AQI
Sign In

By signing in or creating an account, you agree with Associated Broadcasting Company's Terms & Conditions and Privacy Policy.

Malda: ‘আমাদের পাড়া’ প্রকল্প বরাদ্দ সোলার লাইট ‘চুরি’, কোথায় গেল? তৃণমূল নেতাদের বিরুদ্ধে থানায় অভিযোগ

Allegation against TMC leaders: এলাকার বাসিন্দা সরস্বতী মণ্ডল, বিউটি গোস্বামী বলেন, যেখানে পাড়ার সমস্যার জন্য সরকার আমাদের পাড়া আমাদের সমাধান প্রকল্প চালু করেছেন। সেখানে দেখা যাচ্ছে সেই প্রকল্পের মাধ্যমে পাওয়া সোলার লাইট সেই এলাকায় না বসিয়ে তৃণমূল পার্টি অফিসে বসানো হয়েছে। তাঁদের দাবি, তৃণমূল পার্টি অফিস থেকে সোলার লাইট উঠিয়ে সঠিক জায়গায় বসানো হোক।

Malda: 'আমাদের পাড়া' প্রকল্প বরাদ্দ সোলার লাইট 'চুরি', কোথায় গেল? তৃণমূল নেতাদের বিরুদ্ধে থানায় অভিযোগ
একটি সোলার লাইট তৃণমূলের পার্টি অফিসে বসানো হয়েছে বলে অভিযোগ।Image Credit: TV9 Bangla
| Edited By: | Updated on: Feb 04, 2026 | 5:45 PM
Share

মালদহ: সরকারি আলোও চুরির অভিযোগ। অভিযুক্ত তৃণমূল। থানায় অভিযোগ দায়ের তৃণমূল নেতা তথা পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি, কর্মাধ্যক্ষ, সদস্য-সহ আরও চার তৃণমূল কর্মীর বিরুদ্ধে। অর্থাৎ মোট সাত জনের বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের হয়েছে। অভিযোগ জানানো হয়েছে জেলাশাসকের কাছেও। পাড়ায় সমাধানের মাধ্যমে পাওয়া আলো চলে গেল তৃণমূল পার্টি অফিসে। জ্বলছে সেই পার্টি অফিসের সামনেই। তৃণমূলের যে পার্টি অফিস আবার এলাকার দেবোত্তর সম্পত্তি জবরদখল করে তৈরি হয়েছে বলে অভিযোগ।

মালদার ইংরেজবাজার ব্লকের কাজিগ্রাম পঞ্চায়েতের বাগবাড়ি বাহান্ন বিঘা গ্রামে ‘আমাদের পাড়া আমাদের সমাধান’ প্রকল্পের মাধ্যমে তিনটি সোলার লাইট বরাদ্দ হয়। ইংরেজবাজার পঞ্চায়েত সমিতির পক্ষ থেকে এই লাইটগুলো লাগানো হয়। এর জন্য ১ লক্ষ ৮ হাজার টাকার মতো বরাদ্দ করা হয়। অভিযোগ, দুটি লাইট যথাস্থানে লাগানো হলেও একটি লাইট গ্রামের পাশেই একটি ফাঁকা জায়গায় অবস্থিত তৃণমূলের পার্টি অফিসে বসানো হয়েছে। বিষয়টি জানাজানি হতেই শোরগোল পড়েছে এলাকায়।

থানায় ও জেলাশাসকের কাছে অভিযোগ দায়ের হয়েছে। তৃণমূল পরিচালিত ইংরেজবাজার পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি রাজেশ পাল, পূর্ত কর্মাধ্যক্ষ অর্পিতা দাস এবং সদস্য শম্পা সেন সরকার সহ আরও চার স্থানীয় তৃণমূল নেতা কর্মীর বিরুদ্ধে দায়ের হয়েছে অভিযোগ। এর মধ্যে প্রধান অভিযোগ স্থানীয় তৃণমূল নেতা বিশ্বজিৎ সেনের বিরুদ্ধে। যাঁর স্ত্রী আবার শম্পা সেন সরকার।

অভিযোগকারী বাপ্পা মণ্ডল বলেন, “তৃণমূলের ওই পার্টি অফিস বেআইনি। দেবোত্তর সম্পত্তির মধ্যে তৈরি করা হয়েছে। সাধারণ মানুষের সুবিধার জন্য সোলার লাইটের ব্যবস্থা করা হয় গ্রামে। কিন্তু সেই লাইট পার্টি অফিসে লাগানো হয়েছে। এই বিষয়ে অভিযোগ দায়ের করেছি।”

এলাকার বাসিন্দা সরস্বতী মণ্ডল, বিউটি গোস্বামী বলেন, যেখানে পাড়ার সমস্যার জন্য সরকার আমাদের পাড়া আমাদের সমাধান প্রকল্প চালু করেছেন। সেখানে দেখা যাচ্ছে সেই প্রকল্পের মাধ্যমে পাওয়া সোলার লাইট সেই এলাকায় না বসিয়ে তৃণমূল পার্টি অফিসে বসানো হয়েছে। তাঁদের দাবি, তৃণমূল পার্টি অফিস থেকে সোলার লাইট উঠিয়ে সঠিক জায়গায় বসানো হোক।

আলো চুরির অভিযোগ নিয়ে দক্ষিণ মালদহ বিজেপির সাধারণ সম্পাদক বিশ্বজিৎ রায় বলেন, “তৃণমূল সরকারে আসার পর থেকে উন্নয়ন বলতে শুধু তৃণমূলের নেতাদের কর্মীদের উন্নয়ন হয়েছে।” অন্যদিকে অভিযুক্ত ইংরেজবাজার পঞ্চায়েত সমিতির সদস্য শম্পা সেনের স্বামী বিশ্বজিৎ সেন দাবি করেন, যে অভিযোগটি করা হয়েছে সেটা সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন। যারা অভিযোগ করছে তারা বিজেপির উস্কানিতে করছে।তবে, মালদহ জেলা পরিষদের সহ সভাধিপতি এটিএম রফিকুল হোসেন জানান, কোনও বেনিয়ম হয়ে থাকলে সেটা তদন্ত করে দেখা হবে। যদি কেউ দোষী প্রমাণিত হয়, তাহলে আইন অনুযায়ী তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।