Jhal Muri Seller Death Threat: মোদী খেয়েছিলেন ঝালমুড়ি, ঝাড়গ্রামের সেই বিক্রমের কাছেই পাকিস্তান-বাংলাদেশ থেকে আসছে খুনের হুমকি
Jhargram jhal muri seller Vikram Sau: ঝাড়গ্রাম রাজকলেজ মোড়ে রাস্তার ধারে রয়েছে চবন লাল স্পেশাল ঝালমুড়ি। নিচে ফোন নম্বর দেওয়া। এই ঝালমুড়ি দোকানটি বিক্রম সাউয়ের। প্রধানমন্ত্রী তাঁর দোকানে ঝালমুড়ি খেয়ে যাওয়ার পর একমাস কেটেছে। তাঁর দোকানের পরিচিতি বেড়েছে। এরই মধ্যে অচেনা নম্বর থেকে ফোনে খুনের হুমকি পেয়ে আতঙ্কিত বিক্রম। টিভি৯ বাংলাকে তিনি বলেন, "গত ১৯ মে আমার ফোনে অচেনা নম্বর থেকে ফোন আসে। বলে, খুন করে দেব।"

ঝাড়গ্রাম: বাংলায় বিধানসভা নির্বাচনের প্রচারে এসে তাঁর দোকানে ঝালমুড়ি খেয়েছিলেন স্বয়ং প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। সেই ভিডিয়ো সোশ্যাল মিডিয়ায় ঝড় তুলেছিল। রাতারাতি খবরের শিরোনামে উঠে এসেছিলেন ঝাড়গ্রামের সেই ঝালমুড়ি বিক্রেতা বিক্রম সাউ। কিন্তু, মাস ঘুরতে না ঘুরতেই নয়া আতঙ্কে বিক্রম। অচেনা নম্বর থেকে তাঁকে খুনের হুমকি দিয়ে ফোন করা হয়েছে। খুনের হুমকি দেওয়া মেসেজও পেয়েছেন। পরিস্থিতিতে আতঙ্কে দোকানে বসছেন না ওই ঝালমুড়ি বিক্রেতা। ঘটনার তদন্তে নেমেছে ঝাড়গ্রাম জেলা পুলিশ।
গত ১৯ এপ্রিল ঝাড়গ্রামে নির্বাচনী প্রচারে এসেছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। রাজকলেজ মোড়ে থেমেছিল প্রধানমন্ত্রীর কনভয়। গাড়ি থেকে নেমে বিক্রম সাউয়ের দোকানে গিয়েছিলেন মোদী। ঝালমুড়ি কিনেছিলেন। প্রধানমন্ত্রী তাঁর দোকানে আসায় যারপরনাই খুশি হয়েছিলেন বিক্রম। তাঁর দোকান থেকে প্রধানমন্ত্রীর ঝালমুড়ি কেনার ভিডিয়ো ভাইরাল হয়। কয়েকদিন বিক্রমের দোকানের সামনে ভিড় দেখা গিয়েছিল।
প্রধানমন্ত্রীর ঝালমুড়ি খাওয়া নিয়ে রাজনৈতিক চাপানউতোর বেড়েছিল ভোটের বাংলায়। পরে তৃণমূলকে কটাক্ষ করে মোদী বলেছিলেন, “ঝালমুড়ি আমি খেয়েছি, আর ঝাল তৃণমূলের লেগেছে।” এমনকি, বাংলায় পালাবদল হওয়ার পরও ঝালমুড়ির রেশ রয়ে যায়। প্রধানমন্ত্রীর নেদারল্যান্ডস সফরেও ঝালমুড়ির প্রসঙ্গ উঠে আসে।
খুনের হুমকি পেলেন বিক্রম সাউ-
ঝাড়গ্রাম রাজকলেজ মোড়ে রাস্তার ধারে রয়েছে চবন লাল স্পেশাল ঝালমুড়ি। নিচে ফোন নম্বর দেওয়া। এই ঝালমুড়ি দোকানটি বিক্রম সাউয়ের। প্রধানমন্ত্রী তাঁর দোকানে ঝালমুড়ি খেয়ে যাওয়ার পর একমাস কেটেছে। তাঁর দোকানের পরিচিতি বেড়েছে। এরই মধ্যে অচেনা নম্বর থেকে ফোনে খুনের হুমকি পেয়ে আতঙ্কিত বিক্রম। টিভি৯ বাংলাকে তিনি বলেন, “গত ১৯ মে আমার ফোনে অচেনা নম্বর থেকে ফোন আসে। বলে, খুন করে দেব।” একাধিক নম্বর থেকে ফোন এসেছিল। কোনও নম্বরের শুরু ৯২ এবং কোনও নম্বরের শুরু ৮৮০। এগুলি পাকিস্তান ও বাংলাদেশের কোড নম্বর। ফলে পাকিস্তান ও বাংলাদেশ থেকে ফোন করে তাঁকে খুনের হুমকি দেওয়া হয়েছে কি না, সেই প্রশ্ন উঠছে। পরে মেসেজও পান। বিক্রম জানান, তিনি পুলিশ পুরো বিষয়টি জানিয়েছেন। এই ঘটনার পর তিনি চূড়ান্ত আতঙ্কের মধ্যে দিন কাটাচ্ছেন। দোকান খোলা থাকলেও তিনি দোকানে বসছেন না। সত্যিই বাংলাদেশ ও পাকিস্তান থেকে ফোন করে বিক্রমকে খুনের হুমকি দেওয়া হয়েছে কিনা, তা তদন্ত করে দেখছে ঝাড়গ্রাম জেলা পুলিশ। এদিকে, বিক্রমের দোকানের সামনে কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ানদের মোতায়েন করা হয়েছে।
