Asit Majumdar: ‘তিন দিনের যোগী…’, দেবাংশুর হয়ে দেওয়াল লিখলেও রচনায় গোঁসা অসিতের
West Bengal assembly election: চুঁচুড়ার বিদায়ী বিধায়ক অসিত তাঁর এলাকার যে সব স্কুল কলেজ প্রতিষ্ঠানে পরিচালন সমিতিতে ছিলেন, সেখান থেকে পদত্যাগ করেছেন। ব্যান্ডেল সার্ভে কলেজ থেকে তাঁকে এদিন চিঠি দিয়ে পদত্যাগ করতে বলা হয়। সেই প্রসঙ্গে অসিত বলেন, "সার্ভে কলেজ বলেছে আমি নাকি ২০২৪ সাল থেকে ওই কলেজের সদস্য। সেটা আমিই জানতাম না। কোনওদিন একটাও মিটিংয়ে আমি যাইনি।"

চুঁচুড়া: টিকিট না পেয়ে গোঁসা হয়েছিল। তবে সেই ক্ষোভ যে কিছুটা কমেছে, তা স্পষ্ট। শুক্রবার চুঁচড়ার বিদায়ী বিধায়ক অসিত মজুমদারকে দেখা গেল, তৃণমূল প্রার্থী দেবাংশু ভট্টাচার্যের হয়ে দেওয়াল লিখতে। তবে এলাকার সাংসদ রচনা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নাম শুনেই ক্ষিপ্ত হয়ে উঠলেন। খোঁচাও দিলেন।
বিধানসভা নির্বাচনে টিকিট না পাওয়ার পর আক্ষেপের সুরে বলেছিলেন, তিনি আর দল করবেন না। তৃণমূল তাঁকে প্রচারে নামতে বললে কী করবেন, সেই প্রশ্নের উত্তরে বলেছিলেন, “দল কাজ করতে বললেই করতে হবে নাকি? আমি ঠ্যাকা নিয়েছি নাকি। আমি চাকর নাকি?” প্রকাশ্যে সেই ক্ষোভ যে নেই, তা এদিন দেখা গেল। অবশেষে চুঁচুড়ার তৃণমূল প্রার্থী দেবাংশু ভট্টাচার্যের হয়ে প্রচার শুরু করলেন অসিত মজুমদার।পোলবার সুগন্ধার অমরপুরে নিজেই রং তুলি দিয়ে দেওয়াল লেখেন। সঙ্গে ছিলেন দলের স্থানীয় নেতৃত্ব। জানা গিয়েছে, তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে ফোনে কথা বলার পর অভিমানে প্রলেপ পড়ে অসিতের। তাই, এদিন দলের প্রার্থীর হয়ে প্রচারে নেমে পড়লেন।

দেবাংশ ভট্টাচার্যের সমর্থনে দেওয়াল লিখছেন অসিত মজুমদার
তবে হুগলির সাংসদ রচনা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নাম শুনেই এদিন ফোঁস করে ওঠেন বিদায়ী বিধায়ক। অসিত মজুমদারের নাম না করে এদিন হুগলির সাংসদ রচনা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, আগের প্রার্থীদের ফিরিয়ে আনতে গেলে তাঁর ভালো ব্যবহার, মানুষের আস্থা বিশ্বাস, ভালোবাসা অর্জন করা প্রয়োজন। সেই প্রসঙ্গে অসিত মজুমদার বলেন, “তিন দিনের যোগী ভাতকে বলে অন্ন। ওকে নিয়ে আমি কিছু বলতে চাই না।”
এদিকে, চুঁচুড়ার বিদায়ী বিধায়ক অসিত তাঁর এলাকার যে সব স্কুল কলেজ প্রতিষ্ঠানে পরিচালন সমিতিতে ছিলেন, সেখান থেকে পদত্যাগ করেছেন। ব্যান্ডেল সার্ভে কলেজ থেকে তাঁকে এদিন চিঠি দিয়ে পদত্যাগ করতে বলা হয়। সেই প্রসঙ্গে অসিত বলেন, “সার্ভে কলেজ বলেছে আমি নাকি ২০২৪ সাল থেকে ওই কলেজের সদস্য। সেটা আমিই জানতাম না। কোনওদিন একটাও মিটিংয়ে আমি যাইনি।”
