Hooghly: পাশেই বেসিন, বাথরুমের সামনে ডাঁই করা বই, সরকারি অফিসের এ কী অবস্থা

ঘটনার নিন্দা জানিয়ে হুগলি শ্রীরামপুর সাংগঠনিক জেলা তৃণমূলের সহ সভাপতি অসিত চট্টোপাধ্যায় বলেন, "এটা চরম নিন্দনীয়, আমি এর তীব্র নিন্দা জানাই। আমি শিক্ষা দফতরে ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য জানাব। দু-একজন সরকারি কর্মচারীর জন্য সরকারের মান-সম্মান ধুলোয় লুটিয়ে যাবে এটা কোনওভাবেই বরদাস্ত করা যায় না।"

Hooghly: পাশেই বেসিন, বাথরুমের সামনে ডাঁই করা বই, সরকারি অফিসের এ কী অবস্থা
Image Credit source: TV9 Bangla

| Edited By: তন্নিষ্ঠা ভাণ্ডারী

Feb 03, 2026 | 11:42 PM

পাণ্ডুয়া: শৌচালয়ের সামনে ডাঁই করা স্কুলের পাঠ্য পুস্তক, ভাইরাল ভিডিয়ো ঘিরে বিতর্ক পান্ডুয়ায়। হুগলির পান্ডুয়া থানার ঠিক পাশেই অবস্থিত ইটাচুনা চক্রের স্কুল এসআই অফিস। সেই অফিসে শৌচালয়ের সামনেই পড়ে রয়েছে স্কুলের বই! এই রকম একটি ভিডিয়ো সম্প্রতি ভাইরাল হয়। সেই অফিসে চলছে এসআইআরের শুনানি। সেখানে এরকম একটি চিত্র দেখে চমকে যান অনেকেই।

সরকারি দফতরের অফিস চত্বরেই এমন ছবি ঘিরে রাজনৈতিক তরজা শুরু হয়েছে। একদিকে এসআইআরের হিয়ারিং চলছে, আর অন্যদিকে সেই অফিসেরই শৌচালয়ের সামনে খোলা জায়গায় পড়ে থাকতে দেখা গেল স্কুলের বইপত্র। বইগুলি পুরনো না কি নতুন শিক্ষাবর্ষের, তা জানা যায়নি। আর এই ভিডিয়ো ভাইরাল হতেই তুমুল আলোড়ন শুরু হয়েছে পান্ডুয়ায়।

হিয়ারিং-এ আসা এক ব্যক্তি জানান, এটা অত্যন্ত নিন্দনীয়। বাথরুমের মধ্যে কী কীভাবে বই থাকে? এই ঘটনাকে ঘিরে তীব্র নিন্দা জানিয়েছে বিজেপি, সিপিএমের মতো রাজনৈতিক দল। পান্ডুয়ার প্রাক্তন সিপিএম বিধায়ক আমজাদ হোসেন কটাক্ষ করে বলেন, “শিক্ষা দফতর আর বাথরুম সমার্থক শব্দ হয়ে গিয়েছে। পশ্চিমবঙ্গে শিক্ষা ব্যবস্থা বেহাল হয়ে গিয়েছে। ওরা দফতরটাকেই তুলে দিতে চায়।”

বিজেপি নেতা সুরেশ সাউ বলেন, “একটা নোংরা জায়গায় স্কুলের বই রাখা রয়েছে। বই আমাদের কাছে বিদ্যা। যেখান থেকে শিক্ষার আলো বেরোয়, সমাজ শিক্ষিত হয়, সেই বইকে কোথায় রাখতে হয় তার নূন্যতম জ্ঞান নেই। এরা আবার সমাজকে শিক্ষার আলো দেবে?”

এই ঘটনার নিন্দা জানিয়ে হুগলি শ্রীরামপুর সাংগঠনিক জেলা তৃণমূলের সহ সভাপতি অসিত চট্টোপাধ্যায় বলেন, “এটা চরম নিন্দনীয়, আমি এর তীব্র নিন্দা জানাই। আমি শিক্ষা দফতরে ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য জানাব। দু-একজন সরকারি কর্মচারীর জন্য সরকারের মান-সম্মান ধুলোয় লুটিয়ে যাবে এটা কোনওভাবেই বরদাস্ত করা যায় না।”

হুগলি জেলা প্রাইমারি শিক্ষা সংসদের ডিআই দীপঙ্কর রায় ফোনে বলেন, ‘বিষয়টা আমার জানা নেই।’ তবে এসআই-এর কাছে রিপোর্ট চেয়েছেন ডিপিএসসির চেয়ারম্যান। তিনি জানান, কাদের বই, সেটা বুঝতে পারছে না, রিপোর্ট পেলে জানতে পারবেন। টেক্সট বই কি না, সেটা বোঝা যাচ্ছে না বলে জানান ডিআই।