Murder Case: ঝগড়ার মাঝেই বউকে সজোরে ধাক্কা, সব শেষ! সোজা তিন ছেলে নিয়ে নিজেই থানা গেল যুবক
Murder: সেই সময় ঘরের বাইরের মাঠে বসেছিল ওই দম্পতির তিন ছেলে। চিৎকার শুনে ছুটে আসে তারাও। কিন্তু ততক্ষণে সব শেষ। এরইমধ্যে স্ত্রীর মৃত্যু হয়েছে বুঝতে পেরে বেগতিক বুঝে এরপর তিন সন্তানকে সঙ্গে নিয়ে সটান থানায় হাজির হয় অভিযুক্ত। যদিও তার এই কর্মকাণ্ড শুনে থ পুলিশ কর্মীরাও।

বালি: পারিবারিক অশান্তির জেরে স্ত্রীকে ধাক্কা মেরে খুনের অভিযোগ স্বামীর বিরুদ্ধে। শনিবার রাতে ঘটনাটি ঘটেছে বালি জুটমিলের শ্রমিক পাড়ায়। ঘটনার পর তিন নাবালক সন্তানকে সঙ্গে নিয়ে নিজেই থানায় গিয়ে পুলিশের কাছে আত্মসমর্পণ করে অভিযুক্ত স্বামী। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে গোটা এলাকায়।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, অভিযুক্তের নাম মহম্মদ জাভেদ (৩৭)। কাজ করতেন বালি জুটমিলেই। স্ত্রী শাকিলা খাতুন ও তিন ছেলেকে নিয়ে থাকতেন শ্রমিক মহল্লার ২০২ নম্বর কোয়ার্টারে। প্রতিবেশীদের দাবি, স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে প্রায় প্রতিদিনই কোনও না কোনও বিষয় নিয়ে অশান্তি লেগেই থাকত। অনেক সময় তা হাতাহাতিতেও গড়াত। কিন্তু তার পরিণামে যে এত বড় ঘটনা ঘটে যাবে তা ভাবতে পারেননি কেউই।
সূত্রের খবর, শনিবার রাত ১১টা নাগাদ জাভেদ কাজ থেকে বাড়ি ফেরার পর ফের স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে বচসা শুরু হয়। অভিযোগ, কথা কাটাকাটি চলাকালীন রাগের বশে স্ত্রী শাকিলাকে সজোরে ধাক্কা মারেন জাভেদ। ছিটকে গিয়ে দেওয়ালে সজোরে মাথা ঠুকে যায় ওই গৃহবধূর। মাথার পিছনের খুলি ফেটে গলগল করে রক্ত বেরোতে শুরু করে। এরপরই জ্ঞান হারিয়ে খাটের ওপর লুটিয়ে পড়েন তিনি। অতিরিক্ত রক্তক্ষরণের জেরে ঘটনাস্থলেই তাঁর মৃত্যু হয় বলে জানাচ্ছেন প্রতিবেশীরা।
সেই সময় ঘরের বাইরের মাঠে বসেছিল ওই দম্পতির তিন ছেলে। চিৎকার শুনে ছুটে আসে তারাও। কিন্তু ততক্ষণে সব শেষ। এরইমধ্যে স্ত্রীর মৃত্যু হয়েছে বুঝতে পেরে বেগতিক বুঝে এরপর তিন সন্তানকে সঙ্গে নিয়ে সটান থানায় হাজির হয় অভিযুক্ত। যদিও তার এই কর্মকাণ্ড শুনে থ পুলিশ কর্মীরাও। গোটা বয়ান শোনার পরই তড়িঘড়ি মৃতদেহটি উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠায় পুলিশ। তারপরই গ্রেফতার করা হয় জাভেদকে।
