Bakery Murder Case: ডিভোর্স নিয়ে ঠাট্টা ম্যানেজারের, সবক শেখাতে যা করল…, একটা ফুটেজেই রহস্য ফাঁস
Crime News: শুক্রবার সাতসকালে জলপাইগুড়ি পৌরসভার ১০ নং ওয়ার্ডের নয়াবস্তি এলাকায় হাড়হিম করা হত্যাকাণ্ড ঘটে। বেকারির মধ্যে ঢুকে ম্যানেজারকে খুন করা হয়। মৃতের নাম হাফিজুর রহমান (৫৫)। স্থানীয় প্যারিস বেকারিতে কাজ করতেন।

জলপাইগুড়ি: বেকারির মধ্যে ঢুকে খুন করা হয়েছিল ম্যানেজারকে। অভিযুক্তকে জিজ্ঞাসাবাদ করতেই উঠে এল চাঞ্চল্যকর তথ্য। জানা গেল, ডিভোর্স নিয়ে ইয়ার্কি মারায় তাঁর প্রতিশোধ নিতেই খুন করা হয়েছে।
বেকারি ম্যানেজার খুনে উঠে এল নয়া তথ্য। ইয়ার্কি-ঠাট্টার জেরে খুন হতে হল বেকারি ম্যানেজারকে। ধৃতকে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদের পরই এই চাঞ্চল্য়কর তথ্য উঠে এসেছে। শুক্রবার সাতসকালে জলপাইগুড়ি পৌরসভার ১০ নং ওয়ার্ডের নয়াবস্তি এলাকায় হাড়হিম করা হত্যাকাণ্ড ঘটে। বেকারির মধ্যে ঢুকে ম্যানেজারকে খুন করা হয়। মৃতের নাম হাফিজুর রহমান (৫৫)। স্থানীয় প্যারিস বেকারিতে কাজ করতেন। হুগলির পুরশুড়া থানা এলাকার বাসিন্দা তিনি। গতকাল সকালে বেকারির ভিতর থেকে তাঁর রক্তাক্ত দেহ উদ্ধার হয়।
এর কয়েক ঘন্টার মধ্যেই মুর্শিদাবাদ জেলা থেকে বেকারির এক কর্মীকে আটক করা হয়। ঘটনার পর থেকে রহস্যজনকভাবে উধাও হয়ে গিয়েছিল ওই কর্মী। পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, অভিযুক্তের নাম নুর আলম (৩১)। মুর্শিদাবাদ জেলার সালার থানা এলাকার বাসিন্দা। তাঁর ডিভোর্স হয়েছে। আর এই নিয়ে তার সঙ্গে ইয়ার্কি-ঠাট্টা করতেন বেকারির ম্যানেজার হাফিজুর রহমান। সেটা মেনে নিতে পারেননি নুর আলম। তাই পরিকল্পনা করে খুন করেন।
ঘটনার আগের দিন বাড়ি যাবে বলে ছুটি নেয় অভিযুক্ত। কিন্তু ছুটি নিয়ে বাড়ি না গিয়ে, এলাকায় গা ঢাকা দিয়ে থাকে। এরপর বৃহস্পতিবার গভীর রাতে বেকারিতে ঢোকে। তারপর ম্যানেজারকে খুন করে এবং মুর্শিদাবাদ পালিয়ে যায়।
তবে শেষ রক্ষা হয়নি।পুলিশ সিসিটিভি ফুটেজ দেখে তাঁকে গ্রেফতার করে মুর্শিদাবাদ থেকে। আজ তাঁকে আদালতে তুলে হেফাজতে নেবে জলপাইগুড়ি কোতোয়ালি থানার পুলিশ।
