SFI: ক্লাস চলাকালীন গায়ে কেরোসিন ঢেলে আত্মহত্যার চেষ্টা SFI নেতার! নেপথ্যে ভয়ঙ্কর অভিযোগ
SFI Leader Self-Harm: এদিন কলেজে ক্লাস চলছিল, সে সময়েই প্রথম বর্ষের ওই ছাত্রনেতা গায়ে কেরোসিন ঢেলে দেন। তারপর দেশলাই জ্বেলে আগুন লাগানোর চেষ্টা করেন। অধ্যাপক ও অন্যান্য সহপাঠীদের সহযোগিতায় তাঁকে বিরত করা সম্ভব হয়। পরে তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদ করে জানা যায়, বাড়ি থেকেই তিনি কেরোসিন-দেশলাই নিয়ে এসেছিলেন।

জলপাইগুড়ি: ক্লাস চলাকালীন আত্মহত্যার চেষ্টা SFI নেতার। জলপাইগুড়ির AC কলেজের ঘটনায় তীব্র চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। কিন্তু কেন এমন সিদ্ধান্ত? ওই SFI নেতার দাবি, ABVP-র অত্যাচার সহ্য করতে না পেরে গায়ে আগুন দিয়ে আত্মহত্যার চেষ্টা করেছেন তিনি।
জানা যাচ্ছে, এদিন কলেজে ক্লাস চলছিল, সে সময়েই প্রথম বর্ষের ওই ছাত্রনেতা গায়ে কেরোসিন ঢেলে দেন। তারপর দেশলাই জ্বেলে আগুন লাগানোর চেষ্টা করেন। অধ্যাপক ও অন্যান্য সহপাঠীদের সহযোগিতায় তাঁকে বিরত করা সম্ভব হয়। পরে তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদ করে জানা যায়, বাড়ি থেকেই তিনি কেরোসিন-দেশলাই নিয়ে এসেছিলেন।
SFI নেতার অভিযোগ, তাঁকে নিয়মিত কলেজে নিগ্রহ করত ABVP। এই বিষয়ে এন্টি র্যাগিং কমিটিকে জানিয়েও কোনও লাভ হয়নি। সহ্যের সীমা ছাড়িয়ে যাওয়ার গায়ে কেরোসিন ঢেলে আত্মহত্যার চেষ্টা চালায়। প্রথমে ওই ছাত্রকে প্রিন্সিপালের ঘরে নিয়ে যাওয়া হয়। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে যায় পুলিশ। ওই ছাত্র বলেন, “আজকেই কলেজে ঢোকার মুখেই আমাকে মারধর করা হয়। আমাকে বাধ্য হয়েই এই পদক্ষেপ করতে হয়েছে। সেলফ ডিফেন্সের জন্য। আমি তো আর কাউকে মারতে পারব না।”
ABVP-র তরফে এক ছাত্র নেতা বলেন, “ও ক্লাস চলাকালীনই গায়ে কেরোসিন ঢেলে দেয়। তখন ক্লাসে গৌর স্যর ছিলেন। গৌর স্যর ওই পকেট থেকে লাইটার নিয়ে নেন। ওকে জিজ্ঞাসা করলে বলে, ওকে নাকি কেউ বা কারা মারধর করেছে। কিন্তু নাম জিজ্ঞাসা করলে কারোর নামই বলতে পারে না। ওরা কলেজে আসে পরিবেশটাকে খারাপ করার জন্য।” SFI-এর রাজ্য সম্পাদক দেবাঞ্জন দে বলেন, “ABVP ছাত্রদের মারধর করে যাচ্ছে নিয়মিত। ক্যাম্পাসের ভিতর নির্দিষ্ট অপরাধ চক্র তৈরি হয়েছে।”
