Jalpaiguri: শুক্রে ৫১ ফুটের সরস্বতী, টানাপোড়েন শেষে শনিতে নিরঞ্জন হল ২২ ফুটের রাম মূর্তি, বিদায়বেলায় চোখে জল উদ্যোক্তাদের
Jalpaiguri: জেলাশাসক ডাক দেন দমকলকে। নির্দেশ পেয়ে শনিবার বিকেলে মূর্তিটিকে নিরঞ্জন করেন দমকল কর্মীরা। তবে নিরঞ্জনের জন্যও বিশেষ আচার অনুষ্ঠান পালন করতে দেখা যায় এলাকার মহিলাদের।

জলপাইগুড়ি: একদিন আগেই ৫১ ফুটের সরস্বতী প্রতিমা গলিয়ে ফেলেছিলেন দমকল কর্মীরা। এবার দুধজল দিয়ে গলিয়ে দেওয়া হল ২২ ফুট রাম মূর্তি। চোখের জলে রাম লালাকে বিদায় জানালেন এলাকার মহিলারা। জলপাইগুড়ি রামলালা প্রাণ প্রতিষ্ঠা উদযাপন সমিতির উদ্যোগে শহরের বামনপাড়া ৫ নম্বর রেল ঘুমটি এলাকায় তৈরি করা হয়েছিল ২২ ফুটের রাম মূর্তি। গত ২২ শে জানুয়ারি অযোধ্যায় রামলালা মূর্তির প্রাণ প্রতিষ্ঠার সঙ্গে সময় মিলিয়ে জলপাইগুড়িতেও প্রান প্রতিষ্ঠা করা হয়। এরপর ৩ দিন ধরে চলে পূজো পাঠ। কিন্তু, মূর্তিটি নিরঞ্জন করতে গিয়ে ফাঁপড়ে পড়েন তাঁরা। দ্বারস্থ হন জেলা প্রশাসনের।
জেলাশাসক ডাক দেন দমকলকে। নির্দেশ পেয়ে শনিবার বিকেলে মূর্তিটিকে নিরঞ্জন করেন দমকল কর্মীরা। তবে নিরঞ্জনের জন্যও বিশেষ আচার অনুষ্ঠান পালন করতে দেখা যায় এলাকার মহিলাদের। শনিবার বিকালে দমকলের গাড়ি ৫ নং ঘুমটি এলাকায় পৌঁছে গেলে স্থানীয় মহিলারা প্রথমে মূর্তিতে পুজো দেন। এরপর অনেকেই বাড়ি থেকে দুধ নিয়ে আসেন। দিয়ে দেন দমকল কর্মীদের। এরপর দমকল কর্মীরা জলের ট্যাঙ্কে দুধ গুলি ঢেলে দেন। তারপর হোস পাইপ দিয়ে মূর্তিটিকে গলিয়ে দেন।
এদিকে নিরঞ্জন নিয়ে টানাপোড়েন চললেও নিরঞ্জনের সময়ে যত এগিয়ে এল ততই যেন মনে বিষাদের মেঘ পুজো উদ্যোক্তাদের। পুজো উদ্যোক্তা মানস মুস্তাফি বলেন, একমাস ধরে এই রাম লালাকে আমরা পুজো দিয়েছি। প্রচুর মানুষ এসেছে। তাঁরাও পুজো দিয়েছে। আমরা এতদিন ধরে চেষ্টা করার পর অবশেষে মূর্তিটা নিরঞ্জন করতে পারছি। আজ যখন নিরঞ্জন হচ্ছে তখন চোখে জল চলে সকলের। মনটা একটু খারাপ হচ্ছেই। দমকল আধিকারিক সোমনাথ সেনগুপ্ত বলেন, উপরতলার নির্দেশ মতো আজ আমরা এখানে এসে রাম মূর্তি নিরঞ্জন করলাম। গতকাল আমরা ৫১ ফুট সরস্বতী প্রতিমা নিরঞ্জন করেছিলাম। আজ এটা হল।
