Maldah: ফের মালদহ, ব্যবসায়ীর মাথায় বন্দুক ঠেকিয়ে সোনা-রূপো লুট ছিনতাইবাজদের
Maldah dacoity: এর আগে চাঁচল, হবিবপুরে সোনার দোকানে ডাকাতির ঘটনা ঘটেছিল। গত বছরের ২৫ ডিসেম্বর মালদহের চাঁচল থানার ঢিল ছোড়া দূরত্বে একটি বড় সোনার দোকানে ডাকাতি হয়। প্রচুর গহনা লুট করে নিয়ে যায় দুষ্কৃতীরা।

মালদহ: সম্প্রতি মালদহের বিভিন্ন সোনার দোকানে ডাকাতির ঘটনা ঘটেছিল। দুষ্কতীদের গ্রেফতারও করেছিল পুলিশ। কিন্তু তারপরও যেন ঠেকানো যাচ্ছে না চুরি-ছিনতাই। এবার ফের মালদহ থেকে উঠে এল লুটের খবর। মাথায় আগ্নেয়াস্ত্র দেখিয়ে সোনার দোকানের এক ব্যবসায়ীর থেকে লুট লক্ষাধিক টাকার সোনা,অলঙ্কার।
এর আগে চাঁচল, হবিবপুরে সোনার দোকানে ডাকাতির ঘটনা ঘটেছিল। গত বছরের ২৫ ডিসেম্বর মালদহের চাঁচল থানার ঢিল ছোড়া দূরত্বে একটি বড় সোনার দোকানে ডাকাতি হয়। প্রচুর গহনা লুট করে নিয়ে যায় দুষ্কৃতীরা। এই ঘটনায় ঝাড়খন্ডের এক যুবককে গ্রেফতার করা হয়। তারপর তদন্তে নামে সিআইডি। এরপর হবিবপুরেও একটি গহনার দোকানে ডাকাতি হয়। সেই ঘটনার পর তালিকায় যোগ হল হরিশচন্দ্রপুরের নাম।
জানা গিয়েছে, হরিশ্চন্দ্রপুর থানার অন্তর্গত কুশিদা গ্রাম পঞ্চায়েতের বিঝট কবরস্থান সংলগ্ন এলাকায় কমল ঠাকুর নামে এক সোনার ব্যবসায়ীর থেকে লক্ষাধিক টাকা ছিনতাই করে দুষ্কৃতীরা। কমলবাবুর দোকান বাংলা-বিহার সীমান্তবর্তী তেঁতুলচকে অবস্থিত। গতকাল নিজের সোনার দোকান বন্ধ করে বাড়ি ফিরছিলেন। পথে ছিনতাইয়ের শিকার হন। ছিনতাইকারীরা দলে তিনজন ছিল বলে জানান ওই ব্যবসায়ী। গোটা বিষয়টি নিয়ে থানায় অভিযোগ জানিয়েছেন কমল ঠাকুর।
পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, মাথায় আগ্নেয়াস্ত্র ঠেকিয়ে ছিনতাই করা হয়েছে। যার মধ্যে রয়েছে আড়াই ভরি সোনা,৩০ ভরি রূপো এবং নগর ৩০ হাজার টাকা। কমল ঠাকুরের ভাই গোবিন্দ ঠাকুর বলেন, “দাদা ফোন করে বলল দোকান থেকে ফেরার পথে দুষ্কৃতীরা সব লুট করে নিয়ে চলে গেছে। রোজের মতো দাদা দোকান বন্ধ করে বাড়িই আসছিল। তখনই ওর পথ আটকায় বাইক নিয়ে আসা কয়েকজন। তারপর মাথায় বন্দুক ধরে যা ছিল সব নিয়ে পালিয়ে যায়। পুলিশকে জানানো হয়েছে গোটা বিষয়টা। এখন দেখা যাক কী হয়।”
