TMC: তৃণমূল কর্মীকে মারধর, পরে মৃত্যু! বিজেপির দিকেই সমস্ত অভিযোগ শাসকদলের
Arambag: খানাকুলের রামচন্দ্রপুরের ঘটনা। নিহতের নাম মনোরঞ্জন দিগর (৪৫)। তৃণমূলের দাবি, বিজেপির লোকজনের মারে আহত হয়েছিলেন তিনি। তাতেই এই মৃত্যু। পাল্টা বিজেপির দাবি, হৃদরোগে আক্রান্ত হন মনোরঞ্জন। তৃণমূল এতে রাজনীতির রং লাগাচ্ছে।

আরামবাগ: ভোট মিটলেও অশান্ত আরামবাগের বিভিন্ন এলাকা। খানাকুল, গোঘাট-সহ একাধিক জায়গায় অশান্তির খবর আসছে। এরইমধ্যে এক তৃণমূল কর্মীর মৃত্যু ঘিরে দানা বাধল বিতর্ক। খানাকুলের রামচন্দ্রপুরের ঘটনা। নিহতের নাম মনোরঞ্জন দিগর (৪৫)। তৃণমূলের দাবি, বিজেপির লোকজনের মারে আহত হয়েছিলেন তিনি। তাতেই এই মৃত্যু। পাল্টা বিজেপির দাবি, হৃদরোগে আক্রান্ত হন মনোরঞ্জন। তৃণমূল এতে রাজনীতির রং লাগাচ্ছে।
রবিবার রাতে রামচন্দ্রপুরে মারা যান মনোরঞ্জন দিগর। স্থানীয় তৃণমূল কর্মী নূরনবী মণ্ডল বলেন, “লোকসভা ভোটের আগের রাতে রামচন্দ্রপুরে বিজেপির ৪০-৫০ জন হামলা করে। আমাদের ১০-১২ জন আহত হন তাতে। এরমধ্যে মনোরঞ্জনের আঘাত বেশি ছিল। ওকে খানাকুল থেকে আরামবাগ হাসপাতালে ভর্তি করাতে হয়। ৫-৬ দিন আরামবাগ হাসপাতালে চিকিৎসার পর বাড়ি ফেরেন। তবে পরে নানা শারীরিক সমস্যা হচ্ছিল। গতকাল রাতে মাথার সেলাইয়ের জায়গায় ব্যথা হতে শুরু করে। মুখ দিয়ে রক্ত বেরোতে থাকে। মারা যান উনি।”
ইতিমধ্যেই খানাকুল থানায় খুনের অভিযোগ দায়ের হয়েছে। তবে খানাকুলের বিজেপি বিধায়ক সুশান্ত ঘোষের দাবি, গত ১৯ মে রাতে হামলা চালানো হয়েছিল। বাইকে একদল যুবক বেরিয়ে তাঁদের পঞ্চায়েতের উপপ্রধানকে কোপায়। তৃণমূলেরও কয়েকজন জখম হন। সুশান্তের কথায়, “মনোরঞ্জন দিগর গতকাল রাতে হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে মারা যান। এদিকে আমাদের কাছে খবর আছে যেদিন উনি হাসপাতালে ভর্তি হন, পরদিনই তাঁকে সার্টিফিকেট দিয়ে ছেড়ে দেওয়া হয়। উনি সুস্থ ছিলেন, কালও কাজ করে বাড়ি ফিরেছেন। ইঞ্জিন ভ্যানে পাথর, বালি নিয়ে গিয়েছেন। হৃদরোগে আক্রান্ত হন বলে শুনেছি। তৃণমূল এটা নিয়ে নোংরা রাজনীতি করছে।”
