Jhargram: বালি ছাতু, পুয়াল ছাতু, ছাতু অনেক রকম…, এর মধ্যে বাজার কাঁপাচ্ছে দুগ্গাছাতু
West bengal: আশ্বিন মাস পড়তেই জঙ্গলমহলের গ্রামগুলিতে মুখে-মুখে ফেরে এই চেনা লোকছড়া। বর্ষা বিদায় আর শারদোৎসবের ঠিক মুখে শাল, পিয়াল ও মহুলের ভেজা মাটি ফুঁড়ে মাথা তুলছে শত শত সাদা ছাতার মতো ছত্রাক বা স্থানীয় ভাষায় 'দুগ্গাছাতু' (দুগ্ধা ছাতু)।

ঝাড়গ্রাম: আর কয়েকদিন তারপর দুর্গাপুজো। ‘আশ্বিনা টানের দিনে, কাড়ান ছাতুর পার্বণী, আইসব্যে জামাই রাইত্যে, দুগ্ধা ছাতু দিব উয়ার পাত্যে…।’ আশ্বিন মাস পড়তেই জঙ্গলমহলের গ্রামগুলিতে মুখে-মুখে ফেরে এই চেনা লোকছড়া। বর্ষা বিদায় আর শারদোৎসবের ঠিক মুখে শাল, পিয়াল ও মহুলের ভেজা মাটি ফুঁড়ে মাথা তুলছে শত শত সাদা ছাতার মতো ছত্রাক বা স্থানীয় ভাষায় ‘দুগ্গাছাতু’ (দুগ্ধা ছাতু)। আর এই প্রাকৃতিক সম্পদকে ঘিরেই পুজোর মুখে বাড়তি উপার্জনের আশায় মুখিয়ে রয়েছেন এলাকার বহু মানুষ।
ভোর হতেই ঝুড়ি হাতে জঙ্গলমহলের বাসিন্দারা বেরিয়ে পড়ছেন ছাতু সংগ্রহের উদ্দেশ্যে। জঙ্গলভেদে কমলা ছাতু, কান ছাতু, জীবন ছাতু, কাঠ ছাতু, শুকনা ছাতু, পিঠা ছাতু, ধুলা ছাতু কিংবা ঝিনুক ছাতুর দেখা মিললেও তার অধিকাংশ খাওয়ার উপযোগী নয়। মূলত বালি ছাতু, পুয়াল ছাতু, কুড়কুড়ি এবং দুগ্ধা ছাতুই খাবার হিসেবে ব্যবহৃত হয়। তবে স্বাদ ও সুবাসে সবার ওপরে থাকে ‘দুগ্গাছাতু’। এই ছাতু বিক্রির জন্য ভোর থেকেই ভিড় জমছে ঝাড়গ্রাম শহরের বিভিন্ন প্রান্তে।
শহরের প্রধান সবজি মার্কেট, লোকাল বোর্ড এলাকা এবং নতুন উড়ালপুল সংলগ্ন শিবমন্দির চত্বরে আপাতত এই ছাতু বিক্রি হচ্ছে কেজি প্রতি প্রায় ৬০০ টাকা দরে। পুজো পার্বণের মুখে পাতে দুগ্গাছাতুর পদ তুলতে আকাশছোঁয়া দাম উপেক্ষা করেই বাজারে ভিড় করছেন খাদ্যরসিক ক্রেতারা।
