TMC Candidate: খুনী হাতকাটা দিলীপও তাঁর নামে ভয়ে কাঁপত, তৃণমূল এবার তাঁকে টিকিট দিতেই খুনের আশঙ্কা প্রাক্তন IPS-এর
TMC Candidate Humayun Kabir: মুর্শিদাবাদে পৌঁছে নিরাপত্তার জন্য জেলা পুলিশ সুপারের দ্বারস্থ হয়েছেন ডোমকলের তৃণমূল প্রার্থী প্রাক্তন আইপিএস হুমায়ুন কবীর। তিনি বলেন, "পুলিশ সুপার থাকাকালীন অনেক মার্ডার সিন্ডিকেট ভেঙেছি অপরাধীদের বিরুদ্ধে করা ব্যবস্থা নিয়েছি, মার্ডার সিন্ডিকেটের মাথা এখনও রয়ে গিয়েছে। তিনি আমাকে বিভিন্নভাবে হুমকি দিচ্ছেন। সেই কারণে জীবনহানির আশঙ্কা রয়েছে। তাই নিরাপত্তার জন্য পুলিশ সুপারের কাছে আবেদন করেছি।"

মুর্শিদাবাদ: দুর্ধর্ষ পুলিশ কর্তা তিনি। ২০০৩ ব্যাচের পশ্চিমবঙ্গ ক্যাডারের আইপিএস অফিসার ছিলেন। হাতকাটা দিলীপ’-এর মতো দুর্ধর্ষ অপরাধীকে গ্রেফতার করেছিলেন। সেই প্রাক্তন দুঁদে আইপিএস কর্তা তথা তৃণমূলের বিদায়ী বিধায়ক হুমায়ুন কবীর এবারও নির্বাচনে লড়ছেন। তবে ডেবরা নয়, তাঁকে ডোমকলের প্রার্থী করেছে তৃণমূল। কিন্তু টিকিট পেয়েই এবার প্রাণহানির আশঙ্কা করছেন প্রাক্তন আইপিএস কর্তা হুমায়ুন কবীর। তাঁর বক্তব্য, “জেলার মার্ডার সিন্ডিকেটের মাথা এখনও আছে, আমাকে প্রাণে মারার চেষ্টা করছে।”
মুর্শিদাবাদে পৌঁছে নিরাপত্তার জন্য জেলা পুলিশ সুপারের দ্বারস্থ হয়েছেন ডোমকলের তৃণমূল প্রার্থী প্রাক্তন আইপিএস হুমায়ুন কবীর। তিনি বলেন, “পুলিশ সুপার থাকাকালীন অনেক মার্ডার সিন্ডিকেট ভেঙেছি অপরাধীদের বিরুদ্ধে করা ব্যবস্থা নিয়েছি, মার্ডার সিন্ডিকেটের মাথা এখনও রয়ে গিয়েছে। তিনি আমাকে বিভিন্নভাবে হুমকি দিচ্ছেন। সেই কারণে জীবনহানির আশঙ্কা রয়েছে। তাই নিরাপত্তার জন্য পুলিশ সুপারের কাছে আবেদন করেছি।”
মুর্শিদাবাদ জেলায় পাঁচ বছর কাটিয়েছেন হুমায়ুন। দু’বছর কান্দির এসডিপিও ছিলেন, প্রায় তিন বছর জেলা পুলিশ সুপার ছিলেন। ডোমকল তাঁর হাতের তালুর মতো চেনা। সেই জেলায় কোথায় কোন সিন্ডিকেট সক্রিয়, সেই সিন্ডিকেটের মাথায় কে, কতদূর পর্যন্ত তাদের জাল ছড়িয়েছে, ডোমকলের ডেমোগ্রাফি- সবই নখদর্পণে কবীরের। তিনি বলেন, “আমার চেনা পরিচিত জায়গায় পাঠিয়েছে নেতৃত্ব। আমি অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে ধন্যবাদ জানাই। কর্মীদেরকে বলব ঘাম ঝরাও।”
মুর্শিদাবাদের ডোমকল এমনিতেই অত্যন্ত স্পর্শকাতর এলাকা। নির্বাচনে এখান থেকে হিংসার একাধিক অভিযোগ ওঠে। গত বিধানসভা নির্বাচনেও ডোমকলে ৭ দিনে সব থেকে বেশি রাজনৈতিক হিংসায় মৃত্যুর ঘটনা ঘটে। কিন্তু যে সময়ে কবীর পুলিশ সুপার পদে ছিলেন, তখন ডোমকল থেকে একটিই খুনের অভিযোগ ওঠে বলে নিজেই জানালেন। কিন্তু এবার দুঁদে কর্তা এবার নিজেই প্রাণহানির আশঙ্কা করছেন।
