
জলপাইগুড়ি: বিজেপির পতাকা খোলাকে কেন্দ্র করে সিপিএম নেত্রী দীপ্সিতা ধরের সভায় উত্তেজনা। পরিস্থিতি সামাল দিতে ছুটে এল পুলিশ। এল কেন্দ্রীয় বাহিনী। মঙ্গলবার সন্ধ্যায় জলপাইগুড়ি সদর বিধানসভার পান্ডাপাড়া কালিবাড়ি এলাকায় কর্মসূচি ছিল সিপিএমের। অভিযোগ ওই সভাস্থলে লাগানো ছিল পরিবর্তন যাত্রা উপলক্ষে বিজেপির পতাকা। বিজেপির অভিযোগ তাদের না জানিয়ে ওই পতাকা খুলে নেওয়া হয়েছে। আর এতেই বিজেপি কর্মীরা সভাস্থলে আসে। প্রতিবাদ জানায়। শুরু হয় ধাক্কাধাক্কি। তপ্ত হয়ে ওঠে পরিস্থিতি।
কিছু সময়ের মধ্যেই সিপিএম কর্মীরা সেখানে তাঁদের দলীয় পতাকা লাগিয়ে দেয়। কিন্তু ততক্ষণে আসে আরও বিজেপি কর্মীরা চলে আসেন মিছিল করে। পরিস্থিতি যে ধীরে ধীরে হাতের বাইরে যাচ্ছে তা টের পেয়ে ছুটে আসে পুলিশ। খবর চলে যায় কেন্দ্রীয় বাহিনীর কানে। বুটে আওয়াজ শোনা যেতেই ধীরে ধীরে প্রশমিত হয়। তবে বামেদের কর্মসূচি ব্যাহত হয়নি। সভা হয়। সভা শেষে ফিরেও যান দীপ্সিতা।
সিপিএম জেলা সম্পাদক মণ্ডলীর সদস্য কৌশিক ভট্টাচার্য বলেন, “বিজেপির নেতাদের বলা হয়েছিল ওদের যখন অনুষ্ঠান হয়ে গিয়েছে ওরা যেন জায়গাটা ফাঁকা করে দেয়। তাহলে আমরা পতাকা লাগাতে পারতাম। আমরা কাউকে ছোট করিনি। আমাদের একটা কথা রাজনৈতিক সৌজন্য বজায় রাখতে হবে।”
যদিও সিপিএমের বিরুদ্ধে সুর চড়াচ্ছে পদ্ম শিবির। বিজেপির জেলা কমিটির সদস্য পলেন ঘোষ বলছেন, “কোনও রাজনৈতিক দল আরও একটি রাজনৈতিক গলের ঝাণ্ডা কীভাবে খুলতে পারে? তাহলে বুঝতে হবে ওদের অধঃপতন কতটা হয়েছে। হয়তো পরে বুঝতেও পেরেছে ওদের কতটা ভুল হয়েছে।”