Mahesh Jagannath Temple: অমাবস্যা তিথিতে শুধু দেখা যায় জগন্নাথ দেবের হাত! রথের আগে মাহেশে কেন ঘটে এমন?
Mahesh Jagannath Temple: সকাল সাতটা বাজতে না বাজতেই মন্দিরের মূল ফটোক সহ গর্ভ গৃহের দরজা খুলে দেওয়া হয় ভক্তদের জন্য। এই দিন পুরীর জগন্নাথ মন্দিরেও পালিত হয় নবকলেবর উৎসব। সেখানেও জগন্নাথকে জাঁকজমক করে তার আরাধনা করা হয়। ঠিক এর একদিন বাদেই মূল রথযাত্রা উৎসব। কথিত রয়েছে, এই নব-যৌবন উৎসবের পরেই জগন্নাথ রথে চড়ে ঘুরতে বের হবেন তার মাসির বাড়ি।

হুগলি: মাহেশে মহা ধূমধাম করে পালিত হয় জগন্নাথের স্নানযাত্রা। কথিত আছে, স্নানযাত্রা যাত্রা উৎসবের পর জগন্নাথের কাঁপুনি দিয়ে জ্বর আসে। ১৫ দিন অনাবসর বাদে মহাপ্রভু সুস্থ হয়ে উঠলে সেই দিনটিকে পালন করা হয় ‘নবযৌবন উৎসব’ রূপে। এদিন মহাপ্রভু জন্য ৫৬ রকম ভোগ নিবেদন করা হয়। একইসঙ্গে এই দিনে জগন্নাথ বলরাম এবং সুভদ্রা তিন জনকে রুপোর হাত ও অলঙ্কার পরিয়ে নতুন রুপে রাজ বেশে সাজানো হয়।
সকাল সাতটা বাজতে না বাজতেই মন্দিরের মূল ফটোক সহ গর্ভ গৃহের দরজা খুলে দেওয়া হয় ভক্তদের জন্য। এই দিন পুরীর জগন্নাথ মন্দিরেও পালিত হয় নবকলেবর উৎসব। সেখানেও জগন্নাথকে জাঁকজমক করে তার আরাধনা করা হয়। ঠিক এর একদিন বাদেই মূল রথযাত্রা উৎসব। কথিত রয়েছে, এই নব-যৌবন উৎসবের পরেই জগন্নাথ রথে চড়ে ঘুরতে বের হবেন তার মাসির বাড়ি।
মাহেশের নবযৌবন উৎসবকে ঘিরে কার্যত চাঁদের হাট। সকাল থেকেই জগন্নাথ পুজো দিতে আসেন মন্ত্রী ভাস্কর ভট্টাচার্য, ব্যারাকপুরের বিধায়ক কৌস্তভ বাগচী, চন্দননগরের বিধায়ক দীপাঞ্জন গুহ সহ বহু বিশিষ্ট ব্যক্তিরা।
মন্দিরের প্রধান সেবাইত পিয়াল অধিকারী বলেন, “আজ শুক্লা অমাবস্যা তিথি, নব যৌবন উৎসব। এখানকার নবযৌবন উৎসব বিখ্যাত। এতদিন ধরে অনাবসর সেবা চলেছে। সকাল থেকেই মন্দিরে দরজা খুলে দেয়া হয়েছে। প্রভুকে পুষ্পমাল্যে ভূষিত করা হয়েছে। সোনার মুকুট ,হার ও হাত পরিয়ে দেয়া হয়েছে। রাজা সেজে বসে রয়েছেন জগন্নাথ।” এদিন অভিষেক প্রাণ প্রতিষ্ঠা হয় জগন্নাথের হোম যজ্ঞের মাধ্যমে । সকল ভক্ত প্রভুকে গুটকা সন্দেশ ও বালা সন্দেশ মিষ্টান্ন নিবেদন করতে আসেন।
বিধায়ক কৌস্তভ বাগচী বলেন, “মাহেশের মন্দিরে এর আগেও আমি এসেছি। এটা আমাদের নিজেদের ধর্মীয় উৎসব। মাহেশের জগন্নাথ দেব ঐতিহাসিক। হিন্দুদের সরকার হয়েছে সনাতনীদের সরকার হয়েছে তাই হিন্দুদের পুজোর আচার-আচরণ বাড়তি গুরুত্ব পাবে।”
