AQI
TV9 Network
User
Sign In

By signing in or creating an account, you agree with Associated Broadcasting Company's Terms & Conditions and Privacy Policy.

Howrah: পাঁচতলা বাড়ির প্রত্যেক ফ্লোরে আলাদা হোটেল, হাওড়া স্টেশনের কাছেই বিপজ্জনক ছবি

স্টেশন লাগোয়া ডবসন লেনের একটি পাঁচতলা বাড়ির প্রত্যেকটি ফ্লোরে আলাদা আলাদা লজ বা হোটেল রয়েছে। আগে এটা বসতবাড়ি থাকলেও, বর্তমানে গোটা বাড়িকেই হোটেল হিসাবে ব্যবহার করা হচ্ছে। হাওড়া স্টেশনের কাছে হওয়ায় এই হোটেলগুলিতে সারাবছর অতিথিদের ভিড় লেগেই থাকে।

Howrah: পাঁচতলা বাড়ির প্রত্যেক ফ্লোরে আলাদা হোটেল, হাওড়া স্টেশনের কাছেই বিপজ্জনক ছবি
হাওড়ার হোটেলImage Credit: TV9 Bangla
| Edited By: | Updated on: Aug 20, 2026 | 3:37 PM
Share

হাওড়া: তারাপীঠের পর মির্জা গালিব স্ট্রিটের অগ্নিকাণ্ডে সব মিলিয়ে ১৮ জনের মৃত্যু হয়েছে। তারপর থেকেই আগুন নিয়ন্ত্রণের পরিস্থিতি দেখতে অভিযান চালাচ্ছে রাজ্য প্রশাসন। এখনও রাজ্যের একাধিক জায়গায় হোটেলের চেহারা দেখলে কার্যত জতুগৃহ বলেই মনে হচ্ছে। হাওড়া স্টেশন লাগোয়া হোটেল এবং লজগুলিও কার্যত জতুগৃহে পরিণত হয়েছে। অনেক জায়গায় বসতবাড়িকে হোটেল হিসেবে ব্যবহার করা হচ্ছে। ঘিঞ্জি ঘরগুলোতে বাইরে থেকে অতিথিরা গিয়ে সেখানেই থাকতে বাধ্য হচ্ছেন। পুরনো বাড়িতে যেখানে সেখানে ঝুলছে বিদ্যুতের ছেঁড়া তার। যে কোনও মুহূর্তে ঘটে যেতে পারে বড়সড় দুর্ঘটনা। হুঁশ নেই প্রশাসনের।

দমকলের আগুন নির্বাপন আইনকে কার্যত বুড়ো আঙুল দেখিয়ে হাওড়া স্টেশন লাগোয়া হোটেলগুলিতে রমরমিয়ে চলছে ব্যবসা। এখানে ছোট-বড় মিলিয়ে প্রায় ২০০ হোটেল আছে।

স্টেশন লাগোয়া ডবসন লেনের একটি পাঁচতলা বাড়ির প্রত্যেকটি ফ্লোরে আলাদা আলাদা লজ বা হোটেল রয়েছে। আগে এটা বসতবাড়ি থাকলেও, বর্তমানে গোটা বাড়িকেই হোটেল হিসাবে ব্যবহার করা হচ্ছে। হাওড়া স্টেশনের কাছে হওয়ায় এই হোটেলগুলিতে সারাবছর অতিথিদের ভিড় লেগেই থাকে। এই হোটেল গুলির সিঁড়ি দমকল আইন অনুযায়ী ২.৫০ মিটার বলা থাকলেও কার্যত প্রস্থ এক মিটার নয়।

পাঁচতলা বাড়ি হলে কমপক্ষে দুটি এক্সিট পয়েন্টের কথা বলা থাকলেও একই সিঁড়ি দিয়ে ওঠানামা করছেন অতিথিরা। আইন অনুযায়ী ছাদে ১০,০০০ লিটারের ট্যাঙ্ক বা আন্ডারগ্রাউন্ড রিজার্ভারের কথা বলা থাকলেও সেখানে কার্যত কিছুই নেই। নেই স্প্রিঙ্কলার, ফোর্স পাইপ এবং ফায়ার এলার্ম সিস্টেম। ইলেকট্রিক্যাল শর্ট সার্কিট থেকে আগুন লাগলে বেরনোর কোনও পথ না থাকায় যে কোনও মুহূর্তে ঘটে যেতে পারে বড়সড় দুর্ঘটনা। এমনটাই মনে করছেন এখানকার কর্মীরা। অনেক ছোট ছোট লজ বা হোটেলে দমকলের লাইসেন্সটুকু পর্যন্ত নেই।

দমকলের পক্ষ থেকে দাবি করা হয়েছে, এইসব হোটেলগুলিতে মাঝে মাঝে নোটিস দেওয়া হয়। অগ্নিনির্বাপনের বন্দোবস্ত খতিয়ে দেখা হয়। তবে হোটেলকর্মীরা জানিয়েছেন দমকল কর্মীরা পরিদর্শনে আসেন না। অন্যদিকে রাজ্যের পুর প্রতিমন্ত্রী উমেশ রাই সরাসরি জানিয়েছেন হাওড়ায় অবৈধ হোটেল, গেস্ট হাউস বা লজ গুলো আজকের নয় দীর্ঘদিন ধরে তারা এখানে অবৈধভাবে রমনীয় ব্যবসা করছে। বর্তমানে পুরসভার তরফ থেকে এসব হোটেল বা লজ গুলোর নির্দিষ্ট ফায়ার পারমিশন লাইসেন্স আছে কি না, অগ্নি নির্বাপন ব্যবস্থা সঠিকভাবে রয়েছে কি না, তা খতিয়ে দেখতেই একটি বিশেষ টিম তৈরি করা হয়েছে।

Follow Us