Suvendu Adhikari: ‘শুনানি কেন্দ্র নাকি মাছের বাজার?’, ভিডিয়ো পোস্ট করে প্রশ্ন শুভেন্দুর
Suvendu Adhikari: এই গোটা বিষয়ে পুলিশের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন শুভেন্দু। তাঁর কথায়, "জনতা ইচ্ছামতো কেন্দ্রগুলোতে ভাঙচুর চালায়, আসবাবপত্র ভাঙে, নথি নষ্ট করে, কর্মকর্তাদের ওপর হামলা করে, অথচ পুলিশ মেরুদণ্ডহীন দর্শকের মতো পাশে দাঁড়িয়ে থাকে, হস্তক্ষেপ করার জন্য কিছুই করে না এবং মাননীয় সুপ্রিম কোর্টের আদেশ উপেক্ষা করে।"

হুগলি: এসআইআর হিয়ারিং সেন্টার নাকি মাছের বাজার? তারকেশ্বর বিডিও অফিসের সামনে শুনানি চলাকালীন তৃণমূল নেতার মাইকে বক্তব্য রাখার ভিডিয়ো সামাজিক মাধ্যমে পোস্ট করে খোঁচা দিলেন রাজ্য বিধানসভার বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। শুভেন্দু অধিকারী লেখেন, “পশ্চিমবঙ্গের এসআইআর হিয়ারিং সেন্টারগুলোতে নৈরাজ্যই এখন নিত্যদিনের ঘটনা, যা তৃণমূল নেতারা করছেন এবং তারা প্রকাশ্যেই গেটের সামনে, এমনকি প্রতিষ্ঠানের ভেতরেও বিদ্বেষপূর্ণ বক্তব্য দিয়ে জনতাকে উস্কে দিচ্ছেন।”
SIR Hearing Centers or Fish Markets???
Across SIR Hearing Centers in West Bengal, lawlessness is the order of the day, orchestrated by TMC leaders who brazenly incite mobs with hateful speeches right at the gates and even inside the premises. These goons barge into hearing… pic.twitter.com/fhKKPBikK8
— Suvendu Adhikari (@SuvenduWB) January 23, 2026
তাঁর অভিযোগ, শুনানি কেন্দ্রের মধ্যেই ঢুকে পড়ছেন তৃণমূলের নেতারা। শুনানির কাজে বাধা তৈরি করছেন। শুভেন্দুর কথায়, “গণতন্ত্রকে প্রহসনে পরিণত করেছে।” মুর্শিদাবাদের ফরাক্কা থেকে যে অধ্যায়ের সূচনা হয়েছিল, অর্থাৎ এসআইআর-এ শুনানিতে হেনস্থার অভিযোগ তুলে বিডিও অফিসে ভাঙচুর, সে প্রসঙ্গও উত্থাপন করেন শুভেন্দু। ফরাক্কার পর চাকুলিয়া, সন্দেশখালি ১ নম্বর ব্লক, ইটাহার- বিডিও অফিস কিংবা শুনানিকেন্দ্রে ভাঙচুর, কার্যত এটা একটা সংক্রমিত ‘ব্যধিতে’ পরিণত হয়েছে।
এই গোটা বিষয়ে পুলিশের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন শুভেন্দু। তাঁর কথায়, “জনতা ইচ্ছামতো কেন্দ্রগুলোতে ভাঙচুর চালায়, আসবাবপত্র ভাঙে, নথি নষ্ট করে, কর্মকর্তাদের ওপর হামলা করে, অথচ পুলিশ মেরুদণ্ডহীন দর্শকের মতো পাশে দাঁড়িয়ে থাকে, হস্তক্ষেপ করার জন্য কিছুই করে না এবং মাননীয় সুপ্রিম কোর্টের আদেশ উপেক্ষা করে।”
উল্লেখ্য, গত ১৪ জানুয়ারি দুপুরে ধন্ধুমার পরিস্থিতি তৈরি হয় ফরাক্কার বিডিও অফিসে। সেক্ষেত্রে মূল অভিযুক্তের তালিকায় খোদ বিধায়ক মনিরুল ইসলাম। ইতিমধ্যেই নির্বাচন কমিশন তাঁর বিরুদ্ধে এফআইআর দায়ের করার নির্দেশ দিয়েছে। যদিও এখনও পর্যন্ত তা হয়নি। তার আগেই ইআরও-র কাছে চিঠি পাঠিয়েছেন মনিরুল। সেখানে অবশ্য তিনি উল্লেখ করেছেন, কমিশনের প্রতি তিনি শ্রদ্ধাশীল। কমিশনের কোনও কাজেই তিনি ব্যাঘাত ঘটাতে চান না। এই নিয়ে জলঘোলা চলছিল। তার মধ্যেই এবার পোস্ট করলেন বিরোধী দলনেতা।
