছিল কৌশিকবাবুর। কিন্তু, কেন আচমকা আত্মহত্যা করতে গেলেন বুঝে উঠতে পারছেন না কেউই। প্রাথমিক ভাবে পুলিশের অনুমান মানসিক অবসাদ থেকেই আত্মহত্যা করেছেন শিক্ষক। কর্মক্ষেত্রে কোনও কারণে অস্থির ছিলেন। যে কারণে রবিবার বাড়িতে জ্যোতিষী আসার কথাও ছিল। তার আগেই এ ঘটনা।
