SIR: ‘বিএলও আমাকে বলেছিলেন বটে…’, তবুও আট মাসের অন্তঃসত্ত্বা মেয়েকে শুনানিতে নিয়ে এলেন বাবা, কারণ যা বললেন…

SIR In WB: নেহার বাবা বললেন, "আসলে ওর আজকে হিয়ারিংয়ের তারিখ ছিল। আমি বিএলও-কে বলেছিলাম। বিএলও বলল আজ তো, পরে বাড়ি গিয়ে হিয়ারিং হবে। কিন্তু সেটা কবে হবে, তা স্পষ্ট করে বলতে পারেননি। এটা অনিশ্চিত। আজকেই নিয়ে চলে এলাম। কাজ হয়ে গেল। আর পরবর্তীকালে আর ডাকবে কিনা কে জানে!"

SIR: বিএলও আমাকে বলেছিলেন বটে..., তবুও আট মাসের অন্তঃসত্ত্বা মেয়েকে শুনানিতে নিয়ে এলেন বাবা, কারণ যা বললেন...
শুনানিতে অন্তঃসত্ত্বা ও বিশেষভাবে সক্ষমরাImage Credit source: TV9 Bangla

| Edited By: শর্মিষ্ঠা চক্রবর্তী

Jan 04, 2026 | 3:09 PM

হুগলি: আট মাসের অন্তঃসত্ত্বা, শরীরে একাধিক অসুস্থতা, তবুও এই কুয়াশাচ্ছন্ন ভোরে ফুরফুরে হাওয়ার মধ্যে হাজিরা দিলেন তিনি। নেহা পোদ্দার। হুগলির পাখিরায় বাপের বাড়ি। শ্বশুর বাড়ি তারকেশ্বরের বালিগরী এলাকায়। জানা গিয়েছে,  বাবা সঞ্জয় পোদ্দার , মা নীলম পোদ্দারের নাম ২০০২ সালের ভোটার তালিকায় ছিল না। তাই ডেকে পাঠানো হয়েছে তাঁকে। আজ নেহার শুনানির দিন। কিন্তু নির্বাচন কমিশন আগেই স্পষ্ট করেছিল, ৮৫ বছরের উর্ধ্বে ও অন্তঃসত্ত্বা কিংবা অসুস্থদের ক্ষেত্রে বাড়ি গিয়ে শুনানি হবে। তবুও নেহাকে কেন আসতে হল? তাহলে কি নির্বাচন কমিশনের গাইডলাইন সেভাবে মানা হচ্ছে না, এই ঘটনা আরও একবার প্রশ্ন তুলল।

নেহার বাবা বললেন, “আসলে ওর আজকে হিয়ারিংয়ের তারিখ ছিল। আমি বিএলও-কে বলেছিলাম। বিএলও বলল আজ তো, পরে বাড়ি গিয়ে হিয়ারিং হবে। কিন্তু সেটা কবে হবে, তা স্পষ্ট করে বলতে পারেননি। এটা অনিশ্চিত। আজকেই নিয়ে চলে এলাম। কাজ হয়ে গেল। আর পরবর্তীকালে আর ডাকবে কিনা কে জানে!”

এদিন তারকেশ্বর বিডিও অফিসে হাজিরা দেন তারকেশ্বরের বালিগরী দুই নম্বর পঞ্চায়েতের বাসিন্দা রাখি মণ্ডল ও তাঁর স্বামী সমীর। দুজনেই পুরোপুরি ভাবেই চোখে দেখতে পান না। যদিও বর্তমানে তাঁরা কলকাতায় থাকেন এবং উচ্চ শিক্ষার জন্য পড়াশোনা করছেন। আজ তারা কলকাতা থেকেই স্বতঃস্ফূর্তভাবে তারকেশ্বরে শুনানিতে হাজিরা দিতে আসেন। যদিও তাঁদের দাবি, এই প্রতিবন্ধকতাকে প্রতিবন্ধকতা হিসেবে দেখতে চান না, বরং যাঁরা শারীরিকভাবে অক্ষম তাদের জন্য নির্বাচন কমিশনের নির্দেশিকা ঠিক আছে। কিন্তু তারা যেহেতু হাঁটাচলা করতে পারেন, সে কারণে শুনানিতে হাজিরা দিতে তাদের কোন অসুবিধা হয়নি।