Asit-Debangsu: এক মুখ হাসি নিয়ে বড় চেয়ারটা ছাড়লেন দেবাংশু! অসিত বললেন, ‘ওর মাথার উপরে মমতা-অভিষেক আছে’, তারপর…

Asit-Debangsu in TMC: বুধবার সন্ধ্যায় প্রিয়নগরে অসিতে বাড়িতে পৌঁছে যান দেবাংশু। পায়ে হাত দিয়ে প্রণাম করেন। অসিত তাঁকে জড়িয়েও ধরেন। তারপরই শুরু হয় একেবারে ম্যারাথন আলোচনা। পরে সংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে দুজনের মধ্যে কী কথা হল তাও বলেন দেবাংশু- অসিত।

Asit-Debangsu: এক মুখ হাসি নিয়ে বড় চেয়ারটা ছাড়লেন দেবাংশু! অসিত বললেন, ‘ওর মাথার উপরে মমতা-অভিষেক আছে’, তারপর…
চাপানউতোর চলছেই Image Credit source: TV 9 Bangla

| Edited By: জয়দীপ দাস

Mar 19, 2026 | 9:08 AM

হুগলি: প্রার্থী না করায় অভিমান, ক্ষোভ সব একসঙ্গে প্রকাশ করেছিলেন। জানিয়ে দিয়েছিলেন আর রাজনীতি করবেন না। দেবাংশু তাঁর বাড়িতে যেতেই মানভঞ্জন অসিতের? ব্যাট ধরলেন দেবাংশুর হয়ে? নাকি ঘুরিয়ে বার্তা দিলেন একেবারে শীর্ষ নেতৃত্বকেই? ফের তা নিয়েই চাপানউতোর শুরু হয়েছে গোটা জেলার রাজনৈতিক মহলে। নতুন সাংবাদিক বৈঠকে পরপর উঠে একের পর এক নাটকীয় ছবি। 

প্রার্থী ঘোষণার পর অসিত তো সাফ বলেছিলেন, ‘রাজনীতি থেকে বিশ্রাম নিচ্ছি। দরকারে আবার কোর্টে প্রাকটিস করব।’ যদিও দেবাংশু দেখা করার আগেই বলেছিলেন, “অসিতবাবু আমার পিতৃসম, আমি ওনার সন্তানের মতো। রাজনৈতিক ক্ষেত্রে মান-অভিমান থাকতেই পারে, কিন্তু আমি বিশ্বাস করি একজন পিতা কখনোই তাঁর সন্তানকে ফিরিয়ে দেবেন না।” তখনই জানিয়ে দিয়েছিলেন শীঘ্রই তিনি দেখাও করবেন অসিতের সঙ্গে। 

শেষ পর্যন্ত দেখা হল। বুধবার সন্ধ্যায় প্রিয়নগরে অসিতে বাড়িতে পৌঁছে যান দেবাংশু। পায়ে হাত দিয়ে প্রণাম করেন। অসিত তাঁকে জড়িয়েও ধরেন। তারপরই শুরু হয় একেবারে ম্যারাথন আলোচনা। পরে সংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে দুজনের মধ্যে কী কথা হল তাও বলেন দেবাংশু- অসিত। যদিও তার আগে চেয়ার বসা নিয়ে সাংবাদিকদের সামনেই সৌজন্যের পরিচয় দেন পরিচয় দেন দেবাংশু। বড় চেয়ার ছাড়লেন অসিতকেই। যদিও অসিত তাঁকে সেই চেয়ারে আগেই বসতে বললেও দেবাংশুর সাফ কথা, ‘অসম্ভব দাদা। তুমিই বসবে ওটাতে।’ এরপরই অসিতের পাশের একটি প্লাস্টিকের চেয়ারে বসে দেবাংশু। বলেন, “অসিতদার সঙ্গে অসিতদার থেকে অনেক পরামর্শ নিয়েছি। সেগুলি ডাইরিতে নোট করেছি। উনি যেভাবে চুঁচুড়াকে হাতের তালুর মত চেনেন আমার লড়াইয়ে তাকে লাগবে। তিনি বলেছেন আমার পাশে থাকবেন।” 

দেবাংশু বললেও এখনও অসিতের সুর যেন বেশ খানিকটা বেসুরোই। সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরেও বারবার ঝরে পড়ল অভিমানের সুর। শুরুতেই বললেন, “অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে আমার কথা হয়েছে। দলের যারা কর্মী তাঁরা আশা করি দলের প্রার্থীকে জেতার জন্য কাজ করবেন। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় জিতে চতুর্থবাবের জন্য মুখ্যমন্ত্রী হন। এটা আমি চাই। তার জন্য যা করার করব। ” এরপরই দেবাংশুর প্রসঙ্গ উঠতেই বলেন, “দেবাংশুকে আলাদা করে চেনানোর দরকার নেই, ওকে সবাই চেনে। দেবাংশুর পিছনে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় আছে। অসিত মজুমদার নগন্য। ওর মাথার উপরে যেখানে মমতা-অভিষেক আছে সেখানে অসিত মজুমদারের দরকার হয় না। অসিত মজুমদার তৃণমূলের একজন নগন্য সৈনিক।” কথাটা বলে কোমরা যেই না একচু পিছনে হেলিয়েছেন অসিত সঙ্গে সঙ্গে দেবাংশু তাঁর হাত টেনে নিয়ে বললেন, “দাদা বললেন তিনি ক্ষুদ্র সৈনিক! কিন্তু আমি বলি দাদা নিজেকে যতটা ক্ষুদ্র মানুষ মনে করেন তিনি ততটা ক্ষুদ্র মানুষ নন। তাই স্বাবভাবিকভাবে মাথার উপর মমতা-অভিষেক যেমন রয়েছেন তেমনই চুঁচুড়াতে আমাদের অভিভাবক অসিতদাকে আমার চাই।”  

Follow Us