AQI
TV9 Network
User
Sign In

By signing in or creating an account, you agree with Associated Broadcasting Company's Terms & Conditions and Privacy Policy.

Balurghat Postal Ballot Allegation: লাইনে দাঁড়িয়েও দেওয়া হল না, কে দিয়ে গেল পোস্টাল ব্যালটে ভোট?

Postal Ballot Controversy: জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, অভিযোগের ভিত্তিতে পুরো বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে। কেন এমন ঘটনা ঘটল এবং অন্য কেউ বিমলবাবুর ভোট দিয়ে দিয়েছে কি না, তা তদন্ত করে দেখা হবে। ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকার রাজনৈতিক মহলেও শুরু হয়েছে চাপানউতোর।

Balurghat Postal Ballot Allegation: লাইনে দাঁড়িয়েও দেওয়া হল না, কে দিয়ে গেল পোস্টাল ব্যালটে ভোট?
শোরগোল রাজনৈতিক আঙিনায় Image Credit: TV 9 Bangla
| Edited By: | Updated on: Apr 21, 2026 | 7:22 PM
Share

বালুরঘাট: বালুরঘাটে পোস্টাল ব্যালট ঘিরে শোরগোল। ভোট দিতে গিয়ে এক সরকারি কর্মী জানতে পারলেন, তাঁর ভোট আগেই দেওয়া হয়ে গিয়েছে। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে সোমবার দুপুরে ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়ায় বালুরঘাট গার্লস হাই স্কুলে। নিজের গণতান্ত্রিক অধিকার ফিরে পেতে শেষে জেলাশাসকের দ্বারস্থ হলেন ওই ভোটকর্মী।

অভিযোগকারী বিমল সরেন বালুরঘাট ব্লকের গোপালবাটি গ্রাম পঞ্চায়েতের বাসিন্দা। কাজ করেন আরএলআই (RLI) দফতরে। গত ১৬ এপ্রিল বালুরঘাট গার্লস হাইস্কুলে নির্বাচনের প্রশিক্ষণে অংশ নিয়েছিলেন তিনি। প্রশিক্ষণ শেষে সে দিনই পোস্টাল ব্যালটে ভোট দেওয়ার কথা ছিল তাঁর। কিন্তু প্রচণ্ড ভিড় থাকায় প্রশাসনের পক্ষ থেকে মাইকিং করে জানানো হয়, ভোটকর্মীরা আগামী সোমবার পর্যন্ত ভোট দিতে পারবেন। 

প্রশাসনের আশ্বাসে সোমবার দুপুরে বিমলবাবু পুনরায় ভোট দিতে যান। কিন্তু অভিযোগ, ব্যালট পেপার নিতে গেলে তাঁকে জানানো হয় যে তাঁর ভোট ইতিমধ্যেই দেওয়া হয়ে গিয়েছে। বিমল সরেনের প্রশ্ন, “আমি নিজে ভোট না দিলে আমার হয়ে ভোট কে দিল?” এর কোনও সদুত্তর দিতে পারেননি প্রশাসনের কর্তারা। 

নিজেদের গাফিলতি ঢাকতে প্রশাসনের তরফে ওই কর্মী কেঅক্সিলারি ভোট দেওয়ার প্রস্তাব দেয় বলে খবর। কিন্তু বিমলবাবু সেই প্রস্তাব সরাসরি প্রত্যাখ্যান করেন। তাঁর দাবি, এটি নিছক প্রযুক্তিগত ত্রুটি নয়, বরং বড়সড় কারচুপি। এই ঘটনায় ক্ষোভে ফেটে পড়েছেন সরকারি কর্মীদের একাংশ। প্রশাসনের উপর অনাস্থা প্রকাশ করে মঙ্গলবার জেলাশাসকের কাছে লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন বিমল সরেন।

জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, অভিযোগের ভিত্তিতে পুরো বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে। কেন এমন ঘটনা ঘটল এবং অন্য কেউ বিমলবাবুর ভোট দিয়ে দিয়েছে কি না, তা তদন্ত করে দেখা হবে। তবে সংবেদনশীল এই ইস্যু নিয়ে ক্যামেরার সামনে কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি জেলা প্রশাসনের শীর্ষ কর্তারা।

Follow Us