AQI
TV9 Network
User
Sign In

By signing in or creating an account, you agree with Associated Broadcasting Company's Terms & Conditions and Privacy Policy.

Hooghly: ৪০০ টাকা ভিজিট, খসখস করে অ্যালোপাথি ওষুধ লিখে দিতেন ‘নিতাই ডাক্তার’, শুধু প্রেসক্রিপশনটা দেখেই…. ২২ বছর পর সব ফাঁস

Hooghly: সোমবার পাণ্ডুয়ার বিএমওএইচ পাণ্ডুয়ার পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি ও স্বাস্থ্য কর্মাধ্যক্ষকে নিয়ে চিকিৎসকের চেম্বারে হাজির হন। চিকিৎসককে সব কাগজ নিয়ে পাণ্ডুয়া ব্লক অফিসে দেখা করতে বলেন।

Hooghly: ৪০০ টাকা ভিজিট, খসখস করে অ্যালোপাথি ওষুধ লিখে দিতেন 'নিতাই ডাক্তার', শুধু প্রেসক্রিপশনটা দেখেই.... ২২ বছর পর সব ফাঁস
নিতাই সেনাপতিImage Credit: TV9 Bangla
| Edited By: | Updated on: Mar 04, 2025 | 6:31 AM
Share

পাণ্ডুয়া: একদিন-দুদিন নয়। ২২ বছর ধরে রমরমিয়ে চলছিল চেম্বার। এলাকার একটি ওষুধের দোকানে দীর্ঘদিন ধরে চেম্বারে বসে রোগী দেখতেন নিতাই সেনাপতি। নিজেকে এমডি পরিচয় দিয়ে অ্যালোপ্যাথি ওষুধও লিখে দিতেন। রোগী প্রতি ৪০০ টাকা করে ভিজিট নিতেন তিনি। তবে প্রেসক্রিপশন নিয়ে একটা সন্দেহ ছিলই। অবশেষে এত বছর সামনে এল সত্যিটা।

হুগলির পাণ্ডুয়ার ঘটনা। কালনা মোড় এলাকায় রয়েছে নিতাই সেনাপতির চেম্বার। সম্প্রতি তাঁর বিরুদ্ধে পান্ডুয়া ব্লক স্বাস্থ্য আধিকারিক শেখ মঞ্জুর আলমের কাছে কয়েকটি অভিযোগ জমা পড়ে। অভিযোগ ছিল, যে প্রেসক্রিপশনে তিনি ওষুধ লিখে দিতেন, তার কোনোটায় রেজিষ্ট্রেশন নম্বর আছে, কোনোটায় নেই। ‘এমডি’ বলে উল্লেখ থাকলেও আর কোনও তথ্য নেই। সেই প্রেসক্রিপশনে দেখেই বাড়ে সন্দেহ।

সোমবার পাণ্ডুয়ার বিএমওএইচ পাণ্ডুয়ার পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি ও স্বাস্থ্য কর্মাধ্যক্ষকে নিয়ে চিকিৎসকের চেম্বারে হাজির হন। চিকিৎসককে সব কাগজ নিয়ে পাণ্ডুয়া ব্লক অফিসে দেখা করতে বলেন। সেই মতো সোমবার রাতে চেম্বার শেষ করে ব্লক অফিসে গিয়ে দেখা করেন ওই চিকিৎসক।

তাঁর কাগজপত্র দেখে ব্লক প্রশাসন ও স্বাস্থ্য দফতর নিশ্চিত হয় যে আদতে ওই ব্যক্তি একজন আয়ুর্বেদ চিকিৎসক। তা সত্ত্বেও এমডি লিখে দিনের পর দিন অ্যালোপ্যাথি ওষুধ দিয়ে যাচ্ছিলেন তিনি। এই সব দেখে ওই চিকিৎসককে মুচলেকা দিতে বলা হয়। চিকিৎসক জানিয়েছেন, তিনি আর অ্যালোপ্যাথি চিকিৎসা করবেন না।

পাণ্ডুয়া পঞ্চায়েত সমিতির স্বাস্থ্য কর্মাধ্যক্ষ নিশাপতি রক্ষিত বলেন, “আসলে উনি আয়ুর্বেদিক চিকিৎসক। ৪০০ টাকা করে ভিজিট নিতেন। দেড়’শ টাকার ওষুধ দিতেন। উনি বেআইনিভাবে অ্যালোপ্যাথি চিকিৎসা করছিলেন। পরে ওঁর বিরুদ্ধে কী ব্যবস্থা নেওয়া হবে সেটা আমরা ভাবছি। প্রয়োজনে থানায় অভিযোগও করা হতে পারে। কারণ বহু মানুষকে ঠকিয়েছেন উনি।”

তবে নিতাই সেনাপতি নামে ওই চিকিৎসকের দাবি, নিয়মের বাইরে তিনি কিছু করেননি। তিনি বলেন, “আমার যা যা কাগজ ছিল তা দেখিয়েছি। আমি আয়ুর্বেদিক চিকিৎসক। আয়ুর্বেদ চিকিৎসাই করব।” একজন আয়ুর্বেদ চিকিৎসক হয়ে কেন দিনের পর দিন অ্যালোপ্যাথি চিকিৎসা করছিলেন? এই প্রশ্নের উত্তরে চিকিৎসক বলেন, “আমাদের কাউন্সিলের নির্দেশ আছে ৬৭ টা ওষুধ লেখা যায়।”

Follow Us