AQI
Sign In

By signing in or creating an account, you agree with Associated Broadcasting Company's Terms & Conditions and Privacy Policy.

Asit-Rachna: ভোটের আগে ফের দূরত্ব বাড়ছে অসিত-রচনার?

Trinamool Congress: রবিবার চুঁচুড়ার বড়বাজারে আক্রান্ত হন তৃণমূল কর্মী বিশাল মণ্ডল। ভর্তি করা হয় চুঁচুড়া ইমামবাড়া হাসপাতালে। সেখানেও তাঁর পরিবারের সদস্যদের আক্রমণের চেষ্টা করা হয় বলে অভিযোগ। এদিন তাঁকে হাসপাতালে দেখতে যান রচনা। সাংসদের কাছে সবটা খুলেও বলেন বিশাল।

Asit-Rachna: ভোটের আগে ফের দূরত্ব বাড়ছে অসিত-রচনার?
ঠিক কী হয়েছে? Image Credit: Social Media
| Edited By: | Updated on: Mar 02, 2026 | 9:40 PM
Share

চুঁচুড়া: কিছুদিন আগেই দ্বন্দ্ব মেটার আভাস মিলেছিল। দলের কর্মীদের সামনেই বিধায়ক-সাংসদের হাত ধরিয়ে একসঙ্গে চলার বার্তাও দিয়েছিলেন কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়। কিন্তু দ্বন্দ্ব কী মেটার নয়? ভোটের মুখে ফের গোষ্ঠী কোন্দলে অস্বস্তি বাড়ছে তৃণমূলের অন্দরে। তৃণমূলের কর্মীর হাতেই আক্রান্ত তৃণমূলেরই কর্মী। আহতকে দেখতে হাসপাতালে গেলেন হুগলির সাংসদ রচনা বন্দ্যোপাধ্যায়। সেখানেই শাসকদলের কোন্দলের কথা তুলে রীতিমতো ক্ষোভও প্রকাশ করতে দেখা গেল তাঁকে। বিধায়ক থাকা সত্বেও কেন একটা বাচ্চা ছেলে মার খাবে সেই প্রশ্নও তুললেন সোচ্চারে। অন্যদিকে চাপানউতোর শুরু হতেই বিধায়ক অসিত মজুমদার বলছেন, এরা দলের ছেলে। সাংসদ যখন বলেছেন আমি দেখব।

রবিবার চুঁচুড়ার বড়বাজারে আক্রান্ত হন তৃণমূল কর্মী বিশাল মণ্ডল। ভর্তি করা হয় চুঁচুড়া ইমামবাড়া হাসপাতালে। সেখানেও তাঁর পরিবারের সদস্যদের আক্রমণের চেষ্টা করা হয় বলে অভিযোগ। এদিন তাঁকে হাসপাতালে দেখতে যান রচনা। বিশালের অভিযোগ, কয়েক মাস আগে তৃণমূল বিধায়ক অসিত মজুমদার ঘনিষ্ঠ বিজয় কাহার দলবল নিয়ে তাঁর দাদার উপর চড়াও হয়েছিল। তখন থেকেই বিবাদের সূত্রপাত। তিনি বলছেন, সেই সময় ঘটনা মিটে গেলেও একদিন আগে এক আত্মীয়র মৃত্যুর পর শ্মশানে গিয়েছিলাম। সেখানে বিজয়ের লোকেদের সঙ্গে কথা কাটাকাটি ও ধাক্কাধাক্কি হয়। এরপর বাড়িতে ফিরলে তাকে মারধর করা হয় বলে অভিযোগ। লোহার রড ও ইট দিয়ে মারধর করা হয়েছে।

বিশাল বলছেন, “দীর্ঘদিন ধরেই আমাদের পরিবারের উপর অত্যাচার করতো। গতকাল তো ধারাল অস্ত্র নিয়ে হাসপাতালে মারতে এসেছিল। ওদের বিরুদ্ধে পুলিশের কাছে অভিযোগও জানিয়েছি। বিজয় কাহারের নেতৃত্বেই এসব হচ্ছে।” রচনা দেখতে গেলে তাঁর কাছেও সবটা খুলে বলেন বিশাল। ঘটনায় ক্ষোভ প্রকাশ করে রচনা বলছেন, “ও দলের কাজ করে। এখন মেরে কানের পর্দা ফাটিয়ে দেওয়া হয়েছে। যারা মারধর করেছে তারাও তৃণমূল। নিজেদের মধ্যে ঘটনা মিটিয়ে নেওয়া উচিত ছিল। কাউকে আঘাত করা উচিত নয়। এই ঘটনায় পুলিশের সঙ্গে স্থানীয় বিধায়ককেও হস্তক্ষেপ করতে হবে। বিধায়ক মানুষের পাশে থাকে। তাঁরই তো দেখা উচিত। তিনি থাকা সত্ত্বেও কেন মারা হলয পুলিশ ও বিধায়ক এর সঙ্গে কথা বলব যাতে এই ধরনের ঘটনা না ঘটে।”

অন্যদিকে অসিতের গলায় আবার শোনা গেল বিজয় কাহারের প্রশংসা। তিনি বলছেন, “সে আমাদের দলের দীর্ঘদিনের কর্মী। আমি আপনাদের কাছ থেকে শুনলাম অবশ্যই বিষয়টি জানব। দুপক্ষের সঙ্গে কথা বলে মিটমাট করা যায় সেটাও দেখব। কিন্তু বিজয় সমাজবিরোধী কার্যকলাপের সঙ্গে যুক্ত নয়। যদি এরকম কোন ঘটনা ঘটে সেটাও আমি দেখব।” অন্যদিকে বিজয় আবার বলছেন, কী করে এ ঘটনায় তাঁর নাম জুড়ে গেল তিনি বুঝতেই পারছেন না।