TMC campaigning at Chinsurah: ‘এরাই প্রিসাইডিং অফিসার হবে, তখন যেন পাশে থাকে’, কাদের বললেন অসিত?
West Bengal assembly election 2026: তৃণমূলকে কটাক্ষ করে চুঁচুড়ার বিজেপি প্রার্থী সুবীর নাগের বক্তব্য, "ওই রাজনৈতিক দলের সভায় যে সব শিক্ষক রয়েছেন, তাঁরা ঠিকভাবে চাকরি পাননি। তবেই তাঁরা শাসকদলের ছত্রছায়ায় যাচ্ছেন। যাঁরা শূন্য পেয়ে চাকরি পেয়েছেন, তাঁরা ওই সংগঠনের মাথা হয়ে বসে রয়েছেন।"

চুঁচুড়া: বাংলায় অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন করতে সবরকম পদক্ষেপ করা হচ্ছে। নির্বাচনের দিনক্ষণ ঘোষণা করেই জানিয়েছিল নির্বাচন কমিশন। ভোটগ্রহণের ক্ষেত্রে প্রিসাইডিং অফিসারদের ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ। আর শুক্রবার নির্বাচনী প্রচারে প্রিসাইডিং অফিসারদের নিয়েই চুঁচুড়ার বিদায়ী বিধায়ক অসিত মজুমদারের মন্তব্যে নতুন করে বিতর্ক বাধল। কী বললেন তৃণমূলের বিদায়ী বিধায়ক?
এদিন চুঁচুড়ার তৃণমূল প্রার্থী দেবাংশু ভট্টাচার্যকে সঙ্গে নিয়ে প্রচারে নামেন অসিত মজুমদার। সুগন্ধার অমরপুরে দেবাংশু ভট্টাচার্যকে পশ্চিমবঙ্গ তৃণমূল প্রাথমিক শিক্ষক সংগঠনের পক্ষ থেকে সংবর্ধনা দেওয়া হয়। স্টেজে প্রাথমিক শিক্ষক সংগঠনের প্রতিনিধিদের ডেকে নেওয়ার সময় অসিত বলেন, “ইভিএম-এ দেবাংশুর যে বোতাম হবে, সেই বোতাম যেন টিপতে টিপতে নিচু হয়ে যায়।” বিদায়ী বিধায়কের কথা শুনে হেসে ওঠেন সবায় উপস্থিত তৃণমূল কর্মী সমর্থকরা।
এরপরই তৃণমূলের প্রাথমিক শিক্ষক সংগঠনের প্রতিনিধিদের উদ্দেশে অসিত মজুমদার বলেন, “প্রাথমিক শিক্ষক সংগঠন দেবাংশুকে ভালোবাসা উজাড় করে দিচ্ছে। এরাই প্রিসাইডিং অফিসার হবে। মনে রাখবেন, তখন যেন আমাদের পাশে থাকে।”
একজন প্রিসাইডিং অফিসার কী করে কোনও দলের পাশে থাকবে, তা নিয়ে প্রশ্ন উঠতে শুরু করে। অসিতের এই বক্তব্য আদর্শ আচরণবিধি লঙ্ঘন করেছে কি না, তা নিয়ে প্রশ্ন উঠছে।
এই নিয়ে তৃণমূলকে কটাক্ষ করে চুঁচুড়ার বিজেপি প্রার্থী সুবীর নাগের বক্তব্য, “ওই রাজনৈতিক দলের সভায় যে সব শিক্ষক রয়েছেন, তাঁরা ঠিকভাবে চাকরি পাননি। তবেই তাঁরা শাসকদলের ছত্রছায়ায় যাচ্ছেন। যাঁরা শূন্য পেয়ে চাকরি পেয়েছেন, তাঁরা ওই সংগঠনের মাথা হয়ে বসে রয়েছেন। আমরা দেখতে চাই, কোনও প্রিসাইডিং অফিসার এমন কিছু করে দিক, বোতামটা টিপতে টিপতে নিচু হয়ে যাক। আর সব ভোট ওদিকে চলে যাক। এরকম আজব কল্পনা যদি কারও মাথায় আসে, তা হলে তা শুধু এদের মাথাতেই আসে। এরাও জানে কী হবে। এইসব আজগুবি কথা বলে লোকের মন ভোলানোর চেষ্টা করছে।”
