Locket Chatterjee: ‘নিখোঁজ’ লকেটকে খুঁজতে পোস্টার! ভোটের আগে এ কী কাণ্ড!
Locket Chatterjee: রবিবার পাণ্ডুয়া, চন্দননগর-সহ বিভিন্ন জায়গায় এই পোস্টার নজরে আসে। এ বিষয়ে চুঁচুড়ার বিধায়ক অসিত মজুমদার খোঁচার সুরে বলেন, "লকেটকে দেখা যায় তো, ভোট এলে যে দেখা যায়।" তবে বিজেপির হুগলি সাংগঠনিক জেলা সভাপতি তুষার মজুমদার বলেন, "যারা অন্ধ, তারাই দেখতে পায় না। তারাই এই পোস্টার মেরেছে। মনে হয় তাদের চোখের ডাক্তার দেখানো দরকার।" একইসঙ্গে তিনি বলেন, বিজেপি এবার ৪০০ পার করবে। তৃণমূলকে সেই ভয়ই কাঁপাচ্ছে।
হুগলি: পঞ্চম দফায় ভোট হুগলিতে। তার আগে বিজেপির বিদায়ী সাংসদের নামে পড়ল ‘নিখোঁজ’ পোস্টার। চুঁচুড়া স্টেশন রোড, ফার্ম সাইড রোড-সহ বিভিন্ন জায়গায় হুগলির বিদায়ী সাংসদ তথা বিজেপি প্রার্থী লকেট চট্টোপাধ্যায়ের নামে এই পোস্টার ঘিরে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। যদিও বিজেপির হুগলি সাংগঠনিক জেলা সভাপতি তুষার মজুমদার বলেন, “যারা অন্ধ তারা দেখতে পায় না।”
পঞ্চম দফায় ২০ মে হুগলি লোকসভা কেন্দ্রে ভোট। বিজেপি এবারও এখানে লকেট চট্টোপাধ্যায়কে প্রার্থী করেছে। তৃণমূলের চমক রচনা বন্দ্যোপাধ্য়ায়। শেষ ওভারের প্রচার চলছে। এরইমধ্যে লকেটের নামে পড়ল পোস্টার। তাতে লেখা, ‘লকেট মানে পালাই।’
এই প্রথমবার নয়। এর আগেও হুগলির বিভিন্ন জায়গায় লকেটের নামে পোস্টার দেখা গিয়েছে। যদিও এই ঘটনাকে তৃণমূলের মস্তিষ্কপ্রসূত বলেই দাবি বিজেপির। তবে ভোটের মুখে এ ঘটনা নতুন করে চর্চায়।
বারবারই তৃণমূলের অভিযোগ, সাংসদ লকেট চট্টোপাধ্যায় তাঁর সংসদীয় এলাকায় থাকেনই না। লকেটের প্রার্থী হওয়া নিয়েও নানা মহলে নানা সম্ভাবনার কথা শোনা গিয়েছিল। শনিবারই বাঁশবেড়িয়ায় বিজেপির দুই পদাধিকারী দল ছেড়ে তৃণমূলে যোগ দেন।

এরইমধ্যে রবিবার পাণ্ডুয়া, চন্দননগর-সহ বিভিন্ন জায়গায় এই পোস্টার নজরে আসে। এ বিষয়ে চুঁচুড়ার বিধায়ক অসিত মজুমদার খোঁচার সুরে বলেন, “লকেটকে দেখা যায় তো, ভোট এলে যে দেখা যায়।” তবে বিজেপির হুগলি সাংগঠনিক জেলা সভাপতি তুষার মজুমদার বলেন, “যারা অন্ধ, তারাই দেখতে পায় না। তারাই এই পোস্টার মেরেছে। মনে হয় তাদের চোখের ডাক্তার দেখানো দরকার।” একইসঙ্গে তিনি বলেন, বিজেপি এবার ৪০০ পার করবে। তৃণমূলকে সেই ভয়ই কাঁপাচ্ছে।
