Domjur College Burqa Controversy: বোরখা পরা নিয়ে কলেজে ফতোয়া, বিতর্কের মুখে পরে চাইলেন ক্ষমা
Burqa ‘Fatwa’ Remark: ভিডিয়োটি ভাইরাল হওয়ার পর আজ দেখা যায়, সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের অনেক ছাত্রী তাঁদের অভিভাবকদের সঙ্গে নিয়ে কলেজে এসেছেন। এক অভিভাবক বলেন, "আগে এমন পরিস্থিতি ছিল না, এখন খুব ভয় লাগছে। এভাবে কারও পোশাক নিয়ে ফতোয়া জারি করা মেনে নেওয়া যায় না।"

হাওড়া: কলেজে বোরখা পরে ঢোকার ওপর নিষেধাজ্ঞা বা ‘ফতোয়া’ জারির ঘটনায় তীব্র চাঞ্চল্য ডোমজুড় আজাদ হিন্দ ফৌজ স্মৃতি মহাবিদ্যালয়ে। তবে বিতর্কের মুখে পড়ে শেষ পর্যন্ত নিজের মন্তব্যের জন্য ক্ষমা চাইলেন ওই ব্যক্তি। তিনি প্রথমে নিজেকে বিজেপি সমর্থক বলে দাবি করলেও, ABVP-র তরফে স্পষ্ট করে দেওয়া হয়েছে, ওই ব্যক্তি সংগঠনের কেউ নন।
গত ৫ তারিখ নির্বাচনের ফল প্রকাশের পর কলেজের গেটের সামনে অখিল ভারতীয় বিদ্যার্থী পরিষদের (ABVP) একটি কর্মসূচি চলাকালীন এক ব্যক্তিকে বলতে শোনা যায়, “বোরখা পরে কলেজে আসা যাবে না, এটা কোনও মাদ্রাসা নয়।” এই ভিডিয়ো সমাজমাধ্যমে ভাইরাল হতেই এলাকায় উত্তেজনা ছড়ায়। সেই দিনই এবিভিপি সদস্যরা কলেজের সামনে তৃণমূলের পতাকা ও কাগজপত্রে আগুন ধরিয়ে দেন বলে অভিযোগ।
ভিডিয়োটি ভাইরাল হওয়ার পর আজ দেখা যায়, সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের অনেক ছাত্রী তাঁদের অভিভাবকদের সঙ্গে নিয়ে কলেজে এসেছেন। এক অভিভাবক বলেন, “আগে এমন পরিস্থিতি ছিল না, এখন খুব ভয় লাগছে। এভাবে কারও পোশাক নিয়ে ফতোয়া জারি করা মেনে নেওয়া যায় না।”
বিতর্ক দানা বাঁধতেই এবিভিপি-র পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, ওই ব্যক্তি সংগঠনের কেউ নন। যদিও ভিডিয়োতে দেখা গিয়েছে, তিনি যখন স্লোগান দিচ্ছিলেন, তখন উপস্থিত সংগঠনের কেউ প্রতিবাদ করেননি। অভিযুক্ত ব্যক্তি, রাজীব মাহান্ত, নিজেকে বিজেপি সমর্থক বলে পরিচয় দিয়েছেন। তিনি বলেন, “আবেগের বশে সেদিন ওরকম বলে ফেলেছিলাম। আমি আমার বক্তব্যের জন্য ক্ষমাপ্রার্থী।”
কলেজের অধ্যাপক ডঃ পলাশ বন্দ্যোপাধ্যায় ছাত্রছাত্রীদের আশ্বস্ত করে জানিয়েছেন, “ভয়ের কোনও কারণ নেই। পুলিশ অভিযুক্তকে চিহ্নিত করে সাবধান করে দিয়েছে। কলেজ কর্তৃপক্ষ সবসময় ছাত্রছাত্রীদের পাশে আছে এবং পঠনপাঠনের স্বাভাবিক পরিবেশ বজায় রাখতে সচেষ্ট।”
