AQI
TV9 Network
User
Sign In

By signing in or creating an account, you agree with Associated Broadcasting Company's Terms & Conditions and Privacy Policy.

Higher Secondary Examinee: উচ্চমাধ্যমিক পরীক্ষা দেওয়া হবে তো! আতঙ্কে দুই বলাগড়ের দুই বোন

Higher Secondary Examinee: প্রৌঢার অভিযোগ, কলে জল নিতে দেওয়া হয় না তাঁকে। জাত তুলে গালাগালি দেওয়া হয় বলেও অভিযোগ। আপাতত তাঁরা ঘরছাড়া। আগামী ১৬ ফেব্রুয়ারি শুরু হচ্ছে উচ্চমাধ্যমিক পরীক্ষা। দুই মেয়ে কী করে পরীক্ষায় বসবেন তা নিয়ে দুশ্চিন্তায় প্রৌঢ়া।

Higher Secondary Examinee: উচ্চমাধ্যমিক পরীক্ষা দেওয়া হবে তো! আতঙ্কে দুই বলাগড়ের দুই বোন
গ্রামে ঢুকতে না দেওয়ার অভিযোগImage Credit: TV9 Bangla
| Edited By: | Updated on: Feb 09, 2024 | 6:47 AM
Share

বলাগড়: কখনও চলে গালিগালাজ, কখনও মারধর। প্রতিবেশীদের ভয়ে গ্রামেই ঢুকতে পারছেন না, মেয়েরা পরীক্ষা দেবে কী করে? এমনই অভিযোগ তুললেন হুগলির বলাগড়ের এক প্রৌঢ়া। তাঁর অভিযোগ, প্রতিবেশীদের সঙ্গে চলে নিত্য অশান্তি। তাঁর নামে থাকা জমি হাতিয়ে নেওয়ার চেষ্টা হয় বলেও অভিযোগ জানিয়েছেন তিনি। পরিস্থিতি এতটাই চরমে পৌঁছেছে যে গত এক সপ্তাহ ধরে আত্মীয়দের বাড়ি বাড়ি ঘুরে থাকতে হচ্ছে তাঁদের। একাধিকবার এই নিয়ে অভিযোগ জানানো হয়েছে বলেও দাবি প্রৌঢ়ার।

প্রৌঢ়ার অভিযোগ, নাবালক তিন ছেলেমেয়েকে নিয়ে ঘরছাড়া প্রৌঢ়া। দিনকয়েক বলাগড় থানায় তিনজনের বিরুদ্ধে অভিযোগ জানিয়েছেন তিনি। বলাগড় থানা তফশিলি জাতি উপজাতি আইনে মামলা রুজু করে। চুঁচুড়া আদালতে প্রৌঢ়ার গোপন জবানবন্দির জন্য পাঠায়।

স্বামী পরিত্যক্তা প্রৌঢ়ার অভিযোগ, তাঁর দুই মেয়ে উচ্চমাধ্যমিক পরীক্ষার্থী। তাঁর ছেলে সপ্তম শ্রেণির ছাত্র। তিন সন্তানকে নিয়ে খুবই কষ্টে দিন কাটান তিনি। প্রতিবেশীরা নানাভাবে তাদের হেনস্থা করে।

প্রৌঢার অভিযোগ, কলে জল নিতে দেওয়া হয় না তাঁকে। জাত তুলে গালাগালি দেওয়া হয় বলেও অভিযোগ। আগামী ১৬ ফেব্রুয়ারি শুরু হচ্ছে উচ্চমাধ্যমিক পরীক্ষা। দুই মেয়ে কী করে পরীক্ষায় বসবেন তা নিয়ে দুশ্চিন্তায় প্রৌঢ়া। তাঁর বড় মেয়েও বলেন, ‘পরীক্ষার শেষ মুহূর্তের প্রস্তুতি নিতে পারছি না। কী করে পরীক্ষায় বসব জানি না। আমরা দুই বোন পরীক্ষা দিতে চাই।’

গ্রামবাসী সুজন মণ্ডলের পাল্টা অভিযোগ, যেখানে বসে শিশুরা বসে খেলা করে, সেখানে অপকর্ম করেছিলেন ওই প্রৌঢ়া। এই ঘটনার পর পাড়ায় সালিসিসভা ডাকা হয়, সেখানে পঞ্চায়েত সদস্যরাও ছিলেন। কিন্তু প্রৌঢ়া আসেননি বলে দাবি গ্রামবাসীদের। সুজন মণ্ডল বলেন, ‘কেউ ওঁকে গ্রাম থেকে তাড়িয়ে দেয়নি। উনি বাড়িতে যখন খুশি আসতে পারেন। কেউ বাধা দেবে না।’ হুগলি গ্রামীন পুলিশের ডিএসপি ক্রাইম অভিজিৎ সিনহা মহাপাত্র জানান, আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে। দুই মেয়ে যাতে পরীক্ষা দিতে পারে সেই ব্যবস্থা করা হবে।

Follow Us